সংবাদ

১৮ দিনের শিশুকে খুনের দায়ে মায়ের ১৩ বছর কারাদণ্ড


প্রতিনিধি, টাঙ্গাইল
প্রতিনিধি, টাঙ্গাইল
প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৮:০৭ পিএম

১৮ দিনের শিশুকে খুনের দায়ে মায়ের ১৩ বছর কারাদণ্ড
ছবি : সংগৃহীত

টাঙ্গাইলে ১৮ দিনের নবজাতক শিশুকে শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে মা আয়না বেগমকে (২৪) ১৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডিত আয়না বেগম টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার শিবপুর চন্দনপাড়া গ্রামের মো. জহিরুল ইসলামের স্ত্রী ও দেলদুয়ার উপজেলার লাউহাটী মধ্যপাড়া গ্রামের আমিনুল ইসলামের মেয়ে।

টাঙ্গাইলের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) শফিকুল ইসলাম জানান, দণ্ডপ্রাপ্ত আয়না বেগমকে শিশু হত্যার দায়ে ১০ বছর এবং লাশ গুম করার অভিযোগে ৩ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দুটি সাজা ধারাবাহিকভাবে কার্যকর হবে। এ ছাড়া তাকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, আয়না বেগম সন্তান জন্মের পর দেলদুয়ারের লাউহাটী গ্রামে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। ২০২০ সালের ৩০ আগস্ট সকালে ১৮ দিনের শিশুপুত্র রায়হান নিখোঁজ হয়। খবর পেয়ে আয়নার স্বামী জহিরুল ইসলাম শ্বশুরবাড়িতে যান। অনেক খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বাড়ির পাশের একটি খালের পানিতে রায়হানের নিথর দেহ পাওয়া যায়। পরে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে জানা যায়, শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।

এ ঘটনায় জহিরুল ইসলাম বাদী হয়ে স্ত্রী আয়না বেগমের বিরুদ্ধে দেলদুয়ার থানায় মামলা করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে ওই বছরের শেষ দিকে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। মামলায় ৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আজ আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর দণ্ডিত আয়না বেগমকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬


১৮ দিনের শিশুকে খুনের দায়ে মায়ের ১৩ বছর কারাদণ্ড

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬

featured Image

টাঙ্গাইলে ১৮ দিনের নবজাতক শিশুকে শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে মা আয়না বেগমকে (২৪) ১৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডিত আয়না বেগম টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার শিবপুর চন্দনপাড়া গ্রামের মো. জহিরুল ইসলামের স্ত্রী ও দেলদুয়ার উপজেলার লাউহাটী মধ্যপাড়া গ্রামের আমিনুল ইসলামের মেয়ে।

টাঙ্গাইলের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) শফিকুল ইসলাম জানান, দণ্ডপ্রাপ্ত আয়না বেগমকে শিশু হত্যার দায়ে ১০ বছর এবং লাশ গুম করার অভিযোগে ৩ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দুটি সাজা ধারাবাহিকভাবে কার্যকর হবে। এ ছাড়া তাকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, আয়না বেগম সন্তান জন্মের পর দেলদুয়ারের লাউহাটী গ্রামে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। ২০২০ সালের ৩০ আগস্ট সকালে ১৮ দিনের শিশুপুত্র রায়হান নিখোঁজ হয়। খবর পেয়ে আয়নার স্বামী জহিরুল ইসলাম শ্বশুরবাড়িতে যান। অনেক খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বাড়ির পাশের একটি খালের পানিতে রায়হানের নিথর দেহ পাওয়া যায়। পরে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে জানা যায়, শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।

এ ঘটনায় জহিরুল ইসলাম বাদী হয়ে স্ত্রী আয়না বেগমের বিরুদ্ধে দেলদুয়ার থানায় মামলা করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে ওই বছরের শেষ দিকে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। মামলায় ৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আজ আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর দণ্ডিত আয়না বেগমকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত