সংবাদ

ছোটগল্প

নীল শামুক বিশ্ববিদ্যালয়


সানি মহারথী
সানি মহারথী
প্রকাশ: ২ জুলাই ২০২৬, ১২:০৪ এএম

নীল শামুক বিশ্ববিদ্যালয়
শিল্পী: সঞ্জয় দে রিপন



 

আমার বয়স তখন চুয়াল্লিশ|

ঠিক চুয়াল্লিশ কি না জানি না| গরিব মানুষের জন্মের দিন তারিখ লেখা থাকে না| তাদের বয়স ক্যালেন্ডারে মাপা যায় না| তাদের বয়স মাপা যায় ভাঙা চোয়াল, ক্ষয়ে যাওয়া স্যান্ডেল আর অপূর্ণ স্বপ্নের সংখ্যা দিয়ে|

 

সেদিন ভোরে ঘুম ভাঙলে দেখি আমার তেল চিটচিটে দাগ পড়া বালিশের নিচে একটা নীল শামুক|

আমি অবাক হইনি|

অবাক হওয়ার ক্ষমতা বহু আগেই তো হারিয়ে ফেলেছি| যে মানুষ দারিদ্র্যের সঙ্গে বছরের পর বছর জীবন কাটায়, তার কাছে শামুক আর ব্যাংক ম্যানেজারের মধ্যে তেমন কোনো পার্থক্য থাকে না| দুজনেই ধীরে চলে|

শামুকটা আমার দিকে তাকিয়ে বলল,

-তুমি এখানেও দেরি করে ফেলেছো|

আমি বললাম,

-কোথায়?

-বিশ্ববিদ্যালয়ে|

আমি চারপাশে তাকালাম|

আমার টিনের ঘর|

ভাঙা জানালা|

পুরোনো খাতা|

সব ঠিকই আছে|

কিন্তু শামুকটা হঠাৎ বড় হতে শুরু করল|

বড় হতে হতে একটা নৌকার সমান হয়ে গেল|

তারপর সে নিজের খোলসের দরজা খুলে দিল|

ভেতরে সিঁড়ি|

আমি সিঁড়ি বেয়ে নামতে লাগলাম|

নামতে নামতে বুঝলাম, আমি পৃথিবীর নিচে চলে যাচ্ছি|

আরও নিচে|

আরও|

শেষে গিয়ে দেখি একটা বিশাল শহর|

শহরের প্রবেশদ্বারে এক বিশ্ববিদ্যালয়| “নীল শামুক বিশ্ববিদ্যালয়”| প্রবেশদ্বারের ফটকের উপরে লেখা

হে অপ্রকাশিত অতিথি, সত্যানুসন্ধানে আপনাকে স্বাগতম|”

 

আমি ঢুকে পড়লাম| ধীরে হাঁটতে লাগলাম| হাঁটতে হাঁটতে আমি একটা মাঠের কাছে পৌঁছালাম| সেই মাঠের ভেতর দেখি হাজার হাজার মানুষ বসে আছে|

কেউ কবি|

কেউ বিজ্ঞানী|

কেউ চিত্রকর|

কেউ আবিষ্কারক|

তাদের কারও বই প্রকাশিত হয়নি|

কারও গবেষণা লেখা হয়নি|

কারও ছবি আঁকা হয়নি|

কারও আবিষ্কার তৈরি হয়নি|

সবাই শুধু ভাবতে পেরেছে|

আমি একজন বৃদ্ধকে জিজ্ঞেস করলাম,

-আপনার পরিচয়?

লোকটা হেসে বলল,

-আমি সেই মানুষ, যে বিমান আবিষ্কারের ধারণা রাইট ভাইদ্বয়ের পঞ্চাশ বছর আগে ভেবেছিলাম| কিন্তু আমার গ্রামের বাইরে যাওয়ার ভাড়া ছিল না|

আরেকজন বলল,

-আমি এমন এক কবিতা লিখতে চেয়েছিলাম যা মানুষকে কাঁদাবে| ‘ইলিয়াডআমার লেখার কথা ছিল| কিন্তু সারাজীবন আমি শুধু চাল কিনতেই সময় খেলাম|

আমি চুপ করে গেলাম|

মনে হলো যেন আমি আমার আত্মীয়দের মধ্যে এসে পড়েছি|

বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঝখানে একটা বিশাল গ্রন্থাগার|

আমি ভেতরে ঢুকলাম|

সেখানে কোনো বই নেই|

শুধু বইয়ের আকারে মলাট|

লক্ষ লক্ষ মলাট|

আমি গ্রন্থাগারিককে জিজ্ঞেস করলাম,

-বই কোথায়?

সে বলল,

-এগুলোইতো সেই বই, যেগুলো লেখা হয়নি|

-লেখা হয়নি?

-হ্যাঁ| পৃথিবীতে যত অপূর্ণ বই আছে, সব এখানে রাখা হয়|

আমি একটা মলাট টেনে বের করলাম| কিন্তু আশ্চর্য তাতে আমার নাম লেখা|

হাত কাঁপতে লাগল| খুলে দেখি ভেতরে সাদা পৃষ্ঠা|

একেবারে ফাঁকা|

আমি রাগে বললাম,

-আমি তো লিখেছি!

গ্রন্থাগারিক মাথা নাড়ল|

-না| তুমি খাতায় লিখেছ| বইয়ে লেখোনি|

-পার্থক্য কী?

-খাতার লেখা নিজের জন্য| বইয়ের লেখা পৃথিবীর জন্য|

কথাটা শুনে আমার বুকের ভেতর কেমন যেন ব্যথা করল|

আমি বইটা বন্ধ করে বেরিয়ে এলাম|

বাইরে তখন সন্ধ্যা|

কিন্তু আকাশে সূর্য নয়, ঝুলছে বিশাল একটা চোখ|

চোখটা পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে আছে|

আমি জিজ্ঞেস করলাম,

-ওটা কী?

এক ছাত্র বলল,

-ওটাই সময়|

-সময়?

-হ্যাঁ| সবাই ভাবে সময় নদীর মতো| আসলে সময় একটা চোখ| সে শুধু দেখে| কাউকে সাহায্য করে না|

আমি হাঁটতে হাঁটতে শহরের শেষ প্রান্তে গেলাম|

সেখানে একটা পাহাড়|

পাহাড়ের গায়ে লক্ষ লক্ষ দরজা|

প্রতিটি দরজার ওপর একটা নাম|

আমি একটা দরজা খুললাম|

ভেতরে দেখি, আমি|

কিন্তু অন্য এক আমি|

তার নিজের কম্পিউটার আছে|

নিজের প্রকাশনী আছে|

তার বই বিক্রি হচ্ছে|

মানুষ তাকে চেনে|

আমি দরজা বন্ধ করে দিলাম|

আরেকটা খুললাম|

সেখানে আরেক আমি|

সে বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক|

আরেকটা খুললাম|

সেখানে আমি বড় প্রযুক্তি উদ্যোক্তা|

আমি একের পর এক দরজা খুলতে লাগলাম|

প্রতিটা দরজার ওপারে একটা বিকল্প জীবন|

একটা জীবনে আমি ধনী|

একটাতে বিখ্যাত|

একটাতে ক্ষমতাবান|

হঠাৎ একটা দরজায় গিয়ে থামলাম|

সেখানে দেখি আমি ঠিক আমার মতোই|

একই টিনের ঘর|

একই দারিদ্র্য|

একই খাতা|

কিন্তু সে লিখছে|

লিখেই যাচ্ছে|

তার চোখে কোনো অভিযোগ নেই|

আমি ভেতরে ঢুকে তাকে জিজ্ঞেস করলাম,

-তুমি কি সফল হবে?

সে মাথা তুলে হাসল|

-জানি না|

-তাহলে লিখছ কেন?

-কারণ গল্প লেখা আর সফল হওয়া এক জিনিস না|

আমি কিছু বলতে পারলাম না|

লোকটা আবার খাতায় ঝুঁকে গেল|

 

ঠিক তখনই সবকিছু কাঁপতে শুরু করল|

পাহাড়|

দরজা|

আকাশের চোখ|

গ্রন্থাগার|

সব|

আমি দৌড়াতে লাগলাম|

দূরে দেখি নীল শামুকটা দাঁড়িয়ে আছে|

সে বলল,

-ফিরে যাওয়ার সময় হয়েছে|

-আমি আবার আসতে পারব?

-না|

-কেন?

-কারণ এটা কোনো জায়গা না|

-তাহলে?

শামুকটা হাসল|

-এটা তোমার মাথার ভেতর|

তারপর সব অন্ধকার|

হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেল|

আমি আমার টিনের ঘরে|

ভোর হয়ে গেছে|

বালিশের নিচে কোনো শামুক নেই|

কোনো বিশ্ববিদ্যালয় নেই|

কোনো পাহাড় নেই|

শুধু একটা খাতা|

আমি খাতাটা খুললাম|

প্রথম পাতায় লেখা

খাতার লেখা নিজের জন্য| বইয়ের লেখা পৃথিবীর জন্য|”

আমি অনেকক্ষণ তাকিয়ে রইলাম|

তারপর লিখতে শুরু করলাম|

বাইরে সূর্য উঠছিল|

আর আমার মনে হচ্ছিল, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দারিদ্র্য অর্থের অভাব নয়| অলিখিত গল্পের অভাব|

কেননা যে গল্প লেখা হয়নি, সেটাই পৃথিবীর সবচেয়ে গরিব গল্প|

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬


নীল শামুক বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬

featured Image



 

আমার বয়স তখন চুয়াল্লিশ|

ঠিক চুয়াল্লিশ কি না জানি না| গরিব মানুষের জন্মের দিন তারিখ লেখা থাকে না| তাদের বয়স ক্যালেন্ডারে মাপা যায় না| তাদের বয়স মাপা যায় ভাঙা চোয়াল, ক্ষয়ে যাওয়া স্যান্ডেল আর অপূর্ণ স্বপ্নের সংখ্যা দিয়ে|

 

সেদিন ভোরে ঘুম ভাঙলে দেখি আমার তেল চিটচিটে দাগ পড়া বালিশের নিচে একটা নীল শামুক|

আমি অবাক হইনি|

অবাক হওয়ার ক্ষমতা বহু আগেই তো হারিয়ে ফেলেছি| যে মানুষ দারিদ্র্যের সঙ্গে বছরের পর বছর জীবন কাটায়, তার কাছে শামুক আর ব্যাংক ম্যানেজারের মধ্যে তেমন কোনো পার্থক্য থাকে না| দুজনেই ধীরে চলে|

শামুকটা আমার দিকে তাকিয়ে বলল,

-তুমি এখানেও দেরি করে ফেলেছো|

আমি বললাম,

-কোথায়?

-বিশ্ববিদ্যালয়ে|

আমি চারপাশে তাকালাম|

আমার টিনের ঘর|

ভাঙা জানালা|

পুরোনো খাতা|

সব ঠিকই আছে|

কিন্তু শামুকটা হঠাৎ বড় হতে শুরু করল|

বড় হতে হতে একটা নৌকার সমান হয়ে গেল|

তারপর সে নিজের খোলসের দরজা খুলে দিল|

ভেতরে সিঁড়ি|

আমি সিঁড়ি বেয়ে নামতে লাগলাম|

নামতে নামতে বুঝলাম, আমি পৃথিবীর নিচে চলে যাচ্ছি|

আরও নিচে|

আরও|

শেষে গিয়ে দেখি একটা বিশাল শহর|

শহরের প্রবেশদ্বারে এক বিশ্ববিদ্যালয়| “নীল শামুক বিশ্ববিদ্যালয়”| প্রবেশদ্বারের ফটকের উপরে লেখা

হে অপ্রকাশিত অতিথি, সত্যানুসন্ধানে আপনাকে স্বাগতম|”

 

আমি ঢুকে পড়লাম| ধীরে হাঁটতে লাগলাম| হাঁটতে হাঁটতে আমি একটা মাঠের কাছে পৌঁছালাম| সেই মাঠের ভেতর দেখি হাজার হাজার মানুষ বসে আছে|

কেউ কবি|

কেউ বিজ্ঞানী|

কেউ চিত্রকর|

কেউ আবিষ্কারক|

তাদের কারও বই প্রকাশিত হয়নি|

কারও গবেষণা লেখা হয়নি|

কারও ছবি আঁকা হয়নি|

কারও আবিষ্কার তৈরি হয়নি|

সবাই শুধু ভাবতে পেরেছে|

আমি একজন বৃদ্ধকে জিজ্ঞেস করলাম,

-আপনার পরিচয়?

লোকটা হেসে বলল,

-আমি সেই মানুষ, যে বিমান আবিষ্কারের ধারণা রাইট ভাইদ্বয়ের পঞ্চাশ বছর আগে ভেবেছিলাম| কিন্তু আমার গ্রামের বাইরে যাওয়ার ভাড়া ছিল না|

আরেকজন বলল,

-আমি এমন এক কবিতা লিখতে চেয়েছিলাম যা মানুষকে কাঁদাবে| ‘ইলিয়াডআমার লেখার কথা ছিল| কিন্তু সারাজীবন আমি শুধু চাল কিনতেই সময় খেলাম|

আমি চুপ করে গেলাম|

মনে হলো যেন আমি আমার আত্মীয়দের মধ্যে এসে পড়েছি|

বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঝখানে একটা বিশাল গ্রন্থাগার|

আমি ভেতরে ঢুকলাম|

সেখানে কোনো বই নেই|

শুধু বইয়ের আকারে মলাট|

লক্ষ লক্ষ মলাট|

আমি গ্রন্থাগারিককে জিজ্ঞেস করলাম,

-বই কোথায়?

সে বলল,

-এগুলোইতো সেই বই, যেগুলো লেখা হয়নি|

-লেখা হয়নি?

-হ্যাঁ| পৃথিবীতে যত অপূর্ণ বই আছে, সব এখানে রাখা হয়|

আমি একটা মলাট টেনে বের করলাম| কিন্তু আশ্চর্য তাতে আমার নাম লেখা|

হাত কাঁপতে লাগল| খুলে দেখি ভেতরে সাদা পৃষ্ঠা|

একেবারে ফাঁকা|

আমি রাগে বললাম,

-আমি তো লিখেছি!

গ্রন্থাগারিক মাথা নাড়ল|

-না| তুমি খাতায় লিখেছ| বইয়ে লেখোনি|

-পার্থক্য কী?

-খাতার লেখা নিজের জন্য| বইয়ের লেখা পৃথিবীর জন্য|

কথাটা শুনে আমার বুকের ভেতর কেমন যেন ব্যথা করল|

আমি বইটা বন্ধ করে বেরিয়ে এলাম|

বাইরে তখন সন্ধ্যা|

কিন্তু আকাশে সূর্য নয়, ঝুলছে বিশাল একটা চোখ|

চোখটা পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে আছে|

আমি জিজ্ঞেস করলাম,

-ওটা কী?

এক ছাত্র বলল,

-ওটাই সময়|

-সময়?

-হ্যাঁ| সবাই ভাবে সময় নদীর মতো| আসলে সময় একটা চোখ| সে শুধু দেখে| কাউকে সাহায্য করে না|

আমি হাঁটতে হাঁটতে শহরের শেষ প্রান্তে গেলাম|

সেখানে একটা পাহাড়|

পাহাড়ের গায়ে লক্ষ লক্ষ দরজা|

প্রতিটি দরজার ওপর একটা নাম|

আমি একটা দরজা খুললাম|

ভেতরে দেখি, আমি|

কিন্তু অন্য এক আমি|

তার নিজের কম্পিউটার আছে|

নিজের প্রকাশনী আছে|

তার বই বিক্রি হচ্ছে|

মানুষ তাকে চেনে|

আমি দরজা বন্ধ করে দিলাম|

আরেকটা খুললাম|

সেখানে আরেক আমি|

সে বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক|

আরেকটা খুললাম|

সেখানে আমি বড় প্রযুক্তি উদ্যোক্তা|

আমি একের পর এক দরজা খুলতে লাগলাম|

প্রতিটা দরজার ওপারে একটা বিকল্প জীবন|

একটা জীবনে আমি ধনী|

একটাতে বিখ্যাত|

একটাতে ক্ষমতাবান|

হঠাৎ একটা দরজায় গিয়ে থামলাম|

সেখানে দেখি আমি ঠিক আমার মতোই|

একই টিনের ঘর|

একই দারিদ্র্য|

একই খাতা|

কিন্তু সে লিখছে|

লিখেই যাচ্ছে|

তার চোখে কোনো অভিযোগ নেই|

আমি ভেতরে ঢুকে তাকে জিজ্ঞেস করলাম,

-তুমি কি সফল হবে?

সে মাথা তুলে হাসল|

-জানি না|

-তাহলে লিখছ কেন?

-কারণ গল্প লেখা আর সফল হওয়া এক জিনিস না|

আমি কিছু বলতে পারলাম না|

লোকটা আবার খাতায় ঝুঁকে গেল|

 

ঠিক তখনই সবকিছু কাঁপতে শুরু করল|

পাহাড়|

দরজা|

আকাশের চোখ|

গ্রন্থাগার|

সব|

আমি দৌড়াতে লাগলাম|

দূরে দেখি নীল শামুকটা দাঁড়িয়ে আছে|

সে বলল,

-ফিরে যাওয়ার সময় হয়েছে|

-আমি আবার আসতে পারব?

-না|

-কেন?

-কারণ এটা কোনো জায়গা না|

-তাহলে?

শামুকটা হাসল|

-এটা তোমার মাথার ভেতর|

তারপর সব অন্ধকার|

হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেল|

আমি আমার টিনের ঘরে|

ভোর হয়ে গেছে|

বালিশের নিচে কোনো শামুক নেই|

কোনো বিশ্ববিদ্যালয় নেই|

কোনো পাহাড় নেই|

শুধু একটা খাতা|

আমি খাতাটা খুললাম|

প্রথম পাতায় লেখা

খাতার লেখা নিজের জন্য| বইয়ের লেখা পৃথিবীর জন্য|”

আমি অনেকক্ষণ তাকিয়ে রইলাম|

তারপর লিখতে শুরু করলাম|

বাইরে সূর্য উঠছিল|

আর আমার মনে হচ্ছিল, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দারিদ্র্য অর্থের অভাব নয়| অলিখিত গল্পের অভাব|

কেননা যে গল্প লেখা হয়নি, সেটাই পৃথিবীর সবচেয়ে গরিব গল্প|


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত