সংবাদ

সাহিত্য

কামরুল হাসান-এর সেরা দশ কবিতা

কামরুল হাসান-এর সেরা দশ কবিতাট্রেনদৃশ্যের বাইরে আভূম অন্তর্বর্তী এক টানেল আঁধার।নিরন্তর রৌদ্রপাটে পুড়ে যায় চিল্কা হ্রদের পিঠহেসেখেলে উড়ে আসে বায়ুমুগ্ধ হাঁস,মানবিক ঐ কিছু জানলা খোলা থাকফের নির্মাণ আর পুণ্যস্নান হবে পূর্ণিমায়আমরা যে যার গন্তব্যে পৌঁছে যাব ঠিক।ন্যুব্জ সেতুর উপরে দেখ সে দাঁড়ায় টানটান,পথ চিনে নিতে তার ধুলোকবলিত চোখ জ্বলে ওঠেরশির উপরে সার্কাস রমণীর পা সফেদআর অটল বিশ্বাসের পদক্ষেপে পেরোয় উদ্বেগ।ট্রেনের বাইরে এক তুলকালাম পৃথিবীর বিলাপশ্রস্ত আয়োজনকথা বন্ধ থাক,এই ট্রেন আমরা চড়েছি যাতেএখন পেরুচ্ছে এক জলডোবা, নিস্ফলা প্রান্তর।অভাগা কৃপণ কূলেফোকর সেঁধিয়ে আলো গলে গেল, জাল ফেলেছিল সহিষ্ণু দুপুরেসূতার বর্গা হতে লালবুটি কাঁকড়ার আত্মঘাতী লাশ ঝুলে থাকেতাচ্ছিল্যের তরল ত্বরায় সহস্য খোলা ছিদ্রে লাফ দেয় জলসন্ধ্যার বন্ধ্যা শাপ, মাছেরা কাল পূর্ণাঙ্গ পূর্ণিমা খুঁটেছেসনির্বন্ধ ডেকে নিল অপয়া সমুদ্র তার নুনের বুননে?ফুরোয় পিদিমের তেল, ও অভাগা, এখনো দাঁড়িয়ে তুই কৃপণ কিনারে?যারে ফিরে, মাছ আর পাবি নে অবুঝ!সাঁঝের সফেদ সন্ত্রাস মেখে দাওয়ায় দণ্ডবৎ বসে জেলেবৌচেয়ে আছে নদীমুখো প্রান্তরে পাতাহীন মাছেরই চোখে,জ্যোৎস্না ঢেলে ফাৎনার চমক ঝিলিক চাঁদ গড়ে এলানো চুলেঅস্পষ্ট জলের দাগ শরীরে, ঘুমের ঝাপ্টা দুই কাঁটার মাস্তুলে।মাছের ঠিকানা ছেড়ে অস্থানে জাল ফেলে চলেছে পাগল,রাত বাড়ে, জল ছাপে, না মাছের ধীবর দেখা, ধীবরের মাছ।তোমার অকূল জলে ঈশ্বরতোমার অকূল জলে ঈশ্বর কি সাহসে ভাসে হাঁসপাই না ভেবে তার তলবালিকার চেলে দেয়া ঘুঁটির মতপ্রান্তরে দিয়েছ ঢেলে কিছু মেষ, যূথচারী ষাঁড়তারা কি প্রতিজ্ঞায় উঠে দাঁড়ায়, মুখ রাখে ঘাসে।উত্তর আকাশ থেকে ভয়ার্ত মেঘের দল হামাগুড়ি দিয়ে ফেরেদক্ষিণ আকাশেকী স্পর্ধায় হঠাৎ সে জলরাশি বৃষ্টির বর্শা তুলেধেয়ে আসে নিরস্ত্র ডাঙায়, নিম্নভূমির বাহু বিঁধে জলে।কী সাহসে বনঘুঘু রাখে তার পলকা পালক ঠাসা ডানাঅসীম শূন্যতায়—রাখে আর উড়ে যায় ছন্দোময় সুদূরের নীলে।কী নিয়মে বালিকা কিশোরী হয়, স্পর্ধিত বেড়ে হয় নারী।তোমার অভিশপ্ত এই দেশ পড়ে পড়ে মার খায়, জ্বরতপ্ত ধুঁকেকী সাহসে হঠাৎ গর্জে ওঠে, ছিঁড়েফুঁড়ে ফেলে শৃঙ্খলউল্টায় সনাতন সাজ, মসনদে বইয়ে দেয় নদী...বুঝি না ঈশ্বর!নগর দ্রৌপদীঝোপের আড়ালে দ্রুত সেরে নেয় প্রসাধনবিদায়ী আলোর ভোজে কী আহার্য এগুনো আঁধারেপায়ে পায়ে বেঁধে আনে তন্দ্রারহিত রাতঅভুক্ত দিনের গ্লানি পাঁজরে পঙক্তিময়,বিশীর্ণ শরীরে বিকীর্ণ স্তনফুল ঝুলে পড়েআসে ক্লান্ত তন্দ্রাজড়িত ভোর, ঘাসে ছড়ানো ডিভানে।পাখা ঝটপট দ্রুত নত হয় মোরগের সঙ্গমেঝোপে বা পৃথিবীর পতিত প্রান্তরে, আহত মাটির মতোবিস্বাদিত, বিলম্বে তার ঘৃণাসে এনেছে ভণিতা-বিহীন দেহ পৃথিবীর পণ্যের রীতি জেনেঅধিক বিপন্ন আর মানবিক তার ক্ষুধা।কাঁদাজলে পদচ্ছাপ বাঘের অন্ধকারে লুকানো অবয়বেসরীসৃপ হেঁটে যায় উচ্ছিষ্ট মিনারেকিংবা এক গিরগিটি গেল খুঁড়েসবুজের অধিক সবুজ ঋতুর ভেতরে লালজবাস্বেদে ও সম্ভবে বৃষ্টি আর কুয়াশার নিচেনিয়নের সতিনী সখ্য।যখন ঘুমায় পাপ, মরুসাপ নগরের প্রখ্যাত নারীরাপরাগ বিছানো অলৌকিক বেহেস্তের ঘরেজেগে থাকে ধ্রুপদসম্ভব জনপদের দ্রৌপদী!কিশোরীর ঘুমঘুমের ভেতরে ভুল হুলস্থূল স্টিমার ছেড়ে যায় ঘাটঅতীন্দ্রিয় নগরের কানে ভেঁপু বাজে, গল্পের সমান সাহসেমুঠোময় তুলে আনে কার ও পরাগ?সার বেধে, যেন সিঁড়ি বেযে, স্বপ্নেরা সিঁথি বেয়ে বেয়েআঙ্গুরের ভেতরে আঙ্গুলঘুমের ভেতর সাজনম্র ভাঁজ, সলাজ উদ্ভাসনখোসার ভেতরে খুব সন্তর্পণে এসে যায় ধান।কেউ কিছু পায়নি তো টের, বালিকাও ছিল তার ঘুমেখুব কাছে নদী ছিল অন্যমনস্ক স্রোত নিয়েছিল হাঁসের সাঁতারে ত্রস্ত চমকানো মাছ।আরেক জীবনে তার জেগে ওঠা, জঘনের বরফে ও তাপেদর্পণে দর্প কার? সতীনের মুখ দেখে জলে।আলো ও ঈশ্বরের দৌড়অন্তহীন মহাজাগতিক ব্যাস ঈশ্বরের ছায়া বিস্তারের হাত ধরে যাচ্ছে মানে আলোর দৌড়, পরিব্যাপ্ত চতুর্বিস্তার। চতুর্বিস্তার বলা মিতভাষণ, ৩৬০ ডিগ্রির প্রতিটি উলম্ফ বেয়েই একগুচ্ছ তীর মহাজাগতিক পরিধির দিকে সন্তরণমান, বস্তুত পরিধিবিহীন, ওরাই আলোহাঁস তীক্ষ্ণ শিঙঅলা মায়াবী হরিণ, ক্ষীপ্র ঝাঁপে নির্মাণ করেছে পরিধি; আর জলও নেই যে সাঁতার সম্ভব, বিস্তৃতির মধ্যে আপন সাঁতারের জল তৈরি হচ্ছে, দৌড়াবার সবুজ পাতাময় মাঠ; মানে শয়তান ও ঈশ্বরের পারস্পরিক ঈর্ষার জায়গা। ক্রমঃশুদ্ধশীল ফেরেশতাদের আলখাল্লা শুদ্ধতার অপার অহঙ্কারে স্ফীতমান আর বেহেশতের হুরদের লীলাস্রস্ত পোশাক-আশাক মহাজাগতিক জলে ভাসছে। বিস্ময়কর সে দৌড় এখনো থামেনি, কখন থামবে বলা অসম্ভব, কারণ থামলেই ঘড়ি অচল। বালুকণারও তুচ্ছ এই পৃথিবীর ভেতরে আমরা যে প্রতিশ্রুতিপূর্ণ অথচ অসভ্য সভ্যতা গড়ে তুলেছি তাও অচল। তবে আমাদের আত্মহননের উন্মাদনাও চাপা পড়ে যাবে। তখন কে খাবে ঐ আণবিক নৈশখাদ্য?তোমাদের শহর দেখতে যাবসন্ধ্যেবেলার ট্রেনে চড়ে আমি তোমাদের শহর দেখতে যাবএতটা দূর হতে চড়ব যাতে ভোর ফুট উঠতে না উঠতেই শিয়ালদহ,বাসিমুখ চড়ুইয়ের কোমলতা নিয়ে জেগে উঠে কলকাতা।আমার ভেতর আরেকটি কলকাতা আছেস্বপ্নের সঙ্গে কল্পনা জুড়ে একটা শহর তৈরি,শৈশব থেকে তোমাদের সব পথ-ঘাটের নাম আমার মুখস্থ।আমি হয়ত ভুলভাবে রেখেছি সবকিছু, হয়তো সরোবরের জায়গায় পার্ক,পার্কের জায়গায় ট্রামডিপো,হয়ত মানিকতলার খুব কাছাকাছি রেখেছি ধর্মতলাকে।কিন্তু এ শহরের সব লেন, সরু রাস্তা, পুরনো বাড়ি আমার খুব চেনা।আমার ভেতরে একটি শহর আছে, কৈশোরের আঁঠা দিয়ে সাঁটাস্বল্পালোকে খুব গাঢ় করে পড়া উপন্যাস থেকে বেরিয়ে আসা।আমি সেই শহর খুঁজতে যাব।সংযোজনা ও ভাঙচুরএ ফুলটি নিচ্ছি এখন অন্য ওটি থাক,এ দুটি বীজ বুনবো শুধুযত্ন-রৌদ্র, আত্তি-বৃষ্টি সবই পাবে এ দুটো বীজআরগুলো সব খরায় শুকোক বা বৃষ্টিতে উঠুক ঢাউস ফুলে।এ তিনটি জমি নিচ্ছি, সতর্কতার নিখুঁত বেড়ায় ঘিরবো শুধু তিনটি জমিপলির প্রতি প্রগাঢ়পাত, এখন আমি ঢেউ বিমুখ, জল ছোঁব নাসবুজ ভাল, এখন আমি সবুজ নিচ্ছি, নীল ছোঁব নাসমুদ্র এক নীলচোখা দানো, নীল আকাশের নীল ছেনালী ভাল্লাগে না।থাকব কখন কোন বিজনে এ কোলাহল থেকে অনেক দূরেঘর-গেরস্তে মন টানে না, এখন আমি বাড়ি-কুঠুরি বিমুখপাহাড় ভাল, পাহাড় নিচ্ছি, বিশেষ কেবল এ পাহাড়টাআরগুলো সব আকাশ ফুঁডুক কিংবা মিশুক নদীর বুকেআমি নিচ্ছি এ পাহাড়টা, বিশেষ কেবল এ পাহাড়টা...বিভ্রান্ত বালকও ঘুরেছেদু’জন বৌদ্ধনারী ভোরবেলা মিহিতন্তু রোদের বাকলেসুঠাম জড়িয়ে নিয়ে আরো তন্তু হাওয়ার শরীরেচিকন প্রখরাবতী কার্ভ নিয়ে সোমত্ত ঘুরেছেঅনিদ্র পোশাকের ভ্রমে লালচক্ষু কোমলাভ জ্বেলে—ভেতরে প্লুটোর আলো, অবশিষ্ট ঝুড়িতে রেখেছেব্যগ্র বাড়িয়ে দেয়া শিষ্ট গোলকে, র‌্যাডিয়ালঘড়ির দোলন, এরা কি প্রবর্তনা জুড়ে দেয়বহুদরী কস্তুরীর মত সুগন্ধে ভরপুর।প্যারাবোলা, ঐসব মৃতগন্ধী মগজ সারসএকবার উড়ে গেলে সহসা ফেরে না, বরঞ্চ দূরত্বআত্মায় বেঁধে পরাগের অতিথি পাখিরাঠোঁটে ঠোঁটে, এদের বাঁকানো ভঙ্গির নিচে পরাহত।উৎসুক বালকও বিভোর, বুদ্ধের ধ্যানমৌনপ্রস্তরের কাছে ওদের প্রার্থনার ভাষা অস্ফুট শুনেছেসেই থেকে পিছু, মুগ্ধতন্তু সেই থেকে ছোটেঅবাক নদীর দেহ নারীদের জ্যামিতিক ছকে।মনে হবে প্রলোভিত, মনে হবে ওদের বাহনআর যে অবাক তেজ তার দীপ্তি জেনেপ্যাগোডার খিলানের নিচে পিঠেপিঠি দুই বোন,সহসা ঘুরে বলে, ‘কেন এত পিছু পিছু ঘোরো’?টিয়ানাআমার এই শিশু বহুপথ ঘুরে আমার কাছে এসেছে। মায়ের কোলের কাছে একটা ছোট্ট ফুল হ’তে সে জাগল। সেটা স্বর্গোদ্যান বা কাছাকাছি কোথাও, অপ্সরীরা নিকটেই নাচছিল, তাদের ঘুঙুরের শব্দে মেয়ে আমার ফের ঘুমিয়ে পড়েছিল। ঈশ্বর হাসছিলেন অমায়িক, সমস্ত যাত্রার ভেতর তাঁর হাস্যময় ইশারাই তো আলোর এক নৌকা বানাল, যাতে চড়ে আমার মেয়ে মেঘের পালকে ভেসে এসে আড়াল হতে তার মাকে একবার উঁকি দিতেই ছুটে গিয়ে মা অস্থির বাহুপাশের ভেতর একটি স্বর্ণচাঁপাকে জড়িয়ে ধরল, তার স্বপ্নকেই আমূল বাহুবন্ধনে, মুখ তুলে দেখল স্বর্গপুষ্প ও দর্পণ।আমার এই শিশু বহুপথ ঘুরে আমার কাছে এসেছে কিংবা বহুপথ ঘুরে আমিই তার কাছে। মিরিকের পথে পাহাড় চুড়োয় সূর্য তার তেজ ছড়াচ্ছিল, স্বর্ণাভ সেই বিস্তারের ভেতর আমি এক ধরা-পাড়া শাবকের মতো রূপদর্শনের প্রভায় কাঁপতে লাগলাম, আমার আদিপুরুষ অন্তর হতে বলল, ঐ তো ঈশ্বর, সূর্যপূজারীর মতো আমি এক টুকরো রোদ চাইলাম দেবতার পায়ে, আমার ভেতরে তাপ সৃষ্টির জন্য একখণ্ড স্বর্গ।জঙ্গলের ভেতর দেখেছিলাম এক ভীত-চকিত হরিণ। চঞ্চল পায়ে অযুত দৌড়ের চিহ্ন, তার ধাঁধানো চক্কর অরণ্যের ভেতর জ্বালিয়ে দিচ্ছিল অসম্ভব আগুন, ঈশ্বরীর নীল অগ্নির চেয়েও দ্যুতিময়, আর তার চোখের ভেতর নুয়ে ছিল মায়া নদী, বাঁকানো ভীরুতার স্বপ্নলব্ধ ঠোঁট। বুঝি আমার মেয়ে ঐ রৌদ্রকণা, ঐ চকিত হরিণ। বহুপথ ঘুরে পিতৃ-প্রান্তরের কাছে, মাতা-বৃক্ষের নিচে। কবি পরিচিতিজন্ম :  ২২ ডিসেম্বর, ১৯৬১, শরিয়তপুর।  শিক্ষা : আইআইটি খড়গপুর  থেকে প্রকৌশলবিদ্যায় স্নাতক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে এমবিএ। ব্রিটেনের ব্রাডফোর্ড ও এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে স্নাতকোত্তর প্রশিক্ষণ। পেশা: বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা। সহকারি অধ্যাপক, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ। ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি।পুরস্কার : অরণি সাহিত্য পুরস্কার (২০২৩), কাশবন সাহিত্য পুরস্কার (২০২৪), সার্ক সাহিত্য পুরস্কার (২০২৫)সম্মাননা : হংসধ্বজ ধাড়া স্মৃতি সম্মাননা (২০২২), কবি পবিত্র মৃখোপাধ্যায় স্মৃতি সম্মান (২০২৩)প্রকাশিত গ্রন্থ:কবিতাসহস্র কোকিলের গ্রীবা  (১৯৯১), প্রান্তসীমা অনন্তদূর  (১৯৯২), ছুঁলে বিদ্যুল্লতা, না ছুঁলে পাথর (১৯৯৩), পাখি নই আশ্চর্য মানুষ  (১৯৯৪), দশদিকে উৎসব (১৯৯৭), বৃক্ষদের শোভা দেখে যাব (২০০০), রূপচৈত্রের অরণ্যটিলায় (২০০৪), পৃথিবীর প্রতিচ্ছবি আমার গ্রামে (২০০৭), ঈশ্বরের নিজ গ্রহ (২০০৯), ঘুমপ্রহরের মোমকুহক (২০১০), নির্বাচিত কবিতা (২০১২), খিলানের নিচে আলো (২০১৪), সহস্র চরণের ধ্বনি (২০১৬), বাছাই ১০০ কবিতা (২০১৮), ঘুমাতে যাবার আগের কবিতা (২০২৩), তোমার অকূল জলে ঈশ্বর (২০২৪) ছোটগল্পমধ্যবিত্ত বারান্দা ও অন্যান্য গল্প (২০০৫)প্রবন্ধপ্রহরের প্রস্তাবনা (২০১৫), কবিতার মায়াহরিণ কবির মঙ্গলযাত্রা (২০২২)মুক্তগদ্যএই নগরীর যত সাহিত্যবাসর (২০২৪), ব্রেকফাস্ট আড্ডা (ে২০২৪)ভ্রমণবিলেতের দিনলিপি (২০১৭), আমির তিমুরের দেশে (২০১৮), মহাদেশের মতো এক দেশে (২০১৯), সিমলা মানালির পথে (২০২০), হায়দ্রাবাদের যাত্রী (২০২১), দেখা হইল চক্ষু মেলিয়া (২০২৫) ছড়ানাতির জন্য ছড়া (২০২৪)অনুবাদPoems of Mujib Erom (2014), The Blind God by Tithi Afroz (2020), Selected Poems of Parveen Shahnaz (2022), Selected Poems- Kamrul Hassan (2022)সম্পাদনাPostmodern Bangla Poetry 2003 (with Tushar Gayen and Samir Roychoudhury) 

কামরুল হাসান-এর সেরা দশ কবিতা