সংবাদ

দুমকিতে ৪৪ স্কুলে প্রধান শিক্ষক নেই, ব্যাহত পাঠদান


প্রতিনিধি, দুমকি (পটুয়াখালী)
প্রতিনিধি, দুমকি (পটুয়াখালী)
প্রকাশ: ৮ জুলাই ২০২৬, ১০:৩০ এএম

দুমকিতে ৪৪ স্কুলে প্রধান শিক্ষক নেই, ব্যাহত পাঠদান
প্রধান শিক্ষকের অভাবে ব্যাহত হচ্ছে শিশুদের নিয়মিত পাঠদান। ছবি : সংবাদ

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার ৬১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৪৪টিতেই দীর্ঘ দিন ধরে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এতে বিদ্যালয়গুলোর প্রশাসনিক কাজ ও নিয়মিত পাঠদান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সাল থেকে উপজেলার ৬১টি বিদ্যালয়ের মধ্যে মাত্র ১৭টিতে স্থায়ী প্রধান শিক্ষক রয়েছেন। বাকি বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ১৯টিতে ভারপ্রাপ্ত এবং ২৫টিতে ‘চলতি দায়িত্বে’ প্রধান শিক্ষক দিয়ে কাজ চালানো হচ্ছে। ভারপ্রাপ্ত ও চলতি দায়িত্বে থাকা শিক্ষকরা মূলত সহকারী শিক্ষক। আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে দীর্ঘ দিন ধরে পদগুলোতে স্থায়ী নিয়োগ বা পদোন্নতি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বাদুয়া শ্রীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মেহেরুন নেছা জানান, দাপ্তরিক ও প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত থাকতে হয় বলে নিয়মিত পাঠদান করা কঠিন হয়ে পড়ে। এতে শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

একই সংকটের কথা জানান দুমকি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চলতি দায়িত্বে থাকা প্রধান শিক্ষক মো. মনিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, “সহকারী শিক্ষক হয়ে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করায় অনেক ক্ষেত্রে সহকর্মীদের যথাযথ সহযোগিতা পাওয়া যায় না। আবার আমরা প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত থাকায় শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক সংকট আরও প্রকট হয়।”

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সুনিল চন্দ্র দেবনাথ বলেন, “আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকায় শূন্য পদগুলোতে নিয়োগ বা পদায়ন করা যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে সহকারী শিক্ষকদের দিয়ে কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। আমরা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। আশা করছি দ্রুত এর সমাধান হবে।”

/

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬


দুমকিতে ৪৪ স্কুলে প্রধান শিক্ষক নেই, ব্যাহত পাঠদান

প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬

featured Image

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার ৬১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৪৪টিতেই দীর্ঘ দিন ধরে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এতে বিদ্যালয়গুলোর প্রশাসনিক কাজ ও নিয়মিত পাঠদান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সাল থেকে উপজেলার ৬১টি বিদ্যালয়ের মধ্যে মাত্র ১৭টিতে স্থায়ী প্রধান শিক্ষক রয়েছেন। বাকি বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ১৯টিতে ভারপ্রাপ্ত এবং ২৫টিতে ‘চলতি দায়িত্বে’ প্রধান শিক্ষক দিয়ে কাজ চালানো হচ্ছে। ভারপ্রাপ্ত ও চলতি দায়িত্বে থাকা শিক্ষকরা মূলত সহকারী শিক্ষক। আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে দীর্ঘ দিন ধরে পদগুলোতে স্থায়ী নিয়োগ বা পদোন্নতি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বাদুয়া শ্রীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মেহেরুন নেছা জানান, দাপ্তরিক ও প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত থাকতে হয় বলে নিয়মিত পাঠদান করা কঠিন হয়ে পড়ে। এতে শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

একই সংকটের কথা জানান দুমকি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চলতি দায়িত্বে থাকা প্রধান শিক্ষক মো. মনিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, “সহকারী শিক্ষক হয়ে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করায় অনেক ক্ষেত্রে সহকর্মীদের যথাযথ সহযোগিতা পাওয়া যায় না। আবার আমরা প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত থাকায় শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক সংকট আরও প্রকট হয়।”

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সুনিল চন্দ্র দেবনাথ বলেন, “আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকায় শূন্য পদগুলোতে নিয়োগ বা পদায়ন করা যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে সহকারী শিক্ষকদের দিয়ে কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। আমরা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। আশা করছি দ্রুত এর সমাধান হবে।”

/


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত