প্রথমবারের মতো বিশ্ববিদ্যালয় পেতে যাচ্ছে বগুড়া। জাতীয় সংসদে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল, ২০২৬’ উপস্থাপন করা হয়েছে। বিল পাস হলে সেখানে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবে সরকার।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিলটি উত্থাপন করলে তা পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।
এর আগে ২০০১ সালে বগুড়ায় একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। ওই বছরের ১৫ জুলাই বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন গেজেট আকারে প্রকাশিত হলেও তা কার্যকর করা হয়নি।
শিক্ষামন্ত্রী বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলেন, বর্তমানে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রম চালুর প্রক্রিয়া চলছে।
আওয়ামী লীগ সরকারের দেড় দশকে দেশের বিভিন্ন জেলায় একের পর এক বিশ্ববিদ্যালয় হলেও বগুড়ায় কোনো বিশ্ববিদ্যালয় হয়নি। প্রায় দুই দশক পর বিএনপি সরকার আবার ক্ষমতায় এলে এবার সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় করার কার্যক্রম ফের শুরু হয়।
এবার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বদলে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রস্তাব করা হয়েছে বিলে। ‘বাস্তবতার নিরিখেই’ এমন উদ্যোগ বলে বিলে তুলে ধরা হয়েছে।
বিলের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, প্রকৌশল, কারিগরি, কলা, সামাজিক বিজ্ঞান, ব্যবসা প্রশাসন, আইন, কৃষি ও চিকিৎসা বিজ্ঞানসহ জ্ঞান-বিজ্ঞানের নতুন নতুন ক্ষেত্রে শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি, জ্ঞানচর্চা এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্যে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির পরিপ্রেক্ষিতে এই আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বিলে তুলে ধরা হয়। নতুন বিল পাস হলে ২০০১ সালের বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন রহিত হবে।

মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
প্রথমবারের মতো বিশ্ববিদ্যালয় পেতে যাচ্ছে বগুড়া। জাতীয় সংসদে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল, ২০২৬’ উপস্থাপন করা হয়েছে। বিল পাস হলে সেখানে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবে সরকার।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিলটি উত্থাপন করলে তা পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।
এর আগে ২০০১ সালে বগুড়ায় একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। ওই বছরের ১৫ জুলাই বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন গেজেট আকারে প্রকাশিত হলেও তা কার্যকর করা হয়নি।
শিক্ষামন্ত্রী বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলেন, বর্তমানে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রম চালুর প্রক্রিয়া চলছে।
আওয়ামী লীগ সরকারের দেড় দশকে দেশের বিভিন্ন জেলায় একের পর এক বিশ্ববিদ্যালয় হলেও বগুড়ায় কোনো বিশ্ববিদ্যালয় হয়নি। প্রায় দুই দশক পর বিএনপি সরকার আবার ক্ষমতায় এলে এবার সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় করার কার্যক্রম ফের শুরু হয়।
এবার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বদলে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রস্তাব করা হয়েছে বিলে। ‘বাস্তবতার নিরিখেই’ এমন উদ্যোগ বলে বিলে তুলে ধরা হয়েছে।
বিলের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, প্রকৌশল, কারিগরি, কলা, সামাজিক বিজ্ঞান, ব্যবসা প্রশাসন, আইন, কৃষি ও চিকিৎসা বিজ্ঞানসহ জ্ঞান-বিজ্ঞানের নতুন নতুন ক্ষেত্রে শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি, জ্ঞানচর্চা এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্যে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির পরিপ্রেক্ষিতে এই আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বিলে তুলে ধরা হয়। নতুন বিল পাস হলে ২০০১ সালের বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন রহিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন