চট্টগ্রাম নগরে রেললাইন থেকে পানি না সরায় পর্যটক এক্সপ্রেসের পর এবার কক্সবাজার এক্সপ্রেসের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত ১১টায় কক্সবাজারের উদ্দেশে ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশন ছেড়েছিল ট্রেনটি। বুধবার (৮ জুলাই) ভোরে চট্টগ্রাম স্টেশনে এসে পৌঁছালেও চট্টগ্রাম নগরের সুন্নিয়া মাদ্রাসা এলাকায় রেললাইনের ওপর পানি থাকায় আর কক্সবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে যেতে পারেনি।
চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত কক্সবাজার এক্সপ্রেসের যাত্রা বাতিল করে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। এর আগে গতকাল রাতে একই পথে বাতিল করা হয় পর্যটক এক্সপ্রেসের যাত্রা।
রেলওয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) আনিসুর রহমান জানান, চট্টগ্রাম নগরের ষোলশহর-জানালিহাট সেকশনের মধ্যবর্তী একটি জায়গার রেললাইন প্রায় দুই ফুট পানিতে ডুবে আছে। পানি না কমায় কক্সবাজারের উদ্দেশে ট্রেন ছাড়া সম্ভব হয়নি। ট্রেনটি বিকেল চারটায় আবার চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।
আটকে পড়া যাত্রীরা টিকিটের টাকা ফেরত নিতে পারবেন বলে জানিয়েছে রেলওয়ে। তারা চট্টগ্রাম স্টেশনের কাউন্টার থেকে টাকা ফেরত নিতে পারবেন। যাত্রীদের মধ্যে যাঁরা ঢাকায় ফিরতে চান, তাঁরা একই টিকিট দিয়ে বিকেল চারটায় কক্সবাজার এক্সপ্রেসে করে যেতে পারবেন।
মঙ্গলবার রাতে পর্যটক এক্সপ্রেসের চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের যাত্রা বাতিল করা হয়। বুধবার সকালে ট্রেনটি চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে গেছে।
ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে মঙ্গলবার সকাল সোয়া ছয়টায় যাত্রা শুরু করেছিল পর্যটক এক্সপ্রেস। দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে ট্রেনটি চট্টগ্রামের ষোলশহর স্টেশন অতিক্রম করে। এরপর সুন্নিয়া মাদ্রাসা এলাকায় গিয়ে থেমে যায়। সামনের রেললাইন পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় ট্রেনটিকে আবার ষোলশহর স্টেশনে ফিরিয়ে আনা হয়।
একই কারণে চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটে চলাচলকারী তিনটি ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- পর্যটক এক্সপ্রেস, কক্সবাজার এক্সপ্রেস এবং প্রবাল এক্সপ্রেস।
চট্টগ্রাম স্টেশন থেকে মঙ্গলবার বেলা সোয়া তিনটায় কক্সবাজারগামী প্রবাল এক্সপ্রেস এবং কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামগামী রাতের সৈকত এক্সপ্রেসের যাত্রাও বাতিল করা হয়।
আকস্মিক প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সৃষ্ট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে রেলযাত্রায় বিঘ্ন ঘটায় যাত্রীদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে রেলওয়ে।

বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬
চট্টগ্রাম নগরে রেললাইন থেকে পানি না সরায় পর্যটক এক্সপ্রেসের পর এবার কক্সবাজার এক্সপ্রেসের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত ১১টায় কক্সবাজারের উদ্দেশে ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশন ছেড়েছিল ট্রেনটি। বুধবার (৮ জুলাই) ভোরে চট্টগ্রাম স্টেশনে এসে পৌঁছালেও চট্টগ্রাম নগরের সুন্নিয়া মাদ্রাসা এলাকায় রেললাইনের ওপর পানি থাকায় আর কক্সবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে যেতে পারেনি।
চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত কক্সবাজার এক্সপ্রেসের যাত্রা বাতিল করে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। এর আগে গতকাল রাতে একই পথে বাতিল করা হয় পর্যটক এক্সপ্রেসের যাত্রা।
রেলওয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) আনিসুর রহমান জানান, চট্টগ্রাম নগরের ষোলশহর-জানালিহাট সেকশনের মধ্যবর্তী একটি জায়গার রেললাইন প্রায় দুই ফুট পানিতে ডুবে আছে। পানি না কমায় কক্সবাজারের উদ্দেশে ট্রেন ছাড়া সম্ভব হয়নি। ট্রেনটি বিকেল চারটায় আবার চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।
আটকে পড়া যাত্রীরা টিকিটের টাকা ফেরত নিতে পারবেন বলে জানিয়েছে রেলওয়ে। তারা চট্টগ্রাম স্টেশনের কাউন্টার থেকে টাকা ফেরত নিতে পারবেন। যাত্রীদের মধ্যে যাঁরা ঢাকায় ফিরতে চান, তাঁরা একই টিকিট দিয়ে বিকেল চারটায় কক্সবাজার এক্সপ্রেসে করে যেতে পারবেন।
মঙ্গলবার রাতে পর্যটক এক্সপ্রেসের চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের যাত্রা বাতিল করা হয়। বুধবার সকালে ট্রেনটি চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে গেছে।
ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে মঙ্গলবার সকাল সোয়া ছয়টায় যাত্রা শুরু করেছিল পর্যটক এক্সপ্রেস। দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে ট্রেনটি চট্টগ্রামের ষোলশহর স্টেশন অতিক্রম করে। এরপর সুন্নিয়া মাদ্রাসা এলাকায় গিয়ে থেমে যায়। সামনের রেললাইন পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় ট্রেনটিকে আবার ষোলশহর স্টেশনে ফিরিয়ে আনা হয়।
একই কারণে চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটে চলাচলকারী তিনটি ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- পর্যটক এক্সপ্রেস, কক্সবাজার এক্সপ্রেস এবং প্রবাল এক্সপ্রেস।
চট্টগ্রাম স্টেশন থেকে মঙ্গলবার বেলা সোয়া তিনটায় কক্সবাজারগামী প্রবাল এক্সপ্রেস এবং কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামগামী রাতের সৈকত এক্সপ্রেসের যাত্রাও বাতিল করা হয়।
আকস্মিক প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সৃষ্ট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে রেলযাত্রায় বিঘ্ন ঘটায় যাত্রীদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে রেলওয়ে।

আপনার মতামত লিখুন