সংবাদ

ইরানের ইউরেনিয়াম দখলের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের


প্রকাশ: ৯ মার্চ ২০২৬, ০৩:৫১ পিএম

ইরানের ইউরেনিয়াম দখলের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের

ইরানের উচ্চ মাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত দখল করতে দেশটিতে বিশেষ বাহিনী পাঠানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। ট্রাম্পের যুদ্ধকালীন অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা। বর্তমানে ইরানের কাছে ৪৫০ কেজি ‘৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ’ ইউরেনিয়াম রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই বিশাল মজুত নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়া মার্কিন প্রেসিডেন্টের লক্ষ্য অর্জনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে। ইরানের উচ্চ মাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত দখল করতে বিশেষ অভিযানটি যুদ্ধের ‘পরবর্তী ধাপে’ পরিচালিত হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যখন নিশ্চিত হবে যে ইরানের সামরিক বাহিনী আর জোরালো কোনো প্রতিরোধ গড়ে তোলার অবস্থায় নেই, তখনই এই কমান্ডো অভিযান চালানো হতে পারে।

গত বছরের জুন মাসে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা ও অবকাঠামোতে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল একযোগে হামলা চালিয়েছিল। সেই হামলার পর দেশটির ইউরেনিয়াম মজুতের বর্তমান অবস্থা ঠিক কী? তা এখনও অস্পষ্ট। এদিকে আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) জানিয়েছে, বোমা হামলার শিকার হওয়া ওই সাইটগুলোতে ইরান তাদের পরিদর্শকদের প্রবেশের অনুমতি দেয়নি।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


ইরানের ইউরেনিয়াম দখলের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের

প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬

featured Image

ইরানের উচ্চ মাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত দখল করতে দেশটিতে বিশেষ বাহিনী পাঠানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। ট্রাম্পের যুদ্ধকালীন অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা। বর্তমানে ইরানের কাছে ৪৫০ কেজি ‘৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ’ ইউরেনিয়াম রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই বিশাল মজুত নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়া মার্কিন প্রেসিডেন্টের লক্ষ্য অর্জনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে। ইরানের উচ্চ মাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত দখল করতে বিশেষ অভিযানটি যুদ্ধের ‘পরবর্তী ধাপে’ পরিচালিত হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যখন নিশ্চিত হবে যে ইরানের সামরিক বাহিনী আর জোরালো কোনো প্রতিরোধ গড়ে তোলার অবস্থায় নেই, তখনই এই কমান্ডো অভিযান চালানো হতে পারে।

গত বছরের জুন মাসে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা ও অবকাঠামোতে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল একযোগে হামলা চালিয়েছিল। সেই হামলার পর দেশটির ইউরেনিয়াম মজুতের বর্তমান অবস্থা ঠিক কী? তা এখনও অস্পষ্ট। এদিকে আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) জানিয়েছে, বোমা হামলার শিকার হওয়া ওই সাইটগুলোতে ইরান তাদের পরিদর্শকদের প্রবেশের অনুমতি দেয়নি।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত