সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার কোনো সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
তিনি জানান, বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য হলো রাজস্ব বৃদ্ধি করা এবং বেদখল হওয়া সরকারি জমি পুনরুদ্ধার করা। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে চা-বাগান ব্যবস্থাপনা এবং ‘গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প-৩’ সম্পর্কিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় আমরা চাই দেশের এক ইঞ্চি জমিও যাতে বেহাত না হয়। এখন থেকে সরকারি জমিতে অবৈধ দখলদারদের আর কোনো ছাড় বা সুযোগ দেওয়া হবে না। সরকারি জমি জবরদখলে রেখে রাজস্ব না দেওয়ার সংস্কৃতি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।
চা-বাগান ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী জানান, সারাদেশে ১৬৬টি চা-বাগানের মোট ২ লাখ ৮২ হাজার ৩৪৬ একর জমির মধ্যে চাষযোগ্য, অনুপযোগী এবং ব্যবহৃত ও অব্যবহৃত জমির সঠিক তথ্য দ্রুত প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যেসব চা-বাগান থেকে বিগত ১৩ বছর সরকার কোনো রাজস্ব পায়নি, তার কারণ খতিয়ে দেখার জন্য কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। এছাড়া যেসব প্রতিষ্ঠান অবৈধভাবে দীর্ঘকাল পাওনা পরিশোধ করেনি, তাদের দ্রুত চিহ্নিত করে রাজস্ব আদায়ের ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
সভায় ‘গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প-৩’-এর অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রায় ৭৬৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০ হাজার ভূমিহীন পরিবারকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে এই প্রকল্পটি খুব শীঘ্রই একনেক (ইসিএনইসি) সভায় উপস্থাপন করা হবে।
সমতল, উপকূলীয় ও পার্বত্য অঞ্চলের ভৌগোলিক বৈচিত্র্য বিবেচনা করে পৃথক পৃথক মডেলে ঘর নির্মাণ করা হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় যাতে প্রকৃত সুবিধাভোগীরা কোনোভাবেই বঞ্চিত না হন, সে বিষয়ে কর্মকর্তাদের বিশেষ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
সভায় হবিগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আবুল হাসেম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে জেলার চা-বাগানগুলোর তথ্য তুলে ধরেন। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. এমদাদুল হক চৌধুরী, যুগ্মসচিব জহিরুল ইসলাম এবং প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব মো. আশ্রাফুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার কোনো সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
তিনি জানান, বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য হলো রাজস্ব বৃদ্ধি করা এবং বেদখল হওয়া সরকারি জমি পুনরুদ্ধার করা। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে চা-বাগান ব্যবস্থাপনা এবং ‘গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প-৩’ সম্পর্কিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় আমরা চাই দেশের এক ইঞ্চি জমিও যাতে বেহাত না হয়। এখন থেকে সরকারি জমিতে অবৈধ দখলদারদের আর কোনো ছাড় বা সুযোগ দেওয়া হবে না। সরকারি জমি জবরদখলে রেখে রাজস্ব না দেওয়ার সংস্কৃতি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।
চা-বাগান ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী জানান, সারাদেশে ১৬৬টি চা-বাগানের মোট ২ লাখ ৮২ হাজার ৩৪৬ একর জমির মধ্যে চাষযোগ্য, অনুপযোগী এবং ব্যবহৃত ও অব্যবহৃত জমির সঠিক তথ্য দ্রুত প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যেসব চা-বাগান থেকে বিগত ১৩ বছর সরকার কোনো রাজস্ব পায়নি, তার কারণ খতিয়ে দেখার জন্য কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। এছাড়া যেসব প্রতিষ্ঠান অবৈধভাবে দীর্ঘকাল পাওনা পরিশোধ করেনি, তাদের দ্রুত চিহ্নিত করে রাজস্ব আদায়ের ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
সভায় ‘গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প-৩’-এর অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রায় ৭৬৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০ হাজার ভূমিহীন পরিবারকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে এই প্রকল্পটি খুব শীঘ্রই একনেক (ইসিএনইসি) সভায় উপস্থাপন করা হবে।
সমতল, উপকূলীয় ও পার্বত্য অঞ্চলের ভৌগোলিক বৈচিত্র্য বিবেচনা করে পৃথক পৃথক মডেলে ঘর নির্মাণ করা হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় যাতে প্রকৃত সুবিধাভোগীরা কোনোভাবেই বঞ্চিত না হন, সে বিষয়ে কর্মকর্তাদের বিশেষ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
সভায় হবিগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আবুল হাসেম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে জেলার চা-বাগানগুলোর তথ্য তুলে ধরেন। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. এমদাদুল হক চৌধুরী, যুগ্মসচিব জহিরুল ইসলাম এবং প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব মো. আশ্রাফুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন