সংবাদ

পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফার ভোটে রেকর্ড অংশগ্রহণের মাঝে বিতর্ক


প্রতিনিধি, কলকাতা
প্রতিনিধি, কলকাতা
প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০৫ পিএম

পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফার ভোটে রেকর্ড অংশগ্রহণের মাঝে বিতর্ক
পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফার ভোটে রেকর্ড অংশগ্রহণের মাঝে বিতর্ক। ছবি: বিবিসি।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ রাজ্যের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বাস্তবতার এক জটিল কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ প্রতিচ্ছবি দেখা যাচ্ছে। একদিকে নজিরবিহীন ভোটদানের হার, অন্যদিকে বিচ্ছিন্ন অশান্তি, অভিযোগ এবং নির্বাচন প্রক্রিয়া ঘিরে বিতর্ক- সব মিলিয়ে দিনের সামগ্রিক চিত্রে স্পষ্ট হয়েছে এক “মিশ্র বাস্তবতা”।

নির্বাচন কমিশন প্রথম দফার ভোটগ্রহণে সন্তোষ প্রকাশ করেছে। ভোটের দিন পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার সরাসরি যোগাযোগ করেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগারওয়ালের সঙ্গে। একাধিকবার হওয়া এই ফোনালাপে ভোটের হার, নিরাপত্তা ও বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, অধিকাংশ বুথে ভোট শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয়েছে। যদিও কিছু বিচ্ছিন্ন গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে।

মোট প্রায় ৪৫ হাজার বুথের মধ্যে ১৫–২০টি ক্ষেত্রে গুরুতর সমস্যা দেখা দেয়, যা দ্রুত সমাধান করা হয়েছে বলে প্রশাসনের দাবি।  পাশাপাশি, একাধিক ভুয়ো অভিযোগ জমা পড়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে কমিশন আরও সতর্ক অবস্থান নেয়।

জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের উদ্দেশে জারি করা নির্দেশিকায় জানানো হয়, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে শুধু বুথের ভিতরে বা নির্দিষ্ট সীমায় সীমাবদ্ধ না রেখে প্রয়োজনে বাইরে গিয়েও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে, যাতে ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

নিরাপত্তা ব্যবস্থার দিক থেকে এবারের ভোট ছিল নজিরবিহীন। মোট ৪৪,৩৭৬টি বুথের মধ্যে প্রায় ১৫ হাজার বুথকে স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এই বুথগুলিতে অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন, ওয়েবকাস্টিং এবং ড্রোন নজরদারি চালু রাখা হয়। প্রশাসনের দাবি, এই কৌশলের ফলেই বড় ধরনের অশান্তি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

তবে মাঠের বাস্তবতায় কিছু বিতর্কিত ঘটনা সামনে আসে। শিলিগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে বুথের ভিতরে এক পুলিশকর্মীর উপস্থিতি ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। অভিযোগ ওঠে, ২১ ও ২২ নম্বর বুথে ওই পুলিশকর্মীকে দেখা যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিজেপি প্রার্থী শঙ্কর ঘোষ ওই পুলিশকর্মীকে বুথের বাইরে যেতে বলেন এবং বিষয়টি কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরে আনা হয়। যদিও এই ঘটনায় সাময়িক উত্তেজনা তৈরি হলেও দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরে ভোটের আগের রাতে রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। বিজেপি সমর্থকদের হুমকি ও মারধরের অভিযোগ ওঠে তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে। পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুললে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে এবং কয়েকজন আহত হন বলে দাবি করা হয়। যদিও এই অভিযোগের নিরপেক্ষ যাচাই নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে।

ভোটারের লাইন

উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়া বিধানসভা কেন্দ্রেও গুরুতর অভিযোগ সামনে আসে। একটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কিছু সদস্য ভোটারকে নির্দিষ্ট দলকে ভোট দিতে চাপ দিয়েছেন এবং প্রতিবাদ করলে মারধর করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে। এই ধরনের অভিযোগ নির্বাচন ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তোলে, যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

এবারের ভোটের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হল রেকর্ড ভোটদানের হার। বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৮৯.৯৩ শতাংশ। সর্বশেষ যে ভোটের হিসাব পাওয়া যাচ্ছে তাতে বলা হচ্ছে ৯২ শতাংশ ভোট পড়েছে। যা ইতিমধ্যেই ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন (৮৩.২%) এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন (৭৯.৮%)-এর হারকে ছাপিয়ে গেছে।  শমসেরগঞ্জে সর্বোচ্চ ৯৫.৩৪ শতাংশ ভোট পড়েছে, ভগবানগোলা ৯৫.৩১ শতাংশ নিয়ে খুব কাছাকাছি রয়েছে। নন্দীগ্রাম (৯০.০৩%) এবং বহরমপুর (৮৯.৬০%)-এও উচ্চ অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে।

নন্দীগ্রাম কেন্দ্র আবারও বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। সকাল থেকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট শুরু হলেও দিনের শেষে ফের উত্তেজনা তৈরি হয়। তৃণমূল নেতা রাখহরি ঘড়ার ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে, যদিও বিজেপি এই অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা দাবি করেছে এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এর আগে দিনভর কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ হলেও শেষ মুহূর্তের এই ঘটনা নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

কড়া নিরাপত্তা

সব মিলিয়ে প্রথম দফার ভোটে একটি দ্বিমুখী চিত্র স্পষ্ট হয়েছে। একদিকে গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণের রেকর্ড, অন্যদিকে বিচ্ছিন্ন অশান্তি ও অভিযোগের উপস্থিতি। প্রশাসনের দাবি, অধিকাংশ জায়গায় ভোট নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ছিল। তবে যে অভিযোগগুলি সামনে এসেছে, তা পরবর্তী দফাগুলির জন্য প্রশাসনের সামনে আরও বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

এখন নজর দ্বিতীয় দফার ভোটের দিকে। প্রথম দফার অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে নিরাপত্তা ও নজরদারি আরও জোরদার করা হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। একইসঙ্গে প্রশ্ন থাকছে- উচ্চ ভোটদানের এই প্রবণতা বজায় থাকবে কি না এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার উপর মানুষের আস্থা একইভাবে অটুট থাকবে কি না।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬


পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফার ভোটে রেকর্ড অংশগ্রহণের মাঝে বিতর্ক

প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ রাজ্যের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বাস্তবতার এক জটিল কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ প্রতিচ্ছবি দেখা যাচ্ছে। একদিকে নজিরবিহীন ভোটদানের হার, অন্যদিকে বিচ্ছিন্ন অশান্তি, অভিযোগ এবং নির্বাচন প্রক্রিয়া ঘিরে বিতর্ক- সব মিলিয়ে দিনের সামগ্রিক চিত্রে স্পষ্ট হয়েছে এক “মিশ্র বাস্তবতা”।

নির্বাচন কমিশন প্রথম দফার ভোটগ্রহণে সন্তোষ প্রকাশ করেছে। ভোটের দিন পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার সরাসরি যোগাযোগ করেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগারওয়ালের সঙ্গে। একাধিকবার হওয়া এই ফোনালাপে ভোটের হার, নিরাপত্তা ও বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, অধিকাংশ বুথে ভোট শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয়েছে। যদিও কিছু বিচ্ছিন্ন গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে।

মোট প্রায় ৪৫ হাজার বুথের মধ্যে ১৫–২০টি ক্ষেত্রে গুরুতর সমস্যা দেখা দেয়, যা দ্রুত সমাধান করা হয়েছে বলে প্রশাসনের দাবি।  পাশাপাশি, একাধিক ভুয়ো অভিযোগ জমা পড়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে কমিশন আরও সতর্ক অবস্থান নেয়।

জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের উদ্দেশে জারি করা নির্দেশিকায় জানানো হয়, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে শুধু বুথের ভিতরে বা নির্দিষ্ট সীমায় সীমাবদ্ধ না রেখে প্রয়োজনে বাইরে গিয়েও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে, যাতে ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

নিরাপত্তা ব্যবস্থার দিক থেকে এবারের ভোট ছিল নজিরবিহীন। মোট ৪৪,৩৭৬টি বুথের মধ্যে প্রায় ১৫ হাজার বুথকে স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এই বুথগুলিতে অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন, ওয়েবকাস্টিং এবং ড্রোন নজরদারি চালু রাখা হয়। প্রশাসনের দাবি, এই কৌশলের ফলেই বড় ধরনের অশান্তি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

তবে মাঠের বাস্তবতায় কিছু বিতর্কিত ঘটনা সামনে আসে। শিলিগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে বুথের ভিতরে এক পুলিশকর্মীর উপস্থিতি ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। অভিযোগ ওঠে, ২১ ও ২২ নম্বর বুথে ওই পুলিশকর্মীকে দেখা যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিজেপি প্রার্থী শঙ্কর ঘোষ ওই পুলিশকর্মীকে বুথের বাইরে যেতে বলেন এবং বিষয়টি কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরে আনা হয়। যদিও এই ঘটনায় সাময়িক উত্তেজনা তৈরি হলেও দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরে ভোটের আগের রাতে রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। বিজেপি সমর্থকদের হুমকি ও মারধরের অভিযোগ ওঠে তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে। পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুললে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে এবং কয়েকজন আহত হন বলে দাবি করা হয়। যদিও এই অভিযোগের নিরপেক্ষ যাচাই নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে।

ভোটারের লাইন

উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়া বিধানসভা কেন্দ্রেও গুরুতর অভিযোগ সামনে আসে। একটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কিছু সদস্য ভোটারকে নির্দিষ্ট দলকে ভোট দিতে চাপ দিয়েছেন এবং প্রতিবাদ করলে মারধর করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে। এই ধরনের অভিযোগ নির্বাচন ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তোলে, যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

এবারের ভোটের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হল রেকর্ড ভোটদানের হার। বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৮৯.৯৩ শতাংশ। সর্বশেষ যে ভোটের হিসাব পাওয়া যাচ্ছে তাতে বলা হচ্ছে ৯২ শতাংশ ভোট পড়েছে। যা ইতিমধ্যেই ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন (৮৩.২%) এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন (৭৯.৮%)-এর হারকে ছাপিয়ে গেছে।  শমসেরগঞ্জে সর্বোচ্চ ৯৫.৩৪ শতাংশ ভোট পড়েছে, ভগবানগোলা ৯৫.৩১ শতাংশ নিয়ে খুব কাছাকাছি রয়েছে। নন্দীগ্রাম (৯০.০৩%) এবং বহরমপুর (৮৯.৬০%)-এও উচ্চ অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে।

নন্দীগ্রাম কেন্দ্র আবারও বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। সকাল থেকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট শুরু হলেও দিনের শেষে ফের উত্তেজনা তৈরি হয়। তৃণমূল নেতা রাখহরি ঘড়ার ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে, যদিও বিজেপি এই অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা দাবি করেছে এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এর আগে দিনভর কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ হলেও শেষ মুহূর্তের এই ঘটনা নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

কড়া নিরাপত্তা

সব মিলিয়ে প্রথম দফার ভোটে একটি দ্বিমুখী চিত্র স্পষ্ট হয়েছে। একদিকে গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণের রেকর্ড, অন্যদিকে বিচ্ছিন্ন অশান্তি ও অভিযোগের উপস্থিতি। প্রশাসনের দাবি, অধিকাংশ জায়গায় ভোট নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ছিল। তবে যে অভিযোগগুলি সামনে এসেছে, তা পরবর্তী দফাগুলির জন্য প্রশাসনের সামনে আরও বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

এখন নজর দ্বিতীয় দফার ভোটের দিকে। প্রথম দফার অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে নিরাপত্তা ও নজরদারি আরও জোরদার করা হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। একইসঙ্গে প্রশ্ন থাকছে- উচ্চ ভোটদানের এই প্রবণতা বজায় থাকবে কি না এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার উপর মানুষের আস্থা একইভাবে অটুট থাকবে কি না।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত