কিশোরগঞ্জের ভৈরবে প্রতিবেশীর পোষা কুকুরের ফেলে দেওয়া বিস্কুট খেয়ে জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত হয়ে রবিউল মিয়া (৪) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে শিশুটি মারা যায়।
এদিকে একই রোগে আক্রান্ত হয়ে শিশুটির মা রুনা বেগমও বর্তমানে ঢাকার মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিহত রবিউল ভৈরব উপজেলার কালিপুর দক্ষিণ পাড়া এলাকার মিজান মিয়ার ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ জুন বাড়ির সামনে খেলা করার সময় প্রতিবেশী মুসা মিয়ার পোষা কুকুরকে বিস্কুট খেতে দেওয়া হয়। কুকুরটি অর্ধেক খেয়ে বাকি অংশ ফেলে রেখে যায়। শিশু রবিউল না বুঝে সেই উচ্ছিষ্ট বিস্কুটটি খেয়ে ফেলে। এর কিছুদিন পর থেকেই সে অসুস্থ হয়ে পড়ে।
স্বজনেরা জানান, অসুস্থ অবস্থায় রবিউলকে প্রথমে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। তবে সেখানে জলাতঙ্কের টিকা (ভ্যাকসিন) না থাকায় তাকে পার্শ্ববর্তী আশুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে টিকা দেওয়া হয়। গত বুধবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে বাজিতপুরের জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে ঢাকায় স্থানান্তরের পথে নরসিংদী এলাকায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত শিশুর বাবা মিজান মিয়ার অভিযোগ, প্রতিবেশীর দায়িত্বজ্ঞানহীনতার কারণেই তার সন্তানের মৃত্যু হয়েছে। তিনি বলেন, “প্রতিবেশী মুসা মিয়াকে বারবার নিষেধ করার পরও তিনি বাড়ির সামনে খোলা জায়গায় কুকুরকে খাবার দিতেন। আজ তাদের অবহেলায় আমার সন্তান চলে গেল। আমি এর বিচার চাই।”
/

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৬
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে প্রতিবেশীর পোষা কুকুরের ফেলে দেওয়া বিস্কুট খেয়ে জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত হয়ে রবিউল মিয়া (৪) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে শিশুটি মারা যায়।
এদিকে একই রোগে আক্রান্ত হয়ে শিশুটির মা রুনা বেগমও বর্তমানে ঢাকার মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিহত রবিউল ভৈরব উপজেলার কালিপুর দক্ষিণ পাড়া এলাকার মিজান মিয়ার ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ জুন বাড়ির সামনে খেলা করার সময় প্রতিবেশী মুসা মিয়ার পোষা কুকুরকে বিস্কুট খেতে দেওয়া হয়। কুকুরটি অর্ধেক খেয়ে বাকি অংশ ফেলে রেখে যায়। শিশু রবিউল না বুঝে সেই উচ্ছিষ্ট বিস্কুটটি খেয়ে ফেলে। এর কিছুদিন পর থেকেই সে অসুস্থ হয়ে পড়ে।
স্বজনেরা জানান, অসুস্থ অবস্থায় রবিউলকে প্রথমে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। তবে সেখানে জলাতঙ্কের টিকা (ভ্যাকসিন) না থাকায় তাকে পার্শ্ববর্তী আশুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে টিকা দেওয়া হয়। গত বুধবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে বাজিতপুরের জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে ঢাকায় স্থানান্তরের পথে নরসিংদী এলাকায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত শিশুর বাবা মিজান মিয়ার অভিযোগ, প্রতিবেশীর দায়িত্বজ্ঞানহীনতার কারণেই তার সন্তানের মৃত্যু হয়েছে। তিনি বলেন, “প্রতিবেশী মুসা মিয়াকে বারবার নিষেধ করার পরও তিনি বাড়ির সামনে খোলা জায়গায় কুকুরকে খাবার দিতেন। আজ তাদের অবহেলায় আমার সন্তান চলে গেল। আমি এর বিচার চাই।”
/

আপনার মতামত লিখুন