স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের সর্বাত্মক প্রস্তুতি রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত আছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুরে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী এলাকায় বন্যাদুর্গতদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, দেশের যেসব অঞ্চল বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেখানে ক্ষয়ক্ষতির জরিপ চলছে। জরিপ শেষে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বেড়িবাঁধসহ অন্যান্য অবকাঠামো পুনর্নির্মাণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা দেওয়া হবে। তিনি বলেন, “দুর্যোগের সময় জনগণের পাশে থাকা সরকারের দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব পালনে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।”
ত্রাণ বিতরণ শেষে মন্ত্রী ছড়াকুল এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ, সড়ক ও বসতবাড়ি পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের অভিযোগ ও দুর্ভোগের কথা শোনেন। সমস্যা সমাধানে স্থানীয় প্রশাসনকে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। পরিদর্শনকালে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
/

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৬
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের সর্বাত্মক প্রস্তুতি রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত আছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুরে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী এলাকায় বন্যাদুর্গতদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, দেশের যেসব অঞ্চল বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেখানে ক্ষয়ক্ষতির জরিপ চলছে। জরিপ শেষে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বেড়িবাঁধসহ অন্যান্য অবকাঠামো পুনর্নির্মাণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা দেওয়া হবে। তিনি বলেন, “দুর্যোগের সময় জনগণের পাশে থাকা সরকারের দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব পালনে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।”
ত্রাণ বিতরণ শেষে মন্ত্রী ছড়াকুল এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ, সড়ক ও বসতবাড়ি পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের অভিযোগ ও দুর্ভোগের কথা শোনেন। সমস্যা সমাধানে স্থানীয় প্রশাসনকে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। পরিদর্শনকালে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
/

আপনার মতামত লিখুন