সংবাদ

পুকুর সেচে মাছ ধরতে গিয়ে প্রবাসীর ভবন ধস


প্রতিনিধি, চাঁদপুর
প্রতিনিধি, চাঁদপুর
প্রকাশ: ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৭ পিএম

পুকুর সেচে মাছ ধরতে গিয়ে প্রবাসীর ভবন ধস
চাঁদপুরের কচুয়ায় পুকুর সেচে মাছ ধরতে গিয়ে ধসে পড়া প্রবাসীর নির্মাণাধীন ভবন। ছবি : সংবাদ

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় পুকুর সেচে মাছ ধরতে গিয়ে পাশের একটি নির্মাণাধীন দোতলা ভবন ধসে পড়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে ভবনটির মালিক প্রবাসী ও পুলিশ সদস্য মহিউদ্দিন মানিকের প্রায় ৪০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

উপজেলার তেতৈয়া গ্রামের মজুমদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই বাড়ির একটি পুকুর পুনরায় মাছ চাষের উপযোগী করার জন্য সেচ দিয়ে পানি কমানো হচ্ছিল। এ সময় পুকুরের পূর্ব পাশে মহিউদ্দিন মানিকের নির্মাণাধীন ভবনটি ঝুঁকির মুখে পড়ে এবং একপর্যায়ে ভবনের একটি বড় অংশ ধসে যায়। বর্তমানে ভবনটি বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের অভিযোগ, পুকুর সেচে মাছ ধরার সময় সাবেক ইউপি সদস্য সোহরাব হোসেন মজুমদার ও আবুল হাসানাত মজুমদারকে ভবন ঝুঁকির বিষয়ে একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু তারা সেই সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে পানি নিষ্কাশন অব্যাহত রাখেন। এর ফলেই ভবনের ভিত্তি দুর্বল হয়ে ধসের ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাবেক ইউপি সদস্য সোহরাব হোসেন মজুমদার ও আবুল হাসানাত মজুমদারের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

এলাকাবাসীর দাবি, অপরিকল্পিতভাবে পুকুরের পানি নিষ্কাশনের কারণে এমন দুর্ঘটনা উদ্বেগজনক। তারা দ্রুত ঘটনাটি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬


পুকুর সেচে মাছ ধরতে গিয়ে প্রবাসীর ভবন ধস

প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬

featured Image

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় পুকুর সেচে মাছ ধরতে গিয়ে পাশের একটি নির্মাণাধীন দোতলা ভবন ধসে পড়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে ভবনটির মালিক প্রবাসী ও পুলিশ সদস্য মহিউদ্দিন মানিকের প্রায় ৪০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

উপজেলার তেতৈয়া গ্রামের মজুমদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই বাড়ির একটি পুকুর পুনরায় মাছ চাষের উপযোগী করার জন্য সেচ দিয়ে পানি কমানো হচ্ছিল। এ সময় পুকুরের পূর্ব পাশে মহিউদ্দিন মানিকের নির্মাণাধীন ভবনটি ঝুঁকির মুখে পড়ে এবং একপর্যায়ে ভবনের একটি বড় অংশ ধসে যায়। বর্তমানে ভবনটি বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের অভিযোগ, পুকুর সেচে মাছ ধরার সময় সাবেক ইউপি সদস্য সোহরাব হোসেন মজুমদার ও আবুল হাসানাত মজুমদারকে ভবন ঝুঁকির বিষয়ে একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু তারা সেই সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে পানি নিষ্কাশন অব্যাহত রাখেন। এর ফলেই ভবনের ভিত্তি দুর্বল হয়ে ধসের ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাবেক ইউপি সদস্য সোহরাব হোসেন মজুমদার ও আবুল হাসানাত মজুমদারের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

এলাকাবাসীর দাবি, অপরিকল্পিতভাবে পুকুরের পানি নিষ্কাশনের কারণে এমন দুর্ঘটনা উদ্বেগজনক। তারা দ্রুত ঘটনাটি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত