পিরোজপুরের জিয়ানগরে (ইন্দুরকানী) বর্ষার শুরুতেই খাল, বিল ও ফসলি মাঠে নিষিদ্ধ ‘চায়না দুয়ারি’ জালের দৌরাত্ম্য ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। পরিবেশ ও মৎস্যসম্পদের জন্য ক্ষতিকর এই জালে আটকা পড়ছে ডিমওয়ালা মা মাছ থেকে শুরু করে অতি ক্ষুদ্র পোনা। এতে এলাকায় দেশি মাছের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়েছে।
উপজেলার বিভিন্ন খাল ও বিলে সারি সারি নিষিদ্ধ জাল পেতে রাখা হয়েছে। প্রকাশ্যে এই জাল ব্যবহারের মহোৎসব চললেও হাটবাজারে সরাসরি বিক্রির দৃশ্য চোখে পড়ে না। স্থানীয়দের অভিযোগ, একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী সুতা ও সাধারণ জাল বিক্রির আড়ালে গোপনে এসব নিষিদ্ধ জাল বিক্রি করছেন।
ইন্দুরকানী সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা আনিছুর রহমান বলেন, ‘মৌসুমি জেলেরা এই সর্বনাশা জাল দিয়ে মাছের ডিম থেকে শুরু করে সব ধরনের মাছ ধরছে। এর ফলে এখন পুকুরেও আর বিলের মাছ ঢুকছে না।’ উত্তর ভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দা আলমের ভাষ্য, ‘ফসলি মাঠে পানি আসার সঙ্গে সঙ্গে জেলেরা চায়না দুয়ারি পেতে রাখে। এতে মাছের বংশবিস্তার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। প্রশাসন নিয়মিত অভিযান না চালালে দেশি মাছ আর পাওয়া যাবে না।’
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জিয়ানগর বাজারের অন্তত ছয়-সাতজন ব্যবসায়ী নিয়মিত এই জাল বিক্রি করছেন। তবে অভিযুক্ত ব্যবসায়ীরা বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। ব্যবসায়ী মুরাদ মোল্লা দাবি করেন, একবার মৎস্য বিভাগ তাঁর জাল জব্দ করার পর তিনি এ ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছেন। অন্য দুই ব্যবসায়ী আসলাম ও সাইমও একই দাবি করেন।
এ বিষয়ে জিয়ানগর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি। নিষিদ্ধ জালের বিষয়ে তথ্য পাওয়ামাত্রই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। দেশি মাছ রক্ষায় এই তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।’
/

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
পিরোজপুরের জিয়ানগরে (ইন্দুরকানী) বর্ষার শুরুতেই খাল, বিল ও ফসলি মাঠে নিষিদ্ধ ‘চায়না দুয়ারি’ জালের দৌরাত্ম্য ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। পরিবেশ ও মৎস্যসম্পদের জন্য ক্ষতিকর এই জালে আটকা পড়ছে ডিমওয়ালা মা মাছ থেকে শুরু করে অতি ক্ষুদ্র পোনা। এতে এলাকায় দেশি মাছের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়েছে।
উপজেলার বিভিন্ন খাল ও বিলে সারি সারি নিষিদ্ধ জাল পেতে রাখা হয়েছে। প্রকাশ্যে এই জাল ব্যবহারের মহোৎসব চললেও হাটবাজারে সরাসরি বিক্রির দৃশ্য চোখে পড়ে না। স্থানীয়দের অভিযোগ, একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী সুতা ও সাধারণ জাল বিক্রির আড়ালে গোপনে এসব নিষিদ্ধ জাল বিক্রি করছেন।
ইন্দুরকানী সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা আনিছুর রহমান বলেন, ‘মৌসুমি জেলেরা এই সর্বনাশা জাল দিয়ে মাছের ডিম থেকে শুরু করে সব ধরনের মাছ ধরছে। এর ফলে এখন পুকুরেও আর বিলের মাছ ঢুকছে না।’ উত্তর ভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দা আলমের ভাষ্য, ‘ফসলি মাঠে পানি আসার সঙ্গে সঙ্গে জেলেরা চায়না দুয়ারি পেতে রাখে। এতে মাছের বংশবিস্তার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। প্রশাসন নিয়মিত অভিযান না চালালে দেশি মাছ আর পাওয়া যাবে না।’
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জিয়ানগর বাজারের অন্তত ছয়-সাতজন ব্যবসায়ী নিয়মিত এই জাল বিক্রি করছেন। তবে অভিযুক্ত ব্যবসায়ীরা বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। ব্যবসায়ী মুরাদ মোল্লা দাবি করেন, একবার মৎস্য বিভাগ তাঁর জাল জব্দ করার পর তিনি এ ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছেন। অন্য দুই ব্যবসায়ী আসলাম ও সাইমও একই দাবি করেন।
এ বিষয়ে জিয়ানগর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি। নিষিদ্ধ জালের বিষয়ে তথ্য পাওয়ামাত্রই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। দেশি মাছ রক্ষায় এই তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।’
/

আপনার মতামত লিখুন