ব্যবসায়ের আড়ালে দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচার ও হুন্ডি চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে শ্রী হরিদাস চন্দ্র তরণীদাস (৪৪) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সিআইডির তদন্তে জানা গেছে, আসামির বিভিন্ন ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) অ্যাকাউন্টে ৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকারও বেশি সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে।
গত ১২ জুলাই ২০২৬ তারিখে ডিএমপির উত্তরা পশ্চিম থানায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির মাদারীপুর শাখার পরিদর্শক (নিরস্ত্র) কে এম রাকিবুল হুদা আসামিকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে সোপর্দ করে ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়েছেন।
গ্রেপ্তারকৃত হরিদাস চন্দ্র তরণীদাস গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার মধ্য রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি এলাকায় ‘শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ কালী মন্দির’-এর প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে তিনি ঢাকার উত্তরার ৩ নম্বর সেক্টরের একটি বাসায় বসবাস করছিলেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম শাখার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি করেন। অনুসন্ধানে দেখা যায়, হরিদাস মূলত একজন সাধারণ ব্যবসায়ী হলেও এর আড়ালে তিনি দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে অবৈধ হুন্ডি ও অর্থ পাচারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১ জানুয়ারি ২০২০ থেকে ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত সময়ে তার ৫টি ব্যাংক ও ৪টি এমএফএস অ্যাকাউন্টে ৯ কোটি ৩৫ লাখ ৩২ হাজার ৪৫১ টাকা জমা এবং ৯ কোটি ৩৩ লাখ ৬৫ হাজার ২৮ টাকা উত্তোলনের রেকর্ড পাওয়া যায়।
লেনদেন হওয়া আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ডাচ-বাংলা ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, বিকাশ, নগদ ও রকেট উল্লেখযোগ্য। সিআইডির প্রাথমিক ধারণা, এই অপরাধলব্ধ অর্থ দিয়ে আসামি নিজের ও বেনামে বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি গড়ে তুলেছেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তা রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করেন, এই বিপুল পরিমাণ অর্থের উৎস ও পাচারের সঙ্গে জড়িত মূল হোতাদের শনাক্ত করতে আসামিকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন। মামলায় হরিদাস ছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।
\

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
ব্যবসায়ের আড়ালে দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচার ও হুন্ডি চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে শ্রী হরিদাস চন্দ্র তরণীদাস (৪৪) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সিআইডির তদন্তে জানা গেছে, আসামির বিভিন্ন ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) অ্যাকাউন্টে ৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকারও বেশি সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে।
গত ১২ জুলাই ২০২৬ তারিখে ডিএমপির উত্তরা পশ্চিম থানায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির মাদারীপুর শাখার পরিদর্শক (নিরস্ত্র) কে এম রাকিবুল হুদা আসামিকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে সোপর্দ করে ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়েছেন।
গ্রেপ্তারকৃত হরিদাস চন্দ্র তরণীদাস গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার মধ্য রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি এলাকায় ‘শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ কালী মন্দির’-এর প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে তিনি ঢাকার উত্তরার ৩ নম্বর সেক্টরের একটি বাসায় বসবাস করছিলেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম শাখার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি করেন। অনুসন্ধানে দেখা যায়, হরিদাস মূলত একজন সাধারণ ব্যবসায়ী হলেও এর আড়ালে তিনি দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে অবৈধ হুন্ডি ও অর্থ পাচারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১ জানুয়ারি ২০২০ থেকে ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত সময়ে তার ৫টি ব্যাংক ও ৪টি এমএফএস অ্যাকাউন্টে ৯ কোটি ৩৫ লাখ ৩২ হাজার ৪৫১ টাকা জমা এবং ৯ কোটি ৩৩ লাখ ৬৫ হাজার ২৮ টাকা উত্তোলনের রেকর্ড পাওয়া যায়।
লেনদেন হওয়া আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ডাচ-বাংলা ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, বিকাশ, নগদ ও রকেট উল্লেখযোগ্য। সিআইডির প্রাথমিক ধারণা, এই অপরাধলব্ধ অর্থ দিয়ে আসামি নিজের ও বেনামে বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি গড়ে তুলেছেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তা রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করেন, এই বিপুল পরিমাণ অর্থের উৎস ও পাচারের সঙ্গে জড়িত মূল হোতাদের শনাক্ত করতে আসামিকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন। মামলায় হরিদাস ছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।
\

আপনার মতামত লিখুন