রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় পদ্মা ও যমুনা নদীর মোহনায় ২২ কেজি ওজনের একটি বিশাল কাতল মাছ ধরা পড়েছে। মাছটি ৫০ হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) সকালে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় মাছটি ধরা পড়লে তা দেখতে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে।
জেলে ও ব্যবসায়ীদের সূত্রে জানা গেছে, রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার জেলে জহুরুল হালদারের জালে মাছটি ধরা পড়ে। পরে তিনি মাছটি বিক্রির জন্য দৌলতদিয়া ঘাট বাজারের রেজাউল মন্ডলের আড়তে নিয়ে আসেন। সেখানে উন্মুক্ত নিলামে মাছ ব্যবসায়ী সম্রাট শাহজাহান শেখ প্রতি কেজি ২ হাজার ১০০ টাকা দরে মোট ৪৬ হাজার ২০০ টাকায় মাছটি কিনে নেন।
পরবর্তীতে সম্রাট শাহজাহান ভিডিও কলের মাধ্যমে যোগাযোগ করে রাজশাহীর এক ব্যবসায়ীর কাছে মাছটি প্রতি কেজি ২ হাজার ৩০০ টাকা দরে মোট ৫০ হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি করেন। এতে তার ৪ হাজার ৪০০ টাকা লাভ হয়েছে বলে জানান ওই ব্যবসায়ী।
সম্রাট শাহজাহান বলেন, “পদ্মা নদীর বড় কাতল মাছের চাহিদা সব সময় বেশি থাকে। আধুনিক প্রযুক্তির কল্যাণে এখন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ক্রেতাদের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে।”
গোয়ালন্দ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ইলিশ আহরণে নিষেধাজ্ঞা থাকায় নদীতে অন্য প্রজাতির মাছের বংশবৃদ্ধি ও আকার বাড়ার সুযোগ পাচ্ছে। ফলে মাঝেমধ্যেই বড় আকারের কাতল, রুই, বোয়াল ও বাঘাইড় মাছ ধরা পড়ছে। নদীতে স্থায়ী অভয়াশ্রম করা গেলে ভবিষ্যতে আরও বড় মাছ পাওয়া যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
\

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় পদ্মা ও যমুনা নদীর মোহনায় ২২ কেজি ওজনের একটি বিশাল কাতল মাছ ধরা পড়েছে। মাছটি ৫০ হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) সকালে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় মাছটি ধরা পড়লে তা দেখতে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে।
জেলে ও ব্যবসায়ীদের সূত্রে জানা গেছে, রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার জেলে জহুরুল হালদারের জালে মাছটি ধরা পড়ে। পরে তিনি মাছটি বিক্রির জন্য দৌলতদিয়া ঘাট বাজারের রেজাউল মন্ডলের আড়তে নিয়ে আসেন। সেখানে উন্মুক্ত নিলামে মাছ ব্যবসায়ী সম্রাট শাহজাহান শেখ প্রতি কেজি ২ হাজার ১০০ টাকা দরে মোট ৪৬ হাজার ২০০ টাকায় মাছটি কিনে নেন।
পরবর্তীতে সম্রাট শাহজাহান ভিডিও কলের মাধ্যমে যোগাযোগ করে রাজশাহীর এক ব্যবসায়ীর কাছে মাছটি প্রতি কেজি ২ হাজার ৩০০ টাকা দরে মোট ৫০ হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি করেন। এতে তার ৪ হাজার ৪০০ টাকা লাভ হয়েছে বলে জানান ওই ব্যবসায়ী।
সম্রাট শাহজাহান বলেন, “পদ্মা নদীর বড় কাতল মাছের চাহিদা সব সময় বেশি থাকে। আধুনিক প্রযুক্তির কল্যাণে এখন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ক্রেতাদের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে।”
গোয়ালন্দ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ইলিশ আহরণে নিষেধাজ্ঞা থাকায় নদীতে অন্য প্রজাতির মাছের বংশবৃদ্ধি ও আকার বাড়ার সুযোগ পাচ্ছে। ফলে মাঝেমধ্যেই বড় আকারের কাতল, রুই, বোয়াল ও বাঘাইড় মাছ ধরা পড়ছে। নদীতে স্থায়ী অভয়াশ্রম করা গেলে ভবিষ্যতে আরও বড় মাছ পাওয়া যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
\

আপনার মতামত লিখুন