গাজীপুরের কালীগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীপথে ট্রলারে এসে দুটি বালুর গদিতে দস্যুতার ঘটনা ঘটেছে। সংঘবদ্ধ দস্যুরা এক ব্যবসায়ীকে বেধড়ক পিটিয়ে নগদ টাকা, মোবাইল ফোন, বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল ও সিসিটিভির ডিভিআর লুট করে নিয়ে গেছে। এ সময় এক ব্যবস্থাপককে অপহরণের চেষ্টাও করা হয়।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোররাতে উপজেলার তুমলিয়া ইউনিয়নের সোমবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত ব্যবসায়ী মঞ্জুর হোসেন (৬০) বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রূপগঞ্জের দিক থেকে ইঞ্জিনচালিত একটি ট্রলারে করে ২০-২৫ জনের একদল মুখোশধারী দস্যু সোমবাজার এলাকায় আসে। তারা প্রথমে মঞ্জুর হোসেনের বালুর গদির নিরাপত্তাকর্মী আকবর হোসেনকে (৭০) বেঁধে ফেলে। পরে তার মাধ্যমে অফিসকক্ষে ঘুমিয়ে থাকা মঞ্জুর হোসেনকে ডেকে আনা হয়। দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে দস্যুরা মঞ্জুরকে মারধর করে ক্যাশ বাক্সের চাবি ছিনিয়ে নেয়। সেখান থেকে কয়েক লাখ টাকা, মোবাইল ফোন ও সিসিটিভি ক্যামেরার ডিভিআর নিয়ে যায় তারা।
লুটপাট শেষে দস্যুরা নদীতে নোঙর করা একটি আনলোড ড্রেজারে ওঠে চার শ্রমিকের হাত-পা বেঁধে ফেলে। এরপর ড্রামে রাখা এক লাখ টাকার বেশি মূল্যের জ্বালানি তেল ট্রলারে তুলে নেয়।
একই সময়ে পাশের আরেকটি বালুর গদিতেও হামলা চালায় দস্যুরা। সেখান থেকে ২০-২৫ হাজার টাকা ও মোবাইল ফোন লুটের পর ব্যবস্থাপক দেলোয়ার হোসেনকে ট্রলারে তুলে নিয়ে যায় তারা। তবে কিছু দূর যাওয়ার পর দেলোয়ার নদীতে ঝাঁপ দিয়ে সাঁতরে তীরে উঠে প্রাণে বাঁচেন।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন বলেন, খবর পাওয়ার পর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
/

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
গাজীপুরের কালীগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীপথে ট্রলারে এসে দুটি বালুর গদিতে দস্যুতার ঘটনা ঘটেছে। সংঘবদ্ধ দস্যুরা এক ব্যবসায়ীকে বেধড়ক পিটিয়ে নগদ টাকা, মোবাইল ফোন, বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল ও সিসিটিভির ডিভিআর লুট করে নিয়ে গেছে। এ সময় এক ব্যবস্থাপককে অপহরণের চেষ্টাও করা হয়।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোররাতে উপজেলার তুমলিয়া ইউনিয়নের সোমবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত ব্যবসায়ী মঞ্জুর হোসেন (৬০) বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রূপগঞ্জের দিক থেকে ইঞ্জিনচালিত একটি ট্রলারে করে ২০-২৫ জনের একদল মুখোশধারী দস্যু সোমবাজার এলাকায় আসে। তারা প্রথমে মঞ্জুর হোসেনের বালুর গদির নিরাপত্তাকর্মী আকবর হোসেনকে (৭০) বেঁধে ফেলে। পরে তার মাধ্যমে অফিসকক্ষে ঘুমিয়ে থাকা মঞ্জুর হোসেনকে ডেকে আনা হয়। দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে দস্যুরা মঞ্জুরকে মারধর করে ক্যাশ বাক্সের চাবি ছিনিয়ে নেয়। সেখান থেকে কয়েক লাখ টাকা, মোবাইল ফোন ও সিসিটিভি ক্যামেরার ডিভিআর নিয়ে যায় তারা।
লুটপাট শেষে দস্যুরা নদীতে নোঙর করা একটি আনলোড ড্রেজারে ওঠে চার শ্রমিকের হাত-পা বেঁধে ফেলে। এরপর ড্রামে রাখা এক লাখ টাকার বেশি মূল্যের জ্বালানি তেল ট্রলারে তুলে নেয়।
একই সময়ে পাশের আরেকটি বালুর গদিতেও হামলা চালায় দস্যুরা। সেখান থেকে ২০-২৫ হাজার টাকা ও মোবাইল ফোন লুটের পর ব্যবস্থাপক দেলোয়ার হোসেনকে ট্রলারে তুলে নিয়ে যায় তারা। তবে কিছু দূর যাওয়ার পর দেলোয়ার নদীতে ঝাঁপ দিয়ে সাঁতরে তীরে উঠে প্রাণে বাঁচেন।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন বলেন, খবর পাওয়ার পর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
/

আপনার মতামত লিখুন