রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে চলমান আলোচনার মধ্যে শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেল ৫টায় জাতীয় সংসদে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের খবরে থাইল্যান্ড থেকে সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফিরেছেন তিনি।
সংসদ সচিবালয়ের একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, সংসদের শপথকক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এতে স্পিকার অথবা তার প্রতিনিধি বক্তব্য দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে সংসদ সচিবালয় এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি।
চিকিৎসার জন্য গত ১৯ জুলাই থাইল্যান্ডের ব্যাংকক সফরে যান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। সফরসূচি অনুযায়ী, আগামী ২৬ জুলাই দেশে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়লে সফর সংক্ষিপ্ত করে শুক্রবার বিকেলে ঢাকায় ফিরেন তিনি।
শুক্রবার দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকায় অবতরণ করেন।
বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলে তিনি কোনো বক্তব্য না দিয়ে দ্রুত গাড়িতে করে সংসদ ভবনের উদ্দেশে রওনা হন। তবে স্পিকারের সংবাদ সম্মেলন ডাকার প্রেক্ষাপটে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ ও পরবর্তী সাংবিধানিক প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু ঘোষণা দিতে পারেন।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি স্পিকারের কাছে লিখিত পদত্যাগপত্র জমা দিতে পারেন। অন্যদিকে সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বা তিনি দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
এ ক্ষেত্রে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে।
বাংলাদেশে সর্বশেষ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন অষ্টম জাতীয় সংসদের স্পিকার প্রয়াত জমির উদ্দিন সরকার। বিএনপি-জামায়াত নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের সময়ে ২০০২ সালে সাবেক রাষ্ট্রপতি একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর পদত্যাগের পর তিনি ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পান। জমির উদ্দিন সরকার ২১ জুন ২০০২ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর ২০০২ পর্যন্ত ৭৮ দিন এ পদে দায়িত্ব পালন করেন।
এখন পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ বা স্পিকারের সংবাদ সম্মেলনের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। তবে স্পিকারের দেশে ফেরা ও জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকার প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে চলমান আলোচনার মধ্যে শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেল ৫টায় জাতীয় সংসদে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের খবরে থাইল্যান্ড থেকে সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফিরেছেন তিনি।
সংসদ সচিবালয়ের একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, সংসদের শপথকক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এতে স্পিকার অথবা তার প্রতিনিধি বক্তব্য দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে সংসদ সচিবালয় এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি।
চিকিৎসার জন্য গত ১৯ জুলাই থাইল্যান্ডের ব্যাংকক সফরে যান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। সফরসূচি অনুযায়ী, আগামী ২৬ জুলাই দেশে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়লে সফর সংক্ষিপ্ত করে শুক্রবার বিকেলে ঢাকায় ফিরেন তিনি।
শুক্রবার দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকায় অবতরণ করেন।
বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলে তিনি কোনো বক্তব্য না দিয়ে দ্রুত গাড়িতে করে সংসদ ভবনের উদ্দেশে রওনা হন। তবে স্পিকারের সংবাদ সম্মেলন ডাকার প্রেক্ষাপটে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ ও পরবর্তী সাংবিধানিক প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু ঘোষণা দিতে পারেন।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি স্পিকারের কাছে লিখিত পদত্যাগপত্র জমা দিতে পারেন। অন্যদিকে সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বা তিনি দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
এ ক্ষেত্রে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে।
বাংলাদেশে সর্বশেষ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন অষ্টম জাতীয় সংসদের স্পিকার প্রয়াত জমির উদ্দিন সরকার। বিএনপি-জামায়াত নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের সময়ে ২০০২ সালে সাবেক রাষ্ট্রপতি একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর পদত্যাগের পর তিনি ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পান। জমির উদ্দিন সরকার ২১ জুন ২০০২ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর ২০০২ পর্যন্ত ৭৮ দিন এ পদে দায়িত্ব পালন করেন।
এখন পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ বা স্পিকারের সংবাদ সম্মেলনের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। তবে স্পিকারের দেশে ফেরা ও জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকার প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন