সংবাদ

বঙ্গভবন ছেড়ে যে ভবনে উঠবেন সাহাবুদ্দিন


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৪ পিএম

বঙ্গভবন ছেড়ে যে ভবনে উঠবেন সাহাবুদ্দিন
মো. সাহাবুদ্দিন

পদত্যাগের পর বঙ্গভবন ছাড়ছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি যে বাড়িতে উঠতে পারেন, রাজধানীর গুলশানের ‘গ্রিন ভিলা’য় ইতিমধ্যে নতুন টেলিফোন লাইন বসানোর কাজ শুরু হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে বিটিসিএলের কর্মীরা সেখানে টেলিফোন সংযোগ দিতে আসেন।

গুলশানের ১২৩ নম্বর রোডের ‘গ্রিন ভিলা’ নামে ওই বাসার পঞ্চম তলায় রাষ্ট্রপতির ওঠার কথা রয়েছে। বর্তমানে বাসাটি ফাঁকা। ভেতরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েকজন সদস্য থাকলেও বাইরে তেমন ব্যস্ততা নেই।

বাসার নিরাপত্তা প্রহরী মো. মাছুম জানান, ‘তিন-চারদিন আগে স্যার এসেছিলেন এই বাসায়। তখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ প্রায় শতাধিক লোক এসেছিল। বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে উনি এসেছিলেন, এরপর রাত পৌনে ৯টা নাগাদ উনি এখান থেকে চলে গেছেন। ইতিমধ্যে তার বাসায় টুকিটাকি কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এখানে এসবির (স্পেশাল ব্রাঞ্চ) কয়েকজন লোক রয়েছেন।’

বাসায় টেলিফোন সংযোগ দিতে আসা বিটিসিএলের টিসিএম আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘মূলত সরকারিভাবে আমরা এখানে নতুন টেলিফোন লাইন লাগাতে এসেছি, আমাদের অফিসের বসের নির্দেশে। আজকে যদিও বন্ধ, তবু বলা হয়েছে, উনি পদত্যাগ করলে এ বাসাতেই উঠবেন। এর আগের যে লাইন ছিল, সেটি রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর বাদ দেওয়া হয়েছে। তাই এখন নতুন লাইন লাগাতে এসেছি।’

শুক্রবার বিকেলে সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে পদত্যাগ করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি বলেন, ‘আই অ্যাম সিক, সো ইট ইজ ডান।’

পদত্যাগপত্রে তিনি উল্লেখ করেছেন, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতার পাশাপাশি অটোনমিক নিউরোপ্যাথি রোগে আক্রান্ত তিনি। এই রোগের কারণে মাঝে মাঝে তিনি ক্ষণিক অচেতন হয়ে যান। তাই রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করা তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না বলে তিনি উল্লেখ করেন। 

সূত্র: বিডিনিউজ

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬


বঙ্গভবন ছেড়ে যে ভবনে উঠবেন সাহাবুদ্দিন

প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬

featured Image

পদত্যাগের পর বঙ্গভবন ছাড়ছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি যে বাড়িতে উঠতে পারেন, রাজধানীর গুলশানের ‘গ্রিন ভিলা’য় ইতিমধ্যে নতুন টেলিফোন লাইন বসানোর কাজ শুরু হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে বিটিসিএলের কর্মীরা সেখানে টেলিফোন সংযোগ দিতে আসেন।

গুলশানের ১২৩ নম্বর রোডের ‘গ্রিন ভিলা’ নামে ওই বাসার পঞ্চম তলায় রাষ্ট্রপতির ওঠার কথা রয়েছে। বর্তমানে বাসাটি ফাঁকা। ভেতরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েকজন সদস্য থাকলেও বাইরে তেমন ব্যস্ততা নেই।

বাসার নিরাপত্তা প্রহরী মো. মাছুম জানান, ‘তিন-চারদিন আগে স্যার এসেছিলেন এই বাসায়। তখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ প্রায় শতাধিক লোক এসেছিল। বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে উনি এসেছিলেন, এরপর রাত পৌনে ৯টা নাগাদ উনি এখান থেকে চলে গেছেন। ইতিমধ্যে তার বাসায় টুকিটাকি কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এখানে এসবির (স্পেশাল ব্রাঞ্চ) কয়েকজন লোক রয়েছেন।’

বাসায় টেলিফোন সংযোগ দিতে আসা বিটিসিএলের টিসিএম আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘মূলত সরকারিভাবে আমরা এখানে নতুন টেলিফোন লাইন লাগাতে এসেছি, আমাদের অফিসের বসের নির্দেশে। আজকে যদিও বন্ধ, তবু বলা হয়েছে, উনি পদত্যাগ করলে এ বাসাতেই উঠবেন। এর আগের যে লাইন ছিল, সেটি রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর বাদ দেওয়া হয়েছে। তাই এখন নতুন লাইন লাগাতে এসেছি।’

শুক্রবার বিকেলে সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে পদত্যাগ করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি বলেন, ‘আই অ্যাম সিক, সো ইট ইজ ডান।’

পদত্যাগপত্রে তিনি উল্লেখ করেছেন, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতার পাশাপাশি অটোনমিক নিউরোপ্যাথি রোগে আক্রান্ত তিনি। এই রোগের কারণে মাঝে মাঝে তিনি ক্ষণিক অচেতন হয়ে যান। তাই রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করা তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না বলে তিনি উল্লেখ করেন। 

সূত্র: বিডিনিউজ


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত