নিট প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে ‘ককোরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) নেতৃত্বে চলা ‘সংসদ চলো’ আন্দোলনের চতুর্থ দিনে কিছুটা সুর নরম করল কেন্দ্র। আন্দোলনরত পড়ুয়াদের উদ্দেশে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জীতেন্দ্র সিং শুক্রবার জানালেন, সরকারের দরজা এখনও খোলা। বর্তমান পরিস্থিতিতে পড়ুয়াদের দাবি নিয়ে 'যে কোনও সময়ে, যে কোনও স্থানে' আলোচনায় বসতে সরকার সম্পূর্ণ প্রস্তুত। তার দাবি, গত মঙ্গলবার থেকে আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধিদের কাছে ইতিমধ্যেই চারবার আলোচনার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।
জীতেন্দ্র সিং বলেন, ‘নবীন প্রজন্মের বন্ধুদের কাছে সরকারের বার্তা স্পষ্ট। আপনাদের সুবিধাজনক সময়ে, যে কোনও বিষয়ে, যে কোনও স্থানে আমরা আলোচনায় বসতে প্রস্তুত।’ তিনি আরও জানান, আলোচনাকে কেন্দ্র করে কোনও পক্ষেরই অহঙ্কার বা অনড় অবস্থান থাকা উচিত নয়। প্রয়োজনে বিজেপি সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডার বাসভবন বা দফতরেও বৈঠক হতে পারে এবং সেখানে তিনি নিজেও উপস্থিত থাকবেন। তার দাবি, সংলাপের মাধ্যমেই অচলাবস্থা কাটানো সম্ভব।
এদিকে, আন্দোলনের চাপের মধ্যেই শুক্রবার সকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও বড় ঘোষণা করেন। প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে বিশেষ ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্ট গঠনের সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি। সরকারের দাবি, পড়ুয়াদের স্বার্থে এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
তবে সরকারের এই বার্তার পরও আন্দোলন থামার ইঙ্গিত নেই। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, নিট প্রশ্নফাঁসের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের দাবিতে আন্দোলনকারীরা অনড়। তাদের স্পষ্ট বক্তব্য, সরকার যদি সত্যিই আলোচনা চায়, তবে যন্তর মন্তর বা অন্য কোনও নিরপেক্ষ স্থানে এসে কথা বলতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিও বহাল রয়েছে।
এদিকে, বিরোধী শিবিরও আন্দোলনকে আরও জোরদার করার ডাক দিয়েছে। ফলে কেন্দ্রের আলোচনার প্রস্তাব সত্ত্বেও রাজনৈতিক ও আন্দোলনের উত্তাপ আপাতত কমার কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬
নিট প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে ‘ককোরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) নেতৃত্বে চলা ‘সংসদ চলো’ আন্দোলনের চতুর্থ দিনে কিছুটা সুর নরম করল কেন্দ্র। আন্দোলনরত পড়ুয়াদের উদ্দেশে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জীতেন্দ্র সিং শুক্রবার জানালেন, সরকারের দরজা এখনও খোলা। বর্তমান পরিস্থিতিতে পড়ুয়াদের দাবি নিয়ে 'যে কোনও সময়ে, যে কোনও স্থানে' আলোচনায় বসতে সরকার সম্পূর্ণ প্রস্তুত। তার দাবি, গত মঙ্গলবার থেকে আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধিদের কাছে ইতিমধ্যেই চারবার আলোচনার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।
জীতেন্দ্র সিং বলেন, ‘নবীন প্রজন্মের বন্ধুদের কাছে সরকারের বার্তা স্পষ্ট। আপনাদের সুবিধাজনক সময়ে, যে কোনও বিষয়ে, যে কোনও স্থানে আমরা আলোচনায় বসতে প্রস্তুত।’ তিনি আরও জানান, আলোচনাকে কেন্দ্র করে কোনও পক্ষেরই অহঙ্কার বা অনড় অবস্থান থাকা উচিত নয়। প্রয়োজনে বিজেপি সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডার বাসভবন বা দফতরেও বৈঠক হতে পারে এবং সেখানে তিনি নিজেও উপস্থিত থাকবেন। তার দাবি, সংলাপের মাধ্যমেই অচলাবস্থা কাটানো সম্ভব।
এদিকে, আন্দোলনের চাপের মধ্যেই শুক্রবার সকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও বড় ঘোষণা করেন। প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে বিশেষ ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্ট গঠনের সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি। সরকারের দাবি, পড়ুয়াদের স্বার্থে এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
তবে সরকারের এই বার্তার পরও আন্দোলন থামার ইঙ্গিত নেই। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, নিট প্রশ্নফাঁসের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের দাবিতে আন্দোলনকারীরা অনড়। তাদের স্পষ্ট বক্তব্য, সরকার যদি সত্যিই আলোচনা চায়, তবে যন্তর মন্তর বা অন্য কোনও নিরপেক্ষ স্থানে এসে কথা বলতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিও বহাল রয়েছে।
এদিকে, বিরোধী শিবিরও আন্দোলনকে আরও জোরদার করার ডাক দিয়েছে। ফলে কেন্দ্রের আলোচনার প্রস্তাব সত্ত্বেও রাজনৈতিক ও আন্দোলনের উত্তাপ আপাতত কমার কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

আপনার মতামত লিখুন