ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় গভীর রাতে অভিনব কায়দায় গরু চুরির চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছেন এক গৃহস্থ ও স্থানীয় বাসিন্দারা। বাছুরের ডাকে গৃহস্থের ঘুম ভেঙে যাওয়ায় ধাওয়া খেয়ে শেষ পর্যন্ত চুরি করা বাছুরটি ফেলে রেখেই পালিয়ে যায় চোর চক্র।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার লস্করদিয়া ইউনিয়নের গয়েশপুর গ্রামের লাভলু শেখের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।
গৃহস্থ লাভলু শেখ জানান, মাঝরাতে একদল চোর তার গোয়ালঘরে ঢুকে ৩টি গরু চুরির পরিকল্পনা করে। চোরেরা প্রথমে একটি সাদা রঙের বাছুরকে টেনেহিঁচড়ে গোয়ালঘরের বাইরে নিয়ে আসে। এ সময় বাছুরটি সজোরে ডাকাডাকি শুরু করলে লাভলু শেখ ও তার পরিবারের সদস্যদের ঘুম ভেঙে যায়।
তারা ঘর থেকে বেরিয়ে চোরদের উপস্থিতি টের পান এবং ‘চোর চোর’ বলে চিৎকার শুরু করেন। প্রতিবেশীরাও এগিয়ে এলে আতঙ্কিত হয়ে চোরেরা বাছুরটিকে ফেলে রেখে দ্রুত পালিয়ে যায়। গৃহস্থের তৎপরতায় এ যাত্রায় ৩টি গরুই রক্ষা পেয়েছে। তবে এই ঘটনার পর থেকে এলাকায় চোরের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। গ্রামবাসীরা দ্রুত পুলিশি টহল জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসুল সামদানী আজাদ বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে সংগৃহীত ভিডিও ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে চোর চক্রকে শনাক্ত করার চেষ্টা করছি। দ্রুতই তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ভুক্তভোগী পরিবার থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।’
\

শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় গভীর রাতে অভিনব কায়দায় গরু চুরির চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছেন এক গৃহস্থ ও স্থানীয় বাসিন্দারা। বাছুরের ডাকে গৃহস্থের ঘুম ভেঙে যাওয়ায় ধাওয়া খেয়ে শেষ পর্যন্ত চুরি করা বাছুরটি ফেলে রেখেই পালিয়ে যায় চোর চক্র।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার লস্করদিয়া ইউনিয়নের গয়েশপুর গ্রামের লাভলু শেখের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।
গৃহস্থ লাভলু শেখ জানান, মাঝরাতে একদল চোর তার গোয়ালঘরে ঢুকে ৩টি গরু চুরির পরিকল্পনা করে। চোরেরা প্রথমে একটি সাদা রঙের বাছুরকে টেনেহিঁচড়ে গোয়ালঘরের বাইরে নিয়ে আসে। এ সময় বাছুরটি সজোরে ডাকাডাকি শুরু করলে লাভলু শেখ ও তার পরিবারের সদস্যদের ঘুম ভেঙে যায়।
তারা ঘর থেকে বেরিয়ে চোরদের উপস্থিতি টের পান এবং ‘চোর চোর’ বলে চিৎকার শুরু করেন। প্রতিবেশীরাও এগিয়ে এলে আতঙ্কিত হয়ে চোরেরা বাছুরটিকে ফেলে রেখে দ্রুত পালিয়ে যায়। গৃহস্থের তৎপরতায় এ যাত্রায় ৩টি গরুই রক্ষা পেয়েছে। তবে এই ঘটনার পর থেকে এলাকায় চোরের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। গ্রামবাসীরা দ্রুত পুলিশি টহল জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসুল সামদানী আজাদ বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে সংগৃহীত ভিডিও ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে চোর চক্রকে শনাক্ত করার চেষ্টা করছি। দ্রুতই তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ভুক্তভোগী পরিবার থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।’
\

আপনার মতামত লিখুন