দেশের বিভিন্ন এলাকায় টানা বৃষ্টি ও বন্যার প্রভাবে ভোলার লালমোহনের কাঁচাবাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। প্রায় সব ধরনের সবজি ও বিশেষ করে কাঁচামরিচের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের নাভিশ্বাস উঠেছে। প্রতিকেজি মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩২০ টাকা দরে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, দিনমজুর ও স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য নিত্যদিনের বাজার করা এখন কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।
শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে লালমোহন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি পটল ৬০ টাকা, শসা ৪০ টাকা, ধুন্দুল ৫০ টাকা, বরবটি ৭০ টাকা ও করলা ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ঢ্যাঁড়স ৭৫ টাকা, রেখা ৭০ টাকা, মানভেদে পেঁপে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা এবং কাঁচা ও মিষ্টি কুমড়া যথাক্রমে ৬০ ও ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এক হালি কাঁচাকলা কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা।
সবচেয়ে বেশি অস্থিরতা দেখা গেছে কাঁচামরিচের বাজারে। খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ২৮০ থেকে ৩২০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
বিক্রেতা আব্দুল হাই জানান, পাইকারি বাজারে সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়েছে।
আরেক বিক্রেতা শুভ বলেন, ‘লালমোহনে মূলত ফরিদপুরের মধুখালী থেকে কাঁচামরিচ আসত। সরবরাহ বন্ধ থাকায় দাম হু হু করে বাড়ছে।’
বাজার করতে আসা এক নারী ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘সবকিছুর যা দাম, তাতে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের টিকে থাকা কঠিন। মরিচ ছাড়া তো তরকারি রান্না করা যায় না, কিন্তু এত দামে কেনা সম্ভব নয়।’
বিক্রেতা সোহাগ জানান, বর্ষায় ক্ষেতে ফসল নষ্ট হওয়ায় এবং আমদানি কম থাকায় বাজারের এই দশা।
তবে সাধারণ ক্রেতা ও সচেতন মহলের দাবি, বাজারে কার্যকর নজরদারির অভাব ও সরবরাহ ব্যবস্থার দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন। দ্রুত বাজার মনিটরিং নিশ্চিত করা না হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে।

শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
দেশের বিভিন্ন এলাকায় টানা বৃষ্টি ও বন্যার প্রভাবে ভোলার লালমোহনের কাঁচাবাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। প্রায় সব ধরনের সবজি ও বিশেষ করে কাঁচামরিচের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের নাভিশ্বাস উঠেছে। প্রতিকেজি মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩২০ টাকা দরে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, দিনমজুর ও স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য নিত্যদিনের বাজার করা এখন কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।
শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে লালমোহন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি পটল ৬০ টাকা, শসা ৪০ টাকা, ধুন্দুল ৫০ টাকা, বরবটি ৭০ টাকা ও করলা ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ঢ্যাঁড়স ৭৫ টাকা, রেখা ৭০ টাকা, মানভেদে পেঁপে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা এবং কাঁচা ও মিষ্টি কুমড়া যথাক্রমে ৬০ ও ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এক হালি কাঁচাকলা কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা।
সবচেয়ে বেশি অস্থিরতা দেখা গেছে কাঁচামরিচের বাজারে। খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ২৮০ থেকে ৩২০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
বিক্রেতা আব্দুল হাই জানান, পাইকারি বাজারে সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়েছে।
আরেক বিক্রেতা শুভ বলেন, ‘লালমোহনে মূলত ফরিদপুরের মধুখালী থেকে কাঁচামরিচ আসত। সরবরাহ বন্ধ থাকায় দাম হু হু করে বাড়ছে।’
বাজার করতে আসা এক নারী ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘সবকিছুর যা দাম, তাতে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের টিকে থাকা কঠিন। মরিচ ছাড়া তো তরকারি রান্না করা যায় না, কিন্তু এত দামে কেনা সম্ভব নয়।’
বিক্রেতা সোহাগ জানান, বর্ষায় ক্ষেতে ফসল নষ্ট হওয়ায় এবং আমদানি কম থাকায় বাজারের এই দশা।
তবে সাধারণ ক্রেতা ও সচেতন মহলের দাবি, বাজারে কার্যকর নজরদারির অভাব ও সরবরাহ ব্যবস্থার দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন। দ্রুত বাজার মনিটরিং নিশ্চিত করা না হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে।

আপনার মতামত লিখুন