সংবাদ

২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সাংবিধানিক পথেই হাঁটবে বিএনপি


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৭ এএম

২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সাংবিধানিক পথেই হাঁটবে বিএনপি

​দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে জোর জল্পনাকল্পনা। সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর পরবর্তী রাষ্ট্রপ্রধান কে হবেন, তা নিয়ে নানা হিসাব-নিকাশ চলছে। তবে এ পদে নির্বাচন নিয়ে কোনো তাড়াহুড়া না করে সম্পূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি।

​দলের হাইকমান্ডের স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সংক্রান্ত স্পর্শকাতর বিষয়ে জ্যেষ্ঠ নেতারা যেন এখনই প্রকাশ্যে মুখ না খোলেন। নীতি-নির্ধারণী পর্যায় থেকে জানানো হয়েছে, দলীয় ফোরামে আলোচনা করেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং দলীয় নেতাদের মধ্য থেকেই কাউকে সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়া হবে।

​সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে সবচেয়ে বেশি আলোচনা চলছে বিএনপির মহাসচিব ও বর্তমান স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম নিয়ে। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সর্বজনগ্রাহ্য নেতৃত্ব এবং কঠিন সময়ে দলের প্রতি অবিচল আনুগত্যের কারণে তাঁকে সবচেয়ে শক্ত প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আস্থাভাজন এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি অনুগত ফখরুল দুঃসময়ে জেল-জুলুম সহ্য করে বিএনপিকে সুসংগঠিত রাখতে সামনে থেকে ভূমিকা রেখেছেন।

​সরকার ও দলের বিভিন্ন পর্যায়ে মির্জা ফখরুলকে নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা রয়েছে। মন্ত্রিপরিষদের এক প্রভাবশালী সদস্য জানান, "এই মুহূর্তে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প ভাবা হচ্ছে না।

​মির্জা ফখরুল ছাড়াও সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতির তালিকায় দলের স্থায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান এবং নজরুল ইসলাম খানের নামও উচ্চারিত হচ্ছে।

​সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতে হয়। বিএনপির এক ভাইস চেয়ারম্যান জানান, হাতে এখনো পর্যাপ্ত সময় রয়েছে। তাড়াহুড়ার কিছু নেই, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যেই নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

​উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সংবিধানের ৫০ (৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তিনি স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র দাখিল করেন। এরপরই সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম)।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬


২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সাংবিধানিক পথেই হাঁটবে বিএনপি

প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬

featured Image

​দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে জোর জল্পনাকল্পনা। সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর পরবর্তী রাষ্ট্রপ্রধান কে হবেন, তা নিয়ে নানা হিসাব-নিকাশ চলছে। তবে এ পদে নির্বাচন নিয়ে কোনো তাড়াহুড়া না করে সম্পূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি।

​দলের হাইকমান্ডের স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সংক্রান্ত স্পর্শকাতর বিষয়ে জ্যেষ্ঠ নেতারা যেন এখনই প্রকাশ্যে মুখ না খোলেন। নীতি-নির্ধারণী পর্যায় থেকে জানানো হয়েছে, দলীয় ফোরামে আলোচনা করেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং দলীয় নেতাদের মধ্য থেকেই কাউকে সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়া হবে।

​সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে সবচেয়ে বেশি আলোচনা চলছে বিএনপির মহাসচিব ও বর্তমান স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম নিয়ে। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সর্বজনগ্রাহ্য নেতৃত্ব এবং কঠিন সময়ে দলের প্রতি অবিচল আনুগত্যের কারণে তাঁকে সবচেয়ে শক্ত প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আস্থাভাজন এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি অনুগত ফখরুল দুঃসময়ে জেল-জুলুম সহ্য করে বিএনপিকে সুসংগঠিত রাখতে সামনে থেকে ভূমিকা রেখেছেন।

​সরকার ও দলের বিভিন্ন পর্যায়ে মির্জা ফখরুলকে নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা রয়েছে। মন্ত্রিপরিষদের এক প্রভাবশালী সদস্য জানান, "এই মুহূর্তে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প ভাবা হচ্ছে না।

​মির্জা ফখরুল ছাড়াও সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতির তালিকায় দলের স্থায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান এবং নজরুল ইসলাম খানের নামও উচ্চারিত হচ্ছে।

​সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতে হয়। বিএনপির এক ভাইস চেয়ারম্যান জানান, হাতে এখনো পর্যাপ্ত সময় রয়েছে। তাড়াহুড়ার কিছু নেই, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যেই নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

​উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সংবিধানের ৫০ (৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তিনি স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র দাখিল করেন। এরপরই সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম)।



সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত