কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা পৌরসভার সাবেক মেয়র ও সাবেক জাসদ নেতা আনোয়ারুল কবির (টুটুল) সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে ভেড়ামারা শহরের গোডাউন মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বর্তমানে তিনি রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
ভুক্তভোগী আনোয়ারুল কবিরের অভিযোগ, হামলার নেতৃত্বে ছিলেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক এ এইচ এম আল হোসাইন সোহাগ। উল্লেখ্য, গত ২৯ জুন ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সব পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় আনোয়ারুল কবির গোডাউন মোড় এলাকার একটি চায়ের দোকানে বসে কথা বলছিলেন। এ সময় কয়েকটি মোটরসাইকেলে আসা একদল লোক তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে। তাকে বাঁচাতে গিয়ে দুলাল ও নুরু নামের আরও দুজন আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়।
আনোয়ারুল কবির অভিযোগ করেন, ‘স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সোহাগ ও তার সহযোগীরা আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমণ করে। হামলার সময় আমাকে লক্ষ্য করে গুলিও ছোড়া হয়। আত্মরক্ষার চেষ্টা করলে তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় কোপ দেয়।’
তিনি আরও দাবি করেন, ‘রাস্তায় প্রকাশ্যে ঘোরা যাবে না’ বলে আগের রাতেও সোহাগ তাকে হুমকি দিয়েছিলেন। তার মাথায় ১১টি সেলাই লেগেছে।
অভিযোগ অস্বীকার করে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সোহাগ বলেন, ‘সম্পর্কে আমরা মামা-ভাগ্নে। তার সঙ্গে আমার ভালো সম্পর্ক। তিনি কেন এমন মিথ্যা অভিযোগ করছেন, তা আমার বোধগম্য নয়।’ে
ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ জাহেদুর রহমান বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে সেখানে গুলির কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
আপনার মতামত লিখুন