টাঙ্গাইলের মধুপুরে প্রান্তিক নারী ও কিশোরীদের অধিকার সুরক্ষা এবং সরকারি সেবায় তাদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গারো নারীদের সংগঠন ‘আচিক মিচিক সোসাইটি’ স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে এই সভার আয়োজন করে।
শনিবার (২৫ জুলাই) উপজেলার পাহাড়িয়া অঞ্চলের ফুলবাগচালা ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে ‘সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দলিত নারী ও কিশোরীদের অধিকার সুরক্ষা এবং মৌলিক পরিষেবায় অভিগম্যতা বৃদ্ধিতে সহায়তা’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। নাগরিক উদ্যোগের সহযোগিতায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে অর্থায়ন করেছে ‘ফাউন্ডেশন ফর আ জাস্ট সোসাইটি’ (এফজেএস)।
অনুষ্ঠানে আচিক মিচিক সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক ও নাগরিক উদ্যোগের প্রকল্প সমন্বয়কারী সুলেখা ম্রং বলেন, প্রান্তিক নারী ও কিশোরীদের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তার সমান সুযোগ প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিত ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শহিদুজ্জামান। তিনি প্রাণিসম্পদ দপ্তরের বিভিন্ন সেবা ও প্রশিক্ষণ সম্পর্কে তথ্য দেন এবং যোগ্য সুবিধাভোগীদের সরকারি সহায়তার আশ্বাস দেন। সভায় প্রকল্প কর্মকর্তা ন্যান্সি নকরেক প্রকল্পের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
বক্তারা বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নারী ও কিশোরীরা এখনো নানা সামাজিক বৈষম্যের শিকার। তাদের আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তুলতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশীদারত্ব জরুরি। সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, উন্নয়নকর্মী এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নারী ও কিশোরীরা অংশ নেন।
/

শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
টাঙ্গাইলের মধুপুরে প্রান্তিক নারী ও কিশোরীদের অধিকার সুরক্ষা এবং সরকারি সেবায় তাদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গারো নারীদের সংগঠন ‘আচিক মিচিক সোসাইটি’ স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে এই সভার আয়োজন করে।
শনিবার (২৫ জুলাই) উপজেলার পাহাড়িয়া অঞ্চলের ফুলবাগচালা ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে ‘সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দলিত নারী ও কিশোরীদের অধিকার সুরক্ষা এবং মৌলিক পরিষেবায় অভিগম্যতা বৃদ্ধিতে সহায়তা’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। নাগরিক উদ্যোগের সহযোগিতায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে অর্থায়ন করেছে ‘ফাউন্ডেশন ফর আ জাস্ট সোসাইটি’ (এফজেএস)।
অনুষ্ঠানে আচিক মিচিক সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক ও নাগরিক উদ্যোগের প্রকল্প সমন্বয়কারী সুলেখা ম্রং বলেন, প্রান্তিক নারী ও কিশোরীদের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তার সমান সুযোগ প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিত ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শহিদুজ্জামান। তিনি প্রাণিসম্পদ দপ্তরের বিভিন্ন সেবা ও প্রশিক্ষণ সম্পর্কে তথ্য দেন এবং যোগ্য সুবিধাভোগীদের সরকারি সহায়তার আশ্বাস দেন। সভায় প্রকল্প কর্মকর্তা ন্যান্সি নকরেক প্রকল্পের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
বক্তারা বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নারী ও কিশোরীরা এখনো নানা সামাজিক বৈষম্যের শিকার। তাদের আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তুলতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশীদারত্ব জরুরি। সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, উন্নয়নকর্মী এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নারী ও কিশোরীরা অংশ নেন।
/

আপনার মতামত লিখুন