সংবাদ

বিদ্যুৎ না থাকলেও বিল আসে কয়েক গুণ


প্রতিনিধি, চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ)
প্রতিনিধি, চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ)
প্রকাশ: ১ আগস্ট ২০২৬, ০৩:২৬ পিএম

বিদ্যুৎ না থাকলেও বিল আসে কয়েক গুণ
চুনারুঘাটে দীর্ঘস্থায়ী লোডশেডিং ও অস্বাভাবিক বিল। ছবি : সংবাদ

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় ভয়াবহ লোডশেডিং ও অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকেরা। স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনে-রাতে মিলিয়ে ১৪ থেকে ১৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না। এর মধ্যে অনেক গ্রাহকের বিল আগের তুলনায় দ্বিগুণ বা তিনগুণ আসায় জনমনে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, মাগরিবের নামাজের পর লোডশেডিংয়ের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় পুরো এলাকা অন্ধকারে ডুবে থাকে। এতে ব্যবসা-বাণিজ্য ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি বাড়ছে চুরি-ছিনতাইয়ের আশঙ্কা। ঘন ঘন বিদ্যুৎ আসা-যাওয়ায় নষ্ট হচ্ছে টেলিভিশন, ফ্রিজসহ দামি বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন শিক্ষার্থী ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা।

ভুক্তভোগী আসমা বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী বিদেশে থাকেন। ব্যাংকে বিল দিতে গিয়ে দেখি সার্ভারে কাগজের চেয়ে বেশি বিল দেখাচ্ছে। পরে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে সেটি ঠিক করে বিল দিতে হয়েছে। ছোট বাচ্চা নিয়ে এই গরমে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’

ফরিদ মিয়া নামের আরেক গ্রাহক জানান, গত তিন মাস ধরে তার বাড়িতে কোনো বিলের কাগজ আসেনি। অথচ হঠাৎ লাইনম্যান এসে তার বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। দিদার মিয়া নামের এক বাসিন্দা অভিযোগ করেন, দেড় ঘণ্টা পরপর বিদ্যুৎ যায়, আর আসে মাত্র ১০-১৫ মিনিটের জন্য। এতে পরীক্ষার্থীদের পড়াশোনার ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।

বিকাশ ব্যবসায়ীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘চুনারুঘাটে এখন বিদ্যুৎ যায় না, বরং মাঝে মাঝে আসে।’ তাদের অভিযোগ, বিদ্যুৎ না থাকলেও বিল আসে কয়েক গুণ বেশি।

এ বিষয়ে চুনারুঘাট পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. মনজুরুল আলম বলেন, ৩৩ কেভি গ্রিড লাইনে ত্রুটি ও সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। সমস্যা সমাধানে কাজ চলছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬


বিদ্যুৎ না থাকলেও বিল আসে কয়েক গুণ

প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় ভয়াবহ লোডশেডিং ও অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকেরা। স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনে-রাতে মিলিয়ে ১৪ থেকে ১৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না। এর মধ্যে অনেক গ্রাহকের বিল আগের তুলনায় দ্বিগুণ বা তিনগুণ আসায় জনমনে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, মাগরিবের নামাজের পর লোডশেডিংয়ের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় পুরো এলাকা অন্ধকারে ডুবে থাকে। এতে ব্যবসা-বাণিজ্য ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি বাড়ছে চুরি-ছিনতাইয়ের আশঙ্কা। ঘন ঘন বিদ্যুৎ আসা-যাওয়ায় নষ্ট হচ্ছে টেলিভিশন, ফ্রিজসহ দামি বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন শিক্ষার্থী ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা।

ভুক্তভোগী আসমা বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী বিদেশে থাকেন। ব্যাংকে বিল দিতে গিয়ে দেখি সার্ভারে কাগজের চেয়ে বেশি বিল দেখাচ্ছে। পরে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে সেটি ঠিক করে বিল দিতে হয়েছে। ছোট বাচ্চা নিয়ে এই গরমে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’

ফরিদ মিয়া নামের আরেক গ্রাহক জানান, গত তিন মাস ধরে তার বাড়িতে কোনো বিলের কাগজ আসেনি। অথচ হঠাৎ লাইনম্যান এসে তার বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। দিদার মিয়া নামের এক বাসিন্দা অভিযোগ করেন, দেড় ঘণ্টা পরপর বিদ্যুৎ যায়, আর আসে মাত্র ১০-১৫ মিনিটের জন্য। এতে পরীক্ষার্থীদের পড়াশোনার ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।

বিকাশ ব্যবসায়ীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘চুনারুঘাটে এখন বিদ্যুৎ যায় না, বরং মাঝে মাঝে আসে।’ তাদের অভিযোগ, বিদ্যুৎ না থাকলেও বিল আসে কয়েক গুণ বেশি।

এ বিষয়ে চুনারুঘাট পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. মনজুরুল আলম বলেন, ৩৩ কেভি গ্রিড লাইনে ত্রুটি ও সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। সমস্যা সমাধানে কাজ চলছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত