সংবাদ

আওয়ামী লীগ নেতার লাঠির আঘাতে বিএনপি নেতা খুন


প্রতিনিধি, মনোহরদী (নরসিংদী)
প্রতিনিধি, মনোহরদী (নরসিংদী)
প্রকাশ: ১ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৪৭ পিএম

আওয়ামী লীগ নেতার লাঠির আঘাতে বিএনপি নেতা খুন
ছবি : সংবাদ

নরসিংদীর মনোহরদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আওয়ামী লীগ নেতার লাঠির আঘাতে মিজান মিয়া (৪৫) নামে এক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা নিহত হয়েছেন। শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার বড়চাপা ইউনিয়নের বড়চাপা পূর্বপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মিজান মিয়া ওই গ্রামের সফুর উদ্দিনের ছেলে। তিনি বড়চাপা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি ছিলেন। অভিযুক্ত শহীদুল্লাহ (৬৫) একই এলাকার মৃত সুন্দর আলীর ছেলে এবং ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি। এ ঘটনায় শহীদুল্লাহর ছেলে জীবন মিয়াও অভিযুক্ত।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিজান ও শহীদুল্লাহর বাড়ির পাশের একটি রাস্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে একাধিকবার সালিশ হলেও কোনো সমাধান হয়নি। আজ দুপুরে ওই রাস্তার একটি গাছ কাটতে যান মিজান। এ সময় শহীদুল্লাহ ও তার ছেলে জীবন মিয়ার সঙ্গে মিজানের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে শহীদুল্লাহ ও জীবন লাঠি দিয়ে মিজানের মাথায় আঘাত করেন। এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) খন্দকার আনিসুর রহমান বলেন, দুপুরে মিজান নামের ওই ব্যক্তিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা বলেন, চাচা-ভাতিজার মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে এটি রাজনৈতিক কোনো সংঘাত নয়, পারিবারিক বিরোধের জের।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬


আওয়ামী লীগ নেতার লাঠির আঘাতে বিএনপি নেতা খুন

প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

নরসিংদীর মনোহরদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আওয়ামী লীগ নেতার লাঠির আঘাতে মিজান মিয়া (৪৫) নামে এক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা নিহত হয়েছেন। শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার বড়চাপা ইউনিয়নের বড়চাপা পূর্বপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মিজান মিয়া ওই গ্রামের সফুর উদ্দিনের ছেলে। তিনি বড়চাপা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি ছিলেন। অভিযুক্ত শহীদুল্লাহ (৬৫) একই এলাকার মৃত সুন্দর আলীর ছেলে এবং ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি। এ ঘটনায় শহীদুল্লাহর ছেলে জীবন মিয়াও অভিযুক্ত।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিজান ও শহীদুল্লাহর বাড়ির পাশের একটি রাস্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে একাধিকবার সালিশ হলেও কোনো সমাধান হয়নি। আজ দুপুরে ওই রাস্তার একটি গাছ কাটতে যান মিজান। এ সময় শহীদুল্লাহ ও তার ছেলে জীবন মিয়ার সঙ্গে মিজানের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে শহীদুল্লাহ ও জীবন লাঠি দিয়ে মিজানের মাথায় আঘাত করেন। এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) খন্দকার আনিসুর রহমান বলেন, দুপুরে মিজান নামের ওই ব্যক্তিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা বলেন, চাচা-ভাতিজার মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে এটি রাজনৈতিক কোনো সংঘাত নয়, পারিবারিক বিরোধের জের।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত