বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবনে ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিষ প্রয়োগে চিংড়ি শিকার ও শুঁটকি তৈরির একটি বড় আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়েছে বন বিভাগ। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সন্ধ্যায় চাঁদপাই রেঞ্জের চরাপুটিয়া এলাকার গভীর বনে অভিযান চালিয়ে তিনটি অবৈধ স্থাপনা ধ্বংস করা হয়। এ সময় বিপুল পরিমাণ শুঁটকি ও মাছ ধরার সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।
বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বনের ভেতরে আগুন জ্বালিয়ে শুঁটকি তৈরি করা হচ্ছে–এমন গোপন খবরের ভিত্তিতে চাঁদপাই রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) দ্বীপন চন্দ্র দাসের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়। বনরক্ষীরা চরাপুটিয়া টহল ফাঁড়ির আওতাধীন কাগা খাল, ইন্দুরকানী খাল ও হরমাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনটি অবৈধ শুঁটকির মাচা বা ‘টংঘর’ শনাক্ত করেন।
অভিযানে তিন বস্তা চিংড়ি শুঁটকি, পাঁচ বস্তা তাজা চিংড়ি, দুটি নৌকা, দুটি টুনা জাল, দুই লিটার কীটনাশক (বিষ) ও তিন বস্তা চালসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। এ সময় কাঁকড়া ধরার ৯৫টি অবৈধ চারু (বাঁশের তৈরি খাঁচা) এবং আরও একটি নৌকা উদ্ধার করা হয়। তবে বনরক্ষীদের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্তরা গভীর বনে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করীম চৌধুরী বলেন, বর্তমানে সুন্দরবনে মাছ ধরা ও পর্যটক প্রবেশে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা চলছে। এই সুযোগে কিছু অসাধু ব্যক্তি বনরক্ষীদের চোখ ফাঁকি দিয়ে দুর্গম এলাকায় বিষ প্রয়োগে চিংড়ি শিকার করে শুঁটকি তৈরি করছিল। বন অপরাধ দমনে টহল ও নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।
//

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জুলাই ২০২৬
বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবনে ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিষ প্রয়োগে চিংড়ি শিকার ও শুঁটকি তৈরির একটি বড় আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়েছে বন বিভাগ। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সন্ধ্যায় চাঁদপাই রেঞ্জের চরাপুটিয়া এলাকার গভীর বনে অভিযান চালিয়ে তিনটি অবৈধ স্থাপনা ধ্বংস করা হয়। এ সময় বিপুল পরিমাণ শুঁটকি ও মাছ ধরার সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।
বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বনের ভেতরে আগুন জ্বালিয়ে শুঁটকি তৈরি করা হচ্ছে–এমন গোপন খবরের ভিত্তিতে চাঁদপাই রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) দ্বীপন চন্দ্র দাসের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়। বনরক্ষীরা চরাপুটিয়া টহল ফাঁড়ির আওতাধীন কাগা খাল, ইন্দুরকানী খাল ও হরমাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনটি অবৈধ শুঁটকির মাচা বা ‘টংঘর’ শনাক্ত করেন।
অভিযানে তিন বস্তা চিংড়ি শুঁটকি, পাঁচ বস্তা তাজা চিংড়ি, দুটি নৌকা, দুটি টুনা জাল, দুই লিটার কীটনাশক (বিষ) ও তিন বস্তা চালসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। এ সময় কাঁকড়া ধরার ৯৫টি অবৈধ চারু (বাঁশের তৈরি খাঁচা) এবং আরও একটি নৌকা উদ্ধার করা হয়। তবে বনরক্ষীদের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্তরা গভীর বনে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করীম চৌধুরী বলেন, বর্তমানে সুন্দরবনে মাছ ধরা ও পর্যটক প্রবেশে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা চলছে। এই সুযোগে কিছু অসাধু ব্যক্তি বনরক্ষীদের চোখ ফাঁকি দিয়ে দুর্গম এলাকায় বিষ প্রয়োগে চিংড়ি শিকার করে শুঁটকি তৈরি করছিল। বন অপরাধ দমনে টহল ও নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।
//

আপনার মতামত লিখুন