যশোরের বেনাপোল ও শার্শা বাজারে কাঁচামরিচের দাম আবারও বেড়েছে। মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে কেজিতে ৩০-৪০ টাকা বেড়ে পণ্যটি এখন বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা দরে। বৃষ্টির কারণে সরবরাহ কমে যাওয়ার অজুহাতে অন্যান্য সবজির দামও চড়া। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
রোববার (২ আগস্ট) সকালে বেনাপোল ও শার্শার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ২৮০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দুই দিন আগেও এর দাম ছিল ২৫০ থেকে ২৭০ টাকা। শুধু কাঁচামরিচই নয়, বেগুনের কেজি ঠেকেছে ১৪০ থেকে ১৬০ টাকায়।
বাজারে উচ্ছে ১২০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা এবং কাঁকরোল, ওল, করলা, কচুর লতি ও শসা ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া পটল, চিচিঙ্গা, ঢ্যাঁড়স ও কচুর মুখি ৬০ টাকা এবং পেঁপে ৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হতে দেখা গেছে।
বিক্রেতাদের দাবি, টানা বৃষ্টিতে যশোর ও আশপাশের জেলাগুলোতে সবজির খেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। ফলে বাজারে আমদানি কমেছে। বেনাপোল বাজারের সবজি বিক্রেতা হারুন অর রশিদ বলেন, ‘আগে যেখানে ১০০-১৫০ কেজি সবজি আনতাম, এখন পাচ্ছি ৫০-৬০ কেজি। সরবরাহ কম থাকলে দাম তো বাড়বেই।’
তবে সাধারণ ক্রেতারা এই দাম বৃদ্ধিতে সিন্ডিকেটের কারসাজি দেখছেন। বড় আঁচড়া গ্রামের রাসেল হোসেন বলেন, ‘বৃষ্টির দোহাই দিয়ে সিন্ডিকেট চক্র দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। প্রশাসনের নিয়মিত তদারকি ছাড়া এই ভোগান্তি কমবে না।’
এদিকে পেঁয়াজের বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। গত সপ্তাহে ৬০ টাকা কেজি থাকলেও আজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। তবে আদা ও রসুনের দাম এখনো চড়া। মাছের বাজারেও আগের মতোই উত্তাপ। প্রতি কেজি ইলিশ মানভেদে ৭০০ থেকে ৪ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রুই-কাতলার কেজি ২৮০ থেকে ৩৫০ টাকা।
মাংসের বাজারে ব্রয়লার মুরগি ১৯০ থেকে ২০০ টাকা এবং গরুর মাংস ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চালের বাজারে স্বর্ণা ৫০-৫২ টাকা এবং মিনিকেট মানভেদে ৬৫ থেকে ৭৮ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।
আপনার মতামত লিখুন