সংবাদ

ডোপ টেস্টের খবরে লাপাত্তা চাঁদপুর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই


প্রতিনিধি, চাঁদপুর
প্রতিনিধি, চাঁদপুর
প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩০ পিএম

ডোপ টেস্টের খবরে লাপাত্তা চাঁদপুর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই
ছবি : সংবাদ

মাদক পরীক্ষার (ডোপ টেস্ট) উদ্যোগ নেওয়ার পর পরই কর্মস্থল ছেড়ে আত্মগোপনে গেছেন চাঁদপুর শহরের নতুন বাজার পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) মামুন উর রশিদ। সন্দেহজনক আচরণের কারণে তাকে ডোপ টেস্টের আওতায় আনার প্রক্রিয়া শুরু হলে গত ১৫ সেপ্টেম্বর তিনি ফাঁড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নতুন বাজার পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ১৮ জন সদস্যের মধ্যে এসআই মামুন উর রশিদের চলাফেরা ও আচরণ দীর্ঘদিন ধরে সন্দেহজনক মনে হচ্ছিল। পরবর্তীতে ফাঁড়ি কর্তৃপক্ষের অনুসন্ধানে উঠে আসে, তিনি নিয়মিত মাদক সেবন করতেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তাকে ডোপ টেস্ট করানোর সিদ্ধান্ত নেয়। তবে ডোপ টেস্টের খবর জানতে পেরেই তিনি ১৫ সেপ্টেম্বর কৌশলে ফাঁড়ি ত্যাগ করেন।

চাঁদপুরের পুলিশ সুপারের (এসপি) নির্দেশে তাকে খুঁজে বের করতে বেশ কয়েকবার তার বাসায় পুলিশ পাঠানো হলেও তার দেখা মেলেনি। বর্তমানে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ রয়েছে।

নতুন বাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পুলিশ পরিদর্শক) মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গত দুই দিন ধরে ওই কর্মকর্তার খোঁজে তার বাসায় লোক পাঠানো হচ্ছে, কিন্তু তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। মোবাইল বন্ধ থাকায় তার সঙ্গে যোগাযোগও সম্ভব হচ্ছে না।

পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ফাঁড়িতে কর্মরত বাকি সদস্যদের মধ্যে যাদেরই আচরণ সন্দেহজনক মনে হবে, তাদের পর্যায়ক্রমে ডোপ টেস্টের আওতায় আনা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ডোপ টেস্টের খবরে লাপাত্তা চাঁদপুর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই

প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

মাদক পরীক্ষার (ডোপ টেস্ট) উদ্যোগ নেওয়ার পর পরই কর্মস্থল ছেড়ে আত্মগোপনে গেছেন চাঁদপুর শহরের নতুন বাজার পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) মামুন উর রশিদ। সন্দেহজনক আচরণের কারণে তাকে ডোপ টেস্টের আওতায় আনার প্রক্রিয়া শুরু হলে গত ১৫ সেপ্টেম্বর তিনি ফাঁড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নতুন বাজার পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ১৮ জন সদস্যের মধ্যে এসআই মামুন উর রশিদের চলাফেরা ও আচরণ দীর্ঘদিন ধরে সন্দেহজনক মনে হচ্ছিল। পরবর্তীতে ফাঁড়ি কর্তৃপক্ষের অনুসন্ধানে উঠে আসে, তিনি নিয়মিত মাদক সেবন করতেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তাকে ডোপ টেস্ট করানোর সিদ্ধান্ত নেয়। তবে ডোপ টেস্টের খবর জানতে পেরেই তিনি ১৫ সেপ্টেম্বর কৌশলে ফাঁড়ি ত্যাগ করেন।

চাঁদপুরের পুলিশ সুপারের (এসপি) নির্দেশে তাকে খুঁজে বের করতে বেশ কয়েকবার তার বাসায় পুলিশ পাঠানো হলেও তার দেখা মেলেনি। বর্তমানে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ রয়েছে।

নতুন বাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পুলিশ পরিদর্শক) মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গত দুই দিন ধরে ওই কর্মকর্তার খোঁজে তার বাসায় লোক পাঠানো হচ্ছে, কিন্তু তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। মোবাইল বন্ধ থাকায় তার সঙ্গে যোগাযোগও সম্ভব হচ্ছে না।

পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ফাঁড়িতে কর্মরত বাকি সদস্যদের মধ্যে যাদেরই আচরণ সন্দেহজনক মনে হবে, তাদের পর্যায়ক্রমে ডোপ টেস্টের আওতায় আনা হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত