মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় একটি কলার আড়তে কলার ছড়ির ভেতর থেকে একটি খয়েরি ফণিমনসা সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় ব্যবসায়ীরা সাপটি দেখতে পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরে খবর পেয়ে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে সাপটি অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শ্রীমঙ্গলের একটি কলার আড়তে রাখা কলার ছড়ির ভেতর হঠাৎ সাপটি দেখতে পান সেখানে থাকা শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা। সাপটি দেখে তাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিষয়টি বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনকে জানানো হলে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক স্বপন দেব সজল ও পরিবেশকর্মী রাজদীপ দেব দীপ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
তারা সাপটি শনাক্ত করে জানান, এটি মৃদু বিষধর ‘খয়েরি ফণিমনসা’ সাপ। পরে সতর্কতার সঙ্গে এটি উদ্ধার করে শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং বন কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়।
বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন জানায়, স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে ফোন পেয়ে তাদের সদস্যরা শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা থেকে নিয়মিত সাপ উদ্ধার করছেন। শুধু গত আগস্ট মাসেই বিষধর সাপ ও বিশাল আকৃতির অজগরসহ মোট ১৭টি সাপ উদ্ধার করে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ফাউন্ডেশনের সংশ্লিষ্টদের মতে, দিন দিন বনাঞ্চল সংকুচিত হওয়ায় এবং খাদ্যের সন্ধানেই সাপ লোকালয়ে চলে আসছে, যার ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বাড়ছে।
বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, লোকালয়ে কোথাও সাপ দেখা গেলে আতঙ্কে সেটিকে না মেরে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে সংশ্লিষ্ট বন বিভাগ বা সাপ উদ্ধারকারী সংস্থাকে খবর দেওয়া উচিত। এতে মানুষের সুরক্ষার পাশাপাশি বন্যপ্রাণীও রক্ষা পাবে।

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় একটি কলার আড়তে কলার ছড়ির ভেতর থেকে একটি খয়েরি ফণিমনসা সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় ব্যবসায়ীরা সাপটি দেখতে পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরে খবর পেয়ে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে সাপটি অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শ্রীমঙ্গলের একটি কলার আড়তে রাখা কলার ছড়ির ভেতর হঠাৎ সাপটি দেখতে পান সেখানে থাকা শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা। সাপটি দেখে তাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিষয়টি বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনকে জানানো হলে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক স্বপন দেব সজল ও পরিবেশকর্মী রাজদীপ দেব দীপ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
তারা সাপটি শনাক্ত করে জানান, এটি মৃদু বিষধর ‘খয়েরি ফণিমনসা’ সাপ। পরে সতর্কতার সঙ্গে এটি উদ্ধার করে শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং বন কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়।
বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন জানায়, স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে ফোন পেয়ে তাদের সদস্যরা শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা থেকে নিয়মিত সাপ উদ্ধার করছেন। শুধু গত আগস্ট মাসেই বিষধর সাপ ও বিশাল আকৃতির অজগরসহ মোট ১৭টি সাপ উদ্ধার করে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ফাউন্ডেশনের সংশ্লিষ্টদের মতে, দিন দিন বনাঞ্চল সংকুচিত হওয়ায় এবং খাদ্যের সন্ধানেই সাপ লোকালয়ে চলে আসছে, যার ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বাড়ছে।
বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, লোকালয়ে কোথাও সাপ দেখা গেলে আতঙ্কে সেটিকে না মেরে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে সংশ্লিষ্ট বন বিভাগ বা সাপ উদ্ধারকারী সংস্থাকে খবর দেওয়া উচিত। এতে মানুষের সুরক্ষার পাশাপাশি বন্যপ্রাণীও রক্ষা পাবে।

আপনার মতামত লিখুন