গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ সড়ক দীর্ঘ এক যুগ ধরে সংস্কারহীন অবস্থায় পড়ে আছে। বজরার কঞ্চিবাড়ী থেকে সরকারপাড়া হয়ে চণ্ডীপুর বেলিডালা পর্যন্ত প্রায় চার কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কটি এখন ওই এলাকার কয়েক হাজার মানুষের জন্য চরম দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্ষায় হাঁটু সমান কাদা আর শুকনা মৌসুমে ধুলার কারণে সড়কটি দিয়ে চলাচল করা দায় হয়ে পড়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কটির বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দ। কোথাও কোথাও রাস্তার দুই পাশ ভেঙে সংকুচিত হয়ে গেছে। সামান্য বৃষ্টিতেই পিচ্ছিল হয়ে পড়ে পুরো পথ। এতে মোটরসাইকেল, ভ্যান ও অটোরিকশাসহ সব ধরনের যানবাহন চলাচলে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বজরার কঞ্চিবাড়ী, সরকারপাড়া ও চণ্ডীপুরসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ এই সড়ক দিয়ে উপজেলা সদর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও হাটে যাতায়াত করেন। কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত ধান, পাট ও সবজি এই পথেই বাজারে নিয়ে যান। কিন্তু ১০-১২ বছর ধরে কোনো স্থায়ী সংস্কার না হওয়ায় ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।
স্থানীয় কৃষক আবদুল জলিল আক্ষেপ করে বলেন, ‘এই রাস্তা দিয়ে আমাদের সব ফসল বাজারে নিতে হয়। বর্ষাকালে কোনো গাড়ি চলতে চায় না। অনেক সময় বেশি টাকা খরচ করে শ্রমিক দিয়ে ফসল বইতে হয়।’ একই সংকটের কথা জানালেন স্কুলছাত্রী মৌসুমী আক্তার। সে বলে, ‘বৃষ্টি হলেই স্কুলে যেতে খুব কষ্ট হয়। কাদায় জুতা ও পোশাক নষ্ট হয়ে যায়। অনেক সময় স্কুলে যাওয়াই বন্ধ হয়ে যায়।’
এলাকাবাসীর অভিযোগ, জনপ্রতিনিধিদের বারবার জানানো হলেও সড়কটি পাকা করার কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী বলেন, ‘সড়কটি পাকাকরণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।’
হাজারো মানুষের দুর্ভোগ লাঘব এবং স্থানীয় কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ করতে দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ সড়ক দীর্ঘ এক যুগ ধরে সংস্কারহীন অবস্থায় পড়ে আছে। বজরার কঞ্চিবাড়ী থেকে সরকারপাড়া হয়ে চণ্ডীপুর বেলিডালা পর্যন্ত প্রায় চার কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কটি এখন ওই এলাকার কয়েক হাজার মানুষের জন্য চরম দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্ষায় হাঁটু সমান কাদা আর শুকনা মৌসুমে ধুলার কারণে সড়কটি দিয়ে চলাচল করা দায় হয়ে পড়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কটির বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দ। কোথাও কোথাও রাস্তার দুই পাশ ভেঙে সংকুচিত হয়ে গেছে। সামান্য বৃষ্টিতেই পিচ্ছিল হয়ে পড়ে পুরো পথ। এতে মোটরসাইকেল, ভ্যান ও অটোরিকশাসহ সব ধরনের যানবাহন চলাচলে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বজরার কঞ্চিবাড়ী, সরকারপাড়া ও চণ্ডীপুরসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ এই সড়ক দিয়ে উপজেলা সদর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও হাটে যাতায়াত করেন। কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত ধান, পাট ও সবজি এই পথেই বাজারে নিয়ে যান। কিন্তু ১০-১২ বছর ধরে কোনো স্থায়ী সংস্কার না হওয়ায় ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।
স্থানীয় কৃষক আবদুল জলিল আক্ষেপ করে বলেন, ‘এই রাস্তা দিয়ে আমাদের সব ফসল বাজারে নিতে হয়। বর্ষাকালে কোনো গাড়ি চলতে চায় না। অনেক সময় বেশি টাকা খরচ করে শ্রমিক দিয়ে ফসল বইতে হয়।’ একই সংকটের কথা জানালেন স্কুলছাত্রী মৌসুমী আক্তার। সে বলে, ‘বৃষ্টি হলেই স্কুলে যেতে খুব কষ্ট হয়। কাদায় জুতা ও পোশাক নষ্ট হয়ে যায়। অনেক সময় স্কুলে যাওয়াই বন্ধ হয়ে যায়।’
এলাকাবাসীর অভিযোগ, জনপ্রতিনিধিদের বারবার জানানো হলেও সড়কটি পাকা করার কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী বলেন, ‘সড়কটি পাকাকরণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।’
হাজারো মানুষের দুর্ভোগ লাঘব এবং স্থানীয় কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ করতে দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন