দেশে ফিরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের কল্যাণ ও দেশের সার্বিক উন্নয়নে অবিচল নিষ্ঠা নিয়ে কাজ শুরু করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি
বলেন, নির্বাচনের পরও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিটি
কর্মকাণ্ডে জনগণের প্রতি গভীর দায়বদ্ধতা এবং
দেশকে এগিয়ে নেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় স্পষ্ট
হয়ে উঠেছে।
শনিবার
রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি
হলে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব)
৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা
বলেন।
চিকিৎসা
খাতের ভবিষ্যত রূপরেখা তুলে ধরে আগামী
পাঁচ বছরে এ খাতে
বরাদ্দ জিডিপির ২২ শতাংশে উন্নীত
করার আশাবাদ প্রকাশ করেন বিএনপি মহাসচিব।
তিনি বলেন, "সরকার জনগণের কল্যাণ ও দেশের উন্নয়নে
কাজ করছে। একটি উন্নত, মানবিক
ও সাম্যের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে
ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।"
সংগঠনের
অতীত অবদানের কথা স্মরণ করে
মির্জা ফখরুল বলেন, "ড্যাব প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিভিন্ন
প্রাকৃতিক দুর্যোগ, রাজনৈতিক আন্দোলন এবং দেশ গঠনের
নানা ক্ষেত্রে সদস্যরা অবদান রেখেছেন।"
বিশেষ
করে দুর্যোগের সময় জীবন ঝুঁকি
নিয়ে চিকিৎসাসেবা দেওয়া এবং রোহিঙ্গা সংকটের
সময়ে চিকিৎসকদের প্রশংসনীয় ভূমিকা স্মরণ করে তিনি সংশ্লিষ্টদের
ধন্যবাদ জানান।
এছাড়া
বিএনপির দীর্ঘ রাজনৈতিক আন্দোলনের রাজপথের সহযোদ্ধাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বিএনপি
চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিনের চিকিৎসায় নিয়োজিত ডাক্তারদের ধন্যবাদ জানান তিনি।
জাতীয়
ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, "দেশে যখনই স্থিতিশীলতা
ও উন্নয়নের পরিবেশ তৈরি হয়, তখনই
একটি মহল জাতীয় ও
আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে পরিস্থিতিকে পেছনের দিকে নিয়ে যাওয়ার
চেষ্টা করে।"
এ কারণে সমাজের শিক্ষিত ও সচেতন শ্রেণিকে
সাধারণ মানুষের মাঝে সঠিক বার্তা
পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।
বক্তব্যের
শেষভাগে 'সবার আগে বাংলাদেশ'
নীতিকে ধারণ করার গুরুত্ব
আরোপ করে মির্জা ফখরুল
ইসলাম আলমগীর বলেন, "তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা একটি নতুন
বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।
উন্নয়ন, মানবিকতা ও সাম্যের ভিত্তিতে
নতুন রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠায়
সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।"
অনুষ্ঠানে
প্রধানমন্ত্রী, চিকিৎসক নেতা, মন্ত্রী এবং ড্যাবের বিভিন্ন
পর্যায়ের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬
দেশে ফিরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের কল্যাণ ও দেশের সার্বিক উন্নয়নে অবিচল নিষ্ঠা নিয়ে কাজ শুরু করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি
বলেন, নির্বাচনের পরও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিটি
কর্মকাণ্ডে জনগণের প্রতি গভীর দায়বদ্ধতা এবং
দেশকে এগিয়ে নেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় স্পষ্ট
হয়ে উঠেছে।
শনিবার
রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি
হলে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব)
৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা
বলেন।
চিকিৎসা
খাতের ভবিষ্যত রূপরেখা তুলে ধরে আগামী
পাঁচ বছরে এ খাতে
বরাদ্দ জিডিপির ২২ শতাংশে উন্নীত
করার আশাবাদ প্রকাশ করেন বিএনপি মহাসচিব।
তিনি বলেন, "সরকার জনগণের কল্যাণ ও দেশের উন্নয়নে
কাজ করছে। একটি উন্নত, মানবিক
ও সাম্যের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে
ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।"
সংগঠনের
অতীত অবদানের কথা স্মরণ করে
মির্জা ফখরুল বলেন, "ড্যাব প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিভিন্ন
প্রাকৃতিক দুর্যোগ, রাজনৈতিক আন্দোলন এবং দেশ গঠনের
নানা ক্ষেত্রে সদস্যরা অবদান রেখেছেন।"
বিশেষ
করে দুর্যোগের সময় জীবন ঝুঁকি
নিয়ে চিকিৎসাসেবা দেওয়া এবং রোহিঙ্গা সংকটের
সময়ে চিকিৎসকদের প্রশংসনীয় ভূমিকা স্মরণ করে তিনি সংশ্লিষ্টদের
ধন্যবাদ জানান।
এছাড়া
বিএনপির দীর্ঘ রাজনৈতিক আন্দোলনের রাজপথের সহযোদ্ধাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বিএনপি
চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিনের চিকিৎসায় নিয়োজিত ডাক্তারদের ধন্যবাদ জানান তিনি।
জাতীয়
ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, "দেশে যখনই স্থিতিশীলতা
ও উন্নয়নের পরিবেশ তৈরি হয়, তখনই
একটি মহল জাতীয় ও
আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে পরিস্থিতিকে পেছনের দিকে নিয়ে যাওয়ার
চেষ্টা করে।"
এ কারণে সমাজের শিক্ষিত ও সচেতন শ্রেণিকে
সাধারণ মানুষের মাঝে সঠিক বার্তা
পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।
বক্তব্যের
শেষভাগে 'সবার আগে বাংলাদেশ'
নীতিকে ধারণ করার গুরুত্ব
আরোপ করে মির্জা ফখরুল
ইসলাম আলমগীর বলেন, "তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা একটি নতুন
বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।
উন্নয়ন, মানবিকতা ও সাম্যের ভিত্তিতে
নতুন রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠায়
সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।"
অনুষ্ঠানে
প্রধানমন্ত্রী, চিকিৎসক নেতা, মন্ত্রী এবং ড্যাবের বিভিন্ন
পর্যায়ের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন