ওয়ান ইলেভেন সরকারের সময়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ডিজিএফআই সদর দপ্তরে থাকা জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টারের (জেআইসি) কোনো একটি সেলে বন্দি রেখে পৈশাচিক নির্যাতন করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
তিনি স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেন, "আমরা চাইবো ভবিষ্যতে আর কেউ যেন বিনা বিচারে বন্দি না থাকেন। কাউকে যেন এমন করে বিনা বিচারে আটক না রাখা হয়, সরকারের কাছে আমার এই দাবি।"
শনিবার রাজধানীর ডিজিএফআই সদর দপ্তরে অবস্থিত জেআইসি সেল নামক বিতর্কিত গোপন বন্দিশালা বা ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে চিফ প্রসিকিউটর এই মন্তব্য করেন।
পরিদর্শন শেষে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "বিগত সরকার শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একটি অমানবিক রাষ্ট্র কায়েম করেছিল। সরকারের অসৎ উদ্দেশ্যে ‘আয়নাঘর’ নামের এই টর্চার সেল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। ভিন্নমতের অনেক ব্যক্তিকে মাসের পর মাস, বছরের পর বছর এসব টর্চার সেলে আটকে রাখা হয়।"
ওয়ান ইলেভেনের সময়ের স্মৃতিকথা টেনে তিনি মনে করিয়ে দেন, "ওয়ান ইলেভেনের সময়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জেআইসি সেলে বন্দি রেখে নির্যাতন করা হয়েছিল।"
এই মধ্যযুগীয় নির্যাতনের পেছনে দায়ীদের বিচারে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে আমিনুল ইসলাম বলেন, "এসব টর্চার সেলের সঙ্গে যারা জড়িত ছিল, তাদের বিচারের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ঘটনায় আরও যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে, তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।"
তবে তদন্তকাজ ব্যাহত করার চেষ্টার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, "৫ আগস্টের পর জেআইসি সেলের অনেক আলামত নষ্ট করা হয়েছে। বিভিন্ন জায়গা দেওয়াল দিয়ে ঢেকে ফেলা হয়েছে এবং অসংখ্য তথ্য-প্রমাণ নষ্ট করা হয়েছে।"
আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই এই পরিদর্শন উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর আরও বলেন, "যে কোনো বিচারকের ঘটনাস্থল পরিদর্শনের আইনগত বৈধতা রয়েছে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই পরিদর্শন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।"
একই সাথে জেআইসি পরিদর্শনের সার্বিক বিষয় তুলে ধরে তিনি জানান, ঘটনাস্থলের বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ এবং সেখানে থাকা আলামত ও তথ্য-প্রমাণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা নেওয়া ন্যায়বিচারের স্বার্থে অত্যন্ত জরুরি।

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬
ওয়ান ইলেভেন সরকারের সময়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ডিজিএফআই সদর দপ্তরে থাকা জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টারের (জেআইসি) কোনো একটি সেলে বন্দি রেখে পৈশাচিক নির্যাতন করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
তিনি স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেন, "আমরা চাইবো ভবিষ্যতে আর কেউ যেন বিনা বিচারে বন্দি না থাকেন। কাউকে যেন এমন করে বিনা বিচারে আটক না রাখা হয়, সরকারের কাছে আমার এই দাবি।"
শনিবার রাজধানীর ডিজিএফআই সদর দপ্তরে অবস্থিত জেআইসি সেল নামক বিতর্কিত গোপন বন্দিশালা বা ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে চিফ প্রসিকিউটর এই মন্তব্য করেন।
পরিদর্শন শেষে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "বিগত সরকার শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একটি অমানবিক রাষ্ট্র কায়েম করেছিল। সরকারের অসৎ উদ্দেশ্যে ‘আয়নাঘর’ নামের এই টর্চার সেল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। ভিন্নমতের অনেক ব্যক্তিকে মাসের পর মাস, বছরের পর বছর এসব টর্চার সেলে আটকে রাখা হয়।"
ওয়ান ইলেভেনের সময়ের স্মৃতিকথা টেনে তিনি মনে করিয়ে দেন, "ওয়ান ইলেভেনের সময়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জেআইসি সেলে বন্দি রেখে নির্যাতন করা হয়েছিল।"
এই মধ্যযুগীয় নির্যাতনের পেছনে দায়ীদের বিচারে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে আমিনুল ইসলাম বলেন, "এসব টর্চার সেলের সঙ্গে যারা জড়িত ছিল, তাদের বিচারের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ঘটনায় আরও যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে, তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।"
তবে তদন্তকাজ ব্যাহত করার চেষ্টার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, "৫ আগস্টের পর জেআইসি সেলের অনেক আলামত নষ্ট করা হয়েছে। বিভিন্ন জায়গা দেওয়াল দিয়ে ঢেকে ফেলা হয়েছে এবং অসংখ্য তথ্য-প্রমাণ নষ্ট করা হয়েছে।"
আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই এই পরিদর্শন উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর আরও বলেন, "যে কোনো বিচারকের ঘটনাস্থল পরিদর্শনের আইনগত বৈধতা রয়েছে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই পরিদর্শন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।"
একই সাথে জেআইসি পরিদর্শনের সার্বিক বিষয় তুলে ধরে তিনি জানান, ঘটনাস্থলের বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ এবং সেখানে থাকা আলামত ও তথ্য-প্রমাণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা নেওয়া ন্যায়বিচারের স্বার্থে অত্যন্ত জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন