সংবাদ

শিগগিরই রূপপুর থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে : প্রযুক্তি মন্ত্রী


জেলা বার্তা পরিবেশক, গাজীপুর
জেলা বার্তা পরিবেশক, গাজীপুর
প্রকাশ: ৮ আগস্ট ২০২৬, ০৮:১৮ পিএম

শিগগিরই রূপপুর থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে : প্রযুক্তি মন্ত্রী

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে তরুণ প্রজন্মকেই নেতৃত্ব দিতে হবে। দেশের মেধাবী তরুণদের হাত ধরেই প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। একই সঙ্গে তিনি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে শিগগিরই ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে গাজীপুরের কালিয়াকৈর হাই-টেক পার্কে ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, বাংলাদেশ (ইউএফটিবি) আয়োজিত জাতীয় রোবোটিক্স উৎসব ‘রোবোফিউশন ১.০’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের অগ্রগতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এটি একটি অত্যন্ত বড় ও সমন্বিত প্রকল্প। আমাদের বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী ও ঠিকাদারসহ সংশ্লিষ্ট সবাই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। সব প্রক্রিয়া শেষ করে যত দ্রুত সম্ভব আমরা রূপপুর থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করতে পারব।

দেশের মেধাবী তরুণদের বিদেশমুখী হওয়া বা ‘ব্রেইন ড্রেন’ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আর ব্রেইন ড্রেন দেখতে চাই না। বরং যারা মেধাবী বিদেশে রয়েছেন, তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে দেশের উন্নয়ন ও প্রযুক্তিগত অগ্রযাত্রায় সম্পৃক্ত করতে চাই। তরুণদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে আমাদের প্রযুক্তিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে হবে।’

ইউএফটিবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মোক্তার আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মজিবুর রহমান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঁইয়া।

দিনব্যাপী আয়োজিত এই রোবোটিক্স উৎসবে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ১৬৬টি দলের সাড়ে পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন। প্রতিযোগিতায় লাইন ফলোয়িং রোবট, রোবো সকার, টেকাথন, প্রজেক্ট শোকেস ও বোট রেসিং-এই পাঁচটি বিভাগে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ক্ষমতা প্রদর্শন করেন।

আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের মধ্যে আধুনিক প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশ ঘটাতেই এ উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। এই ধরনের প্রতিযোগিতা দক্ষ ও প্রযুক্তি নির্ভর মানবসম্পদ তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬


শিগগিরই রূপপুর থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে : প্রযুক্তি মন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে তরুণ প্রজন্মকেই নেতৃত্ব দিতে হবে। দেশের মেধাবী তরুণদের হাত ধরেই প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। একই সঙ্গে তিনি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে শিগগিরই ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে গাজীপুরের কালিয়াকৈর হাই-টেক পার্কে ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, বাংলাদেশ (ইউএফটিবি) আয়োজিত জাতীয় রোবোটিক্স উৎসব ‘রোবোফিউশন ১.০’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের অগ্রগতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এটি একটি অত্যন্ত বড় ও সমন্বিত প্রকল্প। আমাদের বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী ও ঠিকাদারসহ সংশ্লিষ্ট সবাই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। সব প্রক্রিয়া শেষ করে যত দ্রুত সম্ভব আমরা রূপপুর থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করতে পারব।

দেশের মেধাবী তরুণদের বিদেশমুখী হওয়া বা ‘ব্রেইন ড্রেন’ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আর ব্রেইন ড্রেন দেখতে চাই না। বরং যারা মেধাবী বিদেশে রয়েছেন, তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে দেশের উন্নয়ন ও প্রযুক্তিগত অগ্রযাত্রায় সম্পৃক্ত করতে চাই। তরুণদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে আমাদের প্রযুক্তিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে হবে।’

ইউএফটিবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মোক্তার আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মজিবুর রহমান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঁইয়া।

দিনব্যাপী আয়োজিত এই রোবোটিক্স উৎসবে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ১৬৬টি দলের সাড়ে পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন। প্রতিযোগিতায় লাইন ফলোয়িং রোবট, রোবো সকার, টেকাথন, প্রজেক্ট শোকেস ও বোট রেসিং-এই পাঁচটি বিভাগে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ক্ষমতা প্রদর্শন করেন।

আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের মধ্যে আধুনিক প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশ ঘটাতেই এ উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। এই ধরনের প্রতিযোগিতা দক্ষ ও প্রযুক্তি নির্ভর মানবসম্পদ তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত