অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয়ে বাংলাদেশ দল যখন ভাসছে আনন্দের জোয়ারে, তখন ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখছেন লিটন দাস। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে নিজের প্রথম দ্বিপাক্ষিক টেস্ট সিরিজে ব্যাট হাতে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিলেন এই স্টাইলিশ ব্যাটার। সিরিজের দুই টেস্টের তিন ইনিংসে মোট ২৭টি বল মোকাবিলা করলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি তিনি। তিনবারই তার ঘাতক ছিলেন অজি পেসার মিশেল স্টার্ক।
ম্যাকাই টেস্টে দ্বিতীয় ইনিংসে ১৪৬ রানে পিছিয়ে থেকে যখন দলের বড় ইনিংস প্রয়োজন ছিল, তখন ১০ বল খেলে শূন্য হাতে ফেরেন লিটন। স্টার্কের অফ স্টাম্পের বাইরের একটি ডেলিভারিতে ব্যাট ছুঁইয়ে স্লিপে ক্যাচ দেন তিনি। এর আগে এই টেস্টেরই প্রথম ইনিংসে ৫ বল খেলে স্টার্কের ভেতরে ঢোকা বলে এলবিডব্লিউ হয়েছিলেন তিনি।
লিটনের এই ‘ডাক’ বা শূন্যের হ্যাটট্রিক শুরু হয়েছিল ডারউইনের প্রথম টেস্টে। সেখানে ১২ বল খেলে স্টার্কের শিকার হয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন তিনি। সব মিলিয়ে এই সফরে ৩ ইনিংসে ২৭ বল খেলেও কোনো রান যোগ করতে পারেননি লিটন। অথচ এই সিরিজের ঠিক আগেই পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে ১২৬ ও ৬৯ রানের দুটি দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছিলেন তিনি।
পরিসংখ্যান বলছে, এই সফরের আগে ক্যারিয়ারের ৯৪টি টেস্ট ইনিংসে লিটন মাত্র দুইবার শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার এক সপ্তাহেই সেই সংখ্যাটি বেড়ে দাঁড়াল পাঁচে। স্টার্কের গতি আর সুইংয়ের সামনে লিটনের পায়ের নড়াচড়া ও শট নির্বাচনে যে দুর্বলতা দেখা গেছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে ক্রিকেট মহলে। ডারউইনের জয় লিটনের ব্যর্থতা আড়াল করলেও ম্যাকে টেস্টের পারফরম্যান্স তাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দিল।
/

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয়ে বাংলাদেশ দল যখন ভাসছে আনন্দের জোয়ারে, তখন ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখছেন লিটন দাস। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে নিজের প্রথম দ্বিপাক্ষিক টেস্ট সিরিজে ব্যাট হাতে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিলেন এই স্টাইলিশ ব্যাটার। সিরিজের দুই টেস্টের তিন ইনিংসে মোট ২৭টি বল মোকাবিলা করলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি তিনি। তিনবারই তার ঘাতক ছিলেন অজি পেসার মিশেল স্টার্ক।
ম্যাকাই টেস্টে দ্বিতীয় ইনিংসে ১৪৬ রানে পিছিয়ে থেকে যখন দলের বড় ইনিংস প্রয়োজন ছিল, তখন ১০ বল খেলে শূন্য হাতে ফেরেন লিটন। স্টার্কের অফ স্টাম্পের বাইরের একটি ডেলিভারিতে ব্যাট ছুঁইয়ে স্লিপে ক্যাচ দেন তিনি। এর আগে এই টেস্টেরই প্রথম ইনিংসে ৫ বল খেলে স্টার্কের ভেতরে ঢোকা বলে এলবিডব্লিউ হয়েছিলেন তিনি।
লিটনের এই ‘ডাক’ বা শূন্যের হ্যাটট্রিক শুরু হয়েছিল ডারউইনের প্রথম টেস্টে। সেখানে ১২ বল খেলে স্টার্কের শিকার হয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন তিনি। সব মিলিয়ে এই সফরে ৩ ইনিংসে ২৭ বল খেলেও কোনো রান যোগ করতে পারেননি লিটন। অথচ এই সিরিজের ঠিক আগেই পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে ১২৬ ও ৬৯ রানের দুটি দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছিলেন তিনি।
পরিসংখ্যান বলছে, এই সফরের আগে ক্যারিয়ারের ৯৪টি টেস্ট ইনিংসে লিটন মাত্র দুইবার শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার এক সপ্তাহেই সেই সংখ্যাটি বেড়ে দাঁড়াল পাঁচে। স্টার্কের গতি আর সুইংয়ের সামনে লিটনের পায়ের নড়াচড়া ও শট নির্বাচনে যে দুর্বলতা দেখা গেছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে ক্রিকেট মহলে। ডারউইনের জয় লিটনের ব্যর্থতা আড়াল করলেও ম্যাকে টেস্টের পারফরম্যান্স তাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দিল।
/

আপনার মতামত লিখুন