জামালপুরের রশিদপুরে প্রায় ২০ বছর আগে এক গৃহবধূকে গণধর্ষণের দায়ে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) এক সদস্যসহ তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামিই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন–সদর উপজেলার রশিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. ছাত্তার আলী, মো. আব্দুল মালেক ও মো. আনু।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৪ সালের ১৯ অক্টোবর রাতে রশিদপুর ভাটিপাড়া এলাকায় নিজ ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন ওই নারী। রাত ১১টার দিকে আসামিরা তাকে ঘর থেকে ডেকে তুলে মুখে গামছা বেঁধে বাড়ির পাশের একটি বাঁশঝাড়ে নিয়ে যান। সেখানে তারা ওই নারীকে পালাক্রমে গণধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক জানান, দীর্ঘ শুনানি ও ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। আদালত তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করেছেন। জরিমানার এই টাকা আদায় করে ভুক্তভোগীকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দীর্ঘ দুই দশক পর পাওয়া এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষ ও ভুক্তভোগীর পরিবার।
\

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
জামালপুরের রশিদপুরে প্রায় ২০ বছর আগে এক গৃহবধূকে গণধর্ষণের দায়ে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) এক সদস্যসহ তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামিই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন–সদর উপজেলার রশিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. ছাত্তার আলী, মো. আব্দুল মালেক ও মো. আনু।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৪ সালের ১৯ অক্টোবর রাতে রশিদপুর ভাটিপাড়া এলাকায় নিজ ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন ওই নারী। রাত ১১টার দিকে আসামিরা তাকে ঘর থেকে ডেকে তুলে মুখে গামছা বেঁধে বাড়ির পাশের একটি বাঁশঝাড়ে নিয়ে যান। সেখানে তারা ওই নারীকে পালাক্রমে গণধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক জানান, দীর্ঘ শুনানি ও ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। আদালত তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করেছেন। জরিমানার এই টাকা আদায় করে ভুক্তভোগীকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দীর্ঘ দুই দশক পর পাওয়া এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষ ও ভুক্তভোগীর পরিবার।
\

আপনার মতামত লিখুন