মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে সৌদি আরব ও তুরস্ক অত্যন্ত ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছে এবং এই জোটে যুক্ত হওয়া নিয়ে ঢাকা কোনো ধরনের ঝুঁকি দেখছে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
রবিবার
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে
সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এই কথা বলেন।
জোটে বাংলাদেশের যুক্ত হওয়ার কোনো ঝুঁকি রয়েছে
কি না এমন এক
প্রশ্নের জবাবে তিনি অত্যন্ত খোলামেলাভাবে
মন্তব্য করে বলেন, বাঁচার
আগে মরার চিন্তা করলে
সমস্যা।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার
বিকেলে জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে একটি সম্পূরক প্রশ্নের
জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, বাংলাদেশের মক্কা প্যাক্টে যোগ দেওয়ার বিষয়টি
সম্পূর্ণভাবে চুক্তিভুক্ত সদস্যদেশগুলোর অভিপ্রায়ের ওপর নির্ভর করছে।
তারা যদি বাংলাদেশকে এই
চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে নিজেদের
অভিপ্রায় প্রকাশ করে, তবে বাংলাদেশ
নিশ্চয়ই বিষয়টিকে অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী
আরও উল্লেখ করেন, মক্কা চুক্তি মূলত বিশ্বের মুসলিম
সমাজের আত্মরক্ষার একটি কার্যকর ব্যবস্থা।
পাকিস্তান, সৌদি আরব ও
তুরস্কের মধ্যে গত ৭ আগস্ট
থেকে কার্যকর হওয়া এই প্রতিরক্ষা
চুক্তি অনুযায়ী, কোনো একটি সদস্য
রাষ্ট্রের ওপর সশস্ত্র আক্রমণ
পরিচালিত হলে তা বাকি
সব দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে
গণ্য করা হবে।
চুক্তিটি
যেহেতু মুসলিম বিশ্বের অভ্যন্তরীণ বিষয়, তাই এটি নিয়ে
বাইরের কারও উদ্বেগের কোনো
অবকাশ নেই বলেও জানান
তিনি।
এদিকে
ব্রিফিংয়ে অন্যান্য প্রসঙ্গের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার
দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নতুন দিগন্ত নিয়ে
কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
হুমায়ুন কবির।
রবিবার
ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও
ওয়েন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গিয়ে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে
এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। ওই বৈঠকে চীনের
সঙ্গে বাংলাদেশের বর্তমান সম্পর্ককে সর্বোচ্চ পর্যায়ের কৌশলগত হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
তারই
ধারাবাহিকতায় খুব শীঘ্রই দুই
দেশের মধ্যে একটি আনুষ্ঠানিক প্রতিরক্ষা
সংলাপ শুরু হতে যাচ্ছে
বলে নিশ্চিত করেছেন প্রতিমন্ত্রী, যদিও এর সুনির্দিষ্ট
দিনক্ষণ এখনো চূড়ান্ত করা
হয়নি।

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে সৌদি আরব ও তুরস্ক অত্যন্ত ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছে এবং এই জোটে যুক্ত হওয়া নিয়ে ঢাকা কোনো ধরনের ঝুঁকি দেখছে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
রবিবার
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে
সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এই কথা বলেন।
জোটে বাংলাদেশের যুক্ত হওয়ার কোনো ঝুঁকি রয়েছে
কি না এমন এক
প্রশ্নের জবাবে তিনি অত্যন্ত খোলামেলাভাবে
মন্তব্য করে বলেন, বাঁচার
আগে মরার চিন্তা করলে
সমস্যা।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার
বিকেলে জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে একটি সম্পূরক প্রশ্নের
জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, বাংলাদেশের মক্কা প্যাক্টে যোগ দেওয়ার বিষয়টি
সম্পূর্ণভাবে চুক্তিভুক্ত সদস্যদেশগুলোর অভিপ্রায়ের ওপর নির্ভর করছে।
তারা যদি বাংলাদেশকে এই
চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে নিজেদের
অভিপ্রায় প্রকাশ করে, তবে বাংলাদেশ
নিশ্চয়ই বিষয়টিকে অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী
আরও উল্লেখ করেন, মক্কা চুক্তি মূলত বিশ্বের মুসলিম
সমাজের আত্মরক্ষার একটি কার্যকর ব্যবস্থা।
পাকিস্তান, সৌদি আরব ও
তুরস্কের মধ্যে গত ৭ আগস্ট
থেকে কার্যকর হওয়া এই প্রতিরক্ষা
চুক্তি অনুযায়ী, কোনো একটি সদস্য
রাষ্ট্রের ওপর সশস্ত্র আক্রমণ
পরিচালিত হলে তা বাকি
সব দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে
গণ্য করা হবে।
চুক্তিটি
যেহেতু মুসলিম বিশ্বের অভ্যন্তরীণ বিষয়, তাই এটি নিয়ে
বাইরের কারও উদ্বেগের কোনো
অবকাশ নেই বলেও জানান
তিনি।
এদিকে
ব্রিফিংয়ে অন্যান্য প্রসঙ্গের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার
দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নতুন দিগন্ত নিয়ে
কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
হুমায়ুন কবির।
রবিবার
ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও
ওয়েন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গিয়ে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে
এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। ওই বৈঠকে চীনের
সঙ্গে বাংলাদেশের বর্তমান সম্পর্ককে সর্বোচ্চ পর্যায়ের কৌশলগত হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
তারই
ধারাবাহিকতায় খুব শীঘ্রই দুই
দেশের মধ্যে একটি আনুষ্ঠানিক প্রতিরক্ষা
সংলাপ শুরু হতে যাচ্ছে
বলে নিশ্চিত করেছেন প্রতিমন্ত্রী, যদিও এর সুনির্দিষ্ট
দিনক্ষণ এখনো চূড়ান্ত করা
হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন