ফরিদপুরের বোয়ালমারী ও সালথা উপজেলার সীমান্তবর্তী ঐতিহ্যবাহী ময়েনদিয়া বাজারের নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে। শনিবারের (২৯ আগস্ট) উত্তেজনার জেরে রোববার (৩০ আগস্ট) বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত সাড়ে সাত ঘণ্টা ধরে চলে এই তাণ্ডব। ধুলজোড়া ব্রিজ এলাকায় এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
আহতদের মধ্যে কবির মোল্লা, কামরুল মোল্লা ও লোকমান মোল্লাসহ গুরুতর কয়েকজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষের পর থেকে পুরো বাজার ও আশপাশের এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই ময়েনদিয়া বাজারের দখল নিয়ে পরমেশ্বরদী ইউনিয়নের বরখাস্ত হওয়া চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মাতুব্বর এবং পার্শ্ববর্তী সালথা উপজেলার খাড়দিয়া গ্রামের বিএনপি নেতা মুশফিক বিল্লাহ জিহাদের সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ শুরু হয়। গত শুক্রবার ময়েনদিয়া দাইপাড়া এলাকায় একটি দোকানে হামলা এবং শনিবার এক ইলেকট্রনিকস ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। ওই সময় যুবদল নেতা সোলায়মান ও বিএনপি নেতা মুশফিক বিল্লাহ জিহাদ হামলার শিকার হয়ে আহত হন।
শনিবারের এই ঘটনার জেরে রোববার বিকেল ৪টা থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ধুলজোড়া ব্রিজ এলাকায় দুই পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই রণক্ষেত্রে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোস্তাফিজুর রহমান সোমবার (৩১ আগস্ট) জানান, এই সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ইতোমধ্যে দুইজনকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে ওই এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ ঘটনায় মামলা ও আইনি প্রক্রিয়া চলমান আছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
ফরিদপুরের বোয়ালমারী ও সালথা উপজেলার সীমান্তবর্তী ঐতিহ্যবাহী ময়েনদিয়া বাজারের নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে। শনিবারের (২৯ আগস্ট) উত্তেজনার জেরে রোববার (৩০ আগস্ট) বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত সাড়ে সাত ঘণ্টা ধরে চলে এই তাণ্ডব। ধুলজোড়া ব্রিজ এলাকায় এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
আহতদের মধ্যে কবির মোল্লা, কামরুল মোল্লা ও লোকমান মোল্লাসহ গুরুতর কয়েকজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষের পর থেকে পুরো বাজার ও আশপাশের এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই ময়েনদিয়া বাজারের দখল নিয়ে পরমেশ্বরদী ইউনিয়নের বরখাস্ত হওয়া চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মাতুব্বর এবং পার্শ্ববর্তী সালথা উপজেলার খাড়দিয়া গ্রামের বিএনপি নেতা মুশফিক বিল্লাহ জিহাদের সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ শুরু হয়। গত শুক্রবার ময়েনদিয়া দাইপাড়া এলাকায় একটি দোকানে হামলা এবং শনিবার এক ইলেকট্রনিকস ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। ওই সময় যুবদল নেতা সোলায়মান ও বিএনপি নেতা মুশফিক বিল্লাহ জিহাদ হামলার শিকার হয়ে আহত হন।
শনিবারের এই ঘটনার জেরে রোববার বিকেল ৪টা থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ধুলজোড়া ব্রিজ এলাকায় দুই পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই রণক্ষেত্রে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোস্তাফিজুর রহমান সোমবার (৩১ আগস্ট) জানান, এই সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ইতোমধ্যে দুইজনকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে ওই এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ ঘটনায় মামলা ও আইনি প্রক্রিয়া চলমান আছে।

আপনার মতামত লিখুন