সংবাদ

লোডশেডিং: দেড় থেকে দুই হাজার মেগাওয়াট ঘাটতির আশঙ্কা


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৩১ আগস্ট ২০২৬, ০৪:২৪ পিএম

লোডশেডিং: দেড় থেকে দুই হাজার মেগাওয়াট ঘাটতির আশঙ্কা

দেশের বিদ্যুৎ খাতে সংকট কাটছে না। সোমবার বিকেল চারটার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে দেড় হাজার থেকে দুই হাজার মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিং হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য বিশ্লেষণ করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের এই ঘাটতির চিত্র উঠে এসেছে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবার বিকেল চারটায় দেশে বিদ্যুতের মোট চাহিদা ধরা হয়েছে ১৫ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে ১৩ হাজার ৬৪০ মেগাওয়াট। এর ফলে ওই সময়ে হাজার ৯৬৭ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হতে পারে।

এরপর বিকেল পাঁচটায় চাহিদা ১৫ হাজার ৪৬০ মেগাওয়াট এবং উৎপাদন ১৩ হাজার ৭২০ মেগাওয়াট ধরে হাজার ৬৬২ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস রয়েছে। তবে সন্ধ্যা ছয়টায় বিদ্যুতের চাহিদা কিছুটা কমে ১৫ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট হতে পারে এবং উৎপাদন ১৪ হাজার ২২০ মেগাওয়াট ধরে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ কমে হাজার ৫১ মেগাওয়াটে নামতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার পর থেকে বিদ্যুতের ঘাটতি আবারও বাড়তে শুরু করবে। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় হাজার ৯৩ মেগাওয়াট, সন্ধ্যা সাতটায় হাজার ১২৭ মেগাওয়াট এবং সাড়ে সাতটায় হাজার ৬৩৩ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে।

রাতের দিকে চিত্র আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। রাত আটটায় বিদ্যুতের চাহিদা একলাফে ১৭ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটে উঠতে পারে এবং উৎপাদনের পূর্বাভাস রয়েছে ১৫ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট। এতে সে সময় হাজার ৬২৩ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে।

এছাড়া রাত নয়টায় হাজার ৬৫২ মেগাওয়াট, রাত দশটায় হাজার ৬৮১ মেগাওয়াট এবং রাত ১১টায় হাজার ৮৬২ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। সার্বিকভাবে বিকেল চারটা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত কোনো সময়েই লোডশেডিং পুরোপুরি বন্ধ থাকার কোনো সম্ভাবনা নেই।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬


লোডশেডিং: দেড় থেকে দুই হাজার মেগাওয়াট ঘাটতির আশঙ্কা

প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

দেশের বিদ্যুৎ খাতে সংকট কাটছে না। সোমবার বিকেল চারটার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে দেড় হাজার থেকে দুই হাজার মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিং হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য বিশ্লেষণ করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের এই ঘাটতির চিত্র উঠে এসেছে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবার বিকেল চারটায় দেশে বিদ্যুতের মোট চাহিদা ধরা হয়েছে ১৫ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে ১৩ হাজার ৬৪০ মেগাওয়াট। এর ফলে ওই সময়ে হাজার ৯৬৭ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হতে পারে।

এরপর বিকেল পাঁচটায় চাহিদা ১৫ হাজার ৪৬০ মেগাওয়াট এবং উৎপাদন ১৩ হাজার ৭২০ মেগাওয়াট ধরে হাজার ৬৬২ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস রয়েছে। তবে সন্ধ্যা ছয়টায় বিদ্যুতের চাহিদা কিছুটা কমে ১৫ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট হতে পারে এবং উৎপাদন ১৪ হাজার ২২০ মেগাওয়াট ধরে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ কমে হাজার ৫১ মেগাওয়াটে নামতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার পর থেকে বিদ্যুতের ঘাটতি আবারও বাড়তে শুরু করবে। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় হাজার ৯৩ মেগাওয়াট, সন্ধ্যা সাতটায় হাজার ১২৭ মেগাওয়াট এবং সাড়ে সাতটায় হাজার ৬৩৩ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে।

রাতের দিকে চিত্র আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। রাত আটটায় বিদ্যুতের চাহিদা একলাফে ১৭ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটে উঠতে পারে এবং উৎপাদনের পূর্বাভাস রয়েছে ১৫ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট। এতে সে সময় হাজার ৬২৩ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে।

এছাড়া রাত নয়টায় হাজার ৬৫২ মেগাওয়াট, রাত দশটায় হাজার ৬৮১ মেগাওয়াট এবং রাত ১১টায় হাজার ৮৬২ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। সার্বিকভাবে বিকেল চারটা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত কোনো সময়েই লোডশেডিং পুরোপুরি বন্ধ থাকার কোনো সম্ভাবনা নেই।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত