স্টেরয়েড হরমোনজাতীয় ওষুধ, যা প্রদাহ, অ্যালার্জি, শ্বাসতন্ত্রের কিছু রোগ ও অটোইমিউন রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক মাত্রায় ব্যবহার করলে এটি কার্যকর ও অনেক ক্ষেত্রে জীবনরক্ষাকারী।
তবে দ্রুত সুস্থ হওয়া, ওজন বাড়ানো বা পেশি বৃদ্ধির আশায় চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া
স্টেরয়েড ব্যবহার বিপজ্জনক হতে পারে। অনেক সময় প্রশিক্ষণহীন ব্যক্তির পরামর্শে
স্টেরয়েড গ্রহণ করেও স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েন মানুষ।
কী ধরনের সমস্যা হতে পারে
দীর্ঘদিন বা অতিরিক্ত মাত্রায় স্টেরয়েড ব্যবহারে শরীরের
স্বাভাবিক হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। রক্তে শর্করা ও রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া, ওজন বৃদ্ধি, শরীরে পানি জমা, হাড়ের ঘনত্ব কমে যাওয়া এবং সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ার মতো
সমস্যা দেখা দিতে পারে।
দীর্ঘদিন স্টেরয়েড ব্যবহারের পর হঠাৎ বন্ধ করাও ঝুঁকিপূর্ণ।
তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ শুরু বা বন্ধ করা উচিত নয়।
অ্যানাবলিক স্টেরয়েডের ঝুঁকি
পেশি বৃদ্ধির জন্য ব্যবহৃত অ্যানাবলিক স্টেরয়েড নারী ও
পুরুষের প্রজননস্বাস্থ্যে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। পুরুষদের টেস্টোস্টেরন ও
শুক্রাণু উৎপাদন কমতে পারে। নারীদের মাসিক অনিয়ম, কণ্ঠস্বর ভারী হওয়া ও অতিরিক্ত লোম গজানোর মতো পরিবর্তন
দেখা দিতে পারে।
এ ছাড়া হৃদ্রোগ, লিভার ও কিডনির জটিলতার ঝুঁকিও বাড়তে পারে। মেজাজ পরিবর্তন, উদ্বেগ, ঘুমের সমস্যা ও
বিষণ্নতার মতো মানসিক সমস্যাও দেখা দিতে পারে।
শিশু-কিশোরদের ক্ষেত্রে
শিশু ও কিশোরদের চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া স্টেরয়েড ব্যবহার বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। এতে তাদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশ ব্যাহত হতে পারে।

শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্টেরয়েড হরমোনজাতীয় ওষুধ, যা প্রদাহ, অ্যালার্জি, শ্বাসতন্ত্রের কিছু রোগ ও অটোইমিউন রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক মাত্রায় ব্যবহার করলে এটি কার্যকর ও অনেক ক্ষেত্রে জীবনরক্ষাকারী।
তবে দ্রুত সুস্থ হওয়া, ওজন বাড়ানো বা পেশি বৃদ্ধির আশায় চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া
স্টেরয়েড ব্যবহার বিপজ্জনক হতে পারে। অনেক সময় প্রশিক্ষণহীন ব্যক্তির পরামর্শে
স্টেরয়েড গ্রহণ করেও স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েন মানুষ।
কী ধরনের সমস্যা হতে পারে
দীর্ঘদিন বা অতিরিক্ত মাত্রায় স্টেরয়েড ব্যবহারে শরীরের
স্বাভাবিক হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। রক্তে শর্করা ও রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া, ওজন বৃদ্ধি, শরীরে পানি জমা, হাড়ের ঘনত্ব কমে যাওয়া এবং সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ার মতো
সমস্যা দেখা দিতে পারে।
দীর্ঘদিন স্টেরয়েড ব্যবহারের পর হঠাৎ বন্ধ করাও ঝুঁকিপূর্ণ।
তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ শুরু বা বন্ধ করা উচিত নয়।
অ্যানাবলিক স্টেরয়েডের ঝুঁকি
পেশি বৃদ্ধির জন্য ব্যবহৃত অ্যানাবলিক স্টেরয়েড নারী ও
পুরুষের প্রজননস্বাস্থ্যে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। পুরুষদের টেস্টোস্টেরন ও
শুক্রাণু উৎপাদন কমতে পারে। নারীদের মাসিক অনিয়ম, কণ্ঠস্বর ভারী হওয়া ও অতিরিক্ত লোম গজানোর মতো পরিবর্তন
দেখা দিতে পারে।
এ ছাড়া হৃদ্রোগ, লিভার ও কিডনির জটিলতার ঝুঁকিও বাড়তে পারে। মেজাজ পরিবর্তন, উদ্বেগ, ঘুমের সমস্যা ও
বিষণ্নতার মতো মানসিক সমস্যাও দেখা দিতে পারে।
শিশু-কিশোরদের ক্ষেত্রে
শিশু ও কিশোরদের চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া স্টেরয়েড ব্যবহার বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। এতে তাদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশ ব্যাহত হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন