পিরোজপুরের নেছারাবাদে
‘ইউনিয়ন ফ্যামিলি কার্ড ফিল্ড সুপারভাইজার’ পদে নিয়োগ পরীক্ষায় অনুপস্থিত থেকে উত্তীর্ণ
হওয়ার অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করেছেন আবিদা তানজুম নামের
এক প্রার্থী। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ বিষয়ে তীব্র নিন্দা
ও প্রতিবাদ জানান।
সংবাদ সম্মেলনে
আবিদা তানজুম বলেন, গত ৩ আগস্ট অনুষ্ঠিত নিয়োগ পরীক্ষায় তিনি যথাসময়ে কেন্দ্রে উপস্থিত
থেকে অংশ নিয়েছেন। তার উপস্থিতির প্রমাণ হিসেবে সিসিটিভি ফুটেজ, কিউআর কোড স্ক্যান
ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র প্রশাসনের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।
তিনি অভিযোগ করে
বলেন, মোহাম্মদ সাব্বির নূর চৌধুরী নামের এক ব্যক্তি গণমাধ্যমে তার নাম উল্লেখ করে
যে তথ্য প্রচার করেছেন, তা মানহানিকর। আবিদার দাবি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও)
কার্যালয়ে জমা দেওয়া মূল লিখিত অভিযোগে তার নাম ছিল না, তবে পরবর্তীতে সংবাদমাধ্যমে
উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার নাম জড়ানো হয়েছে।
আবিদা তানজুম আরও
জানান, প্রশাসনের তদন্তের প্রেক্ষিতে তিনি টানা দুই দিন উপস্থিত হয়ে সিসিটিভি ফুটেজসহ
যাবতীয় প্রমাণ উপস্থাপন করেছেন। কিন্তু শুনানির দিনে অভিযোগকারী উপস্থিত হননি এবং কোনো
তথ্য-প্রমাণ দিতে পারেননি। মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই তিনি উত্তীর্ণ হয়েছেন দাবি করে
নিয়োগে স্বজনপ্রীতি বা স্বামীর প্রভাব খাটানোর অভিযোগও তিনি প্রত্যাখ্যান করেন।
মানসিকভাবে হয়রানির
শিকার হচ্ছেন উল্লেখ করে আবিদা তানজুম বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানান এবং
তদন্ত শেষে মিথ্যা অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পিরোজপুরের নেছারাবাদে
‘ইউনিয়ন ফ্যামিলি কার্ড ফিল্ড সুপারভাইজার’ পদে নিয়োগ পরীক্ষায় অনুপস্থিত থেকে উত্তীর্ণ
হওয়ার অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করেছেন আবিদা তানজুম নামের
এক প্রার্থী। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ বিষয়ে তীব্র নিন্দা
ও প্রতিবাদ জানান।
সংবাদ সম্মেলনে
আবিদা তানজুম বলেন, গত ৩ আগস্ট অনুষ্ঠিত নিয়োগ পরীক্ষায় তিনি যথাসময়ে কেন্দ্রে উপস্থিত
থেকে অংশ নিয়েছেন। তার উপস্থিতির প্রমাণ হিসেবে সিসিটিভি ফুটেজ, কিউআর কোড স্ক্যান
ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র প্রশাসনের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।
তিনি অভিযোগ করে
বলেন, মোহাম্মদ সাব্বির নূর চৌধুরী নামের এক ব্যক্তি গণমাধ্যমে তার নাম উল্লেখ করে
যে তথ্য প্রচার করেছেন, তা মানহানিকর। আবিদার দাবি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও)
কার্যালয়ে জমা দেওয়া মূল লিখিত অভিযোগে তার নাম ছিল না, তবে পরবর্তীতে সংবাদমাধ্যমে
উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার নাম জড়ানো হয়েছে।
আবিদা তানজুম আরও
জানান, প্রশাসনের তদন্তের প্রেক্ষিতে তিনি টানা দুই দিন উপস্থিত হয়ে সিসিটিভি ফুটেজসহ
যাবতীয় প্রমাণ উপস্থাপন করেছেন। কিন্তু শুনানির দিনে অভিযোগকারী উপস্থিত হননি এবং কোনো
তথ্য-প্রমাণ দিতে পারেননি। মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই তিনি উত্তীর্ণ হয়েছেন দাবি করে
নিয়োগে স্বজনপ্রীতি বা স্বামীর প্রভাব খাটানোর অভিযোগও তিনি প্রত্যাখ্যান করেন।
মানসিকভাবে হয়রানির
শিকার হচ্ছেন উল্লেখ করে আবিদা তানজুম বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানান এবং
তদন্ত শেষে মিথ্যা অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

আপনার মতামত লিখুন