সংবাদ

পুরুষের ত্বক ভালো রাখতে খাবারে যেসব পুষ্টি জরুরি


সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
প্রকাশ: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫০ পিএম

পুরুষের ত্বক ভালো রাখতে খাবারে যেসব পুষ্টি জরুরি

ত্বকের যত্নের কথা উঠলেই অনেক পুরুষের রুটিন সীমাবদ্ধ থাকে ফেসওয়াশ, ময়েশ্চারাইজার কিংবা শেভের পর ব্যবহৃত কোনো ক্রিমে। কিন্তু ত্বকের সুস্থতা শুধু বাইরে থেকে পরিচর্যার ওপর নির্ভর করে না। শরীরের ভেতরের পুষ্টি, ঘুম, পানি পান ও সামগ্রিক স্বাস্থ্যও ত্বকের ওপর প্রভাব ফেলে।

পুরুষের ত্বক সাধারণত নারীদের তুলনায় কিছুটা পুরু ও বেশি তৈলাক্ত। হরমোনের প্রভাব এবং নিয়মিত শেভ করার কারণে অনেকের ত্বকে অতিরিক্ত তেল, ব্রণ, শুষ্কতা কিংবা জ্বালাপোড়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। এসব কারণে বাহ্যিক পরিচর্যার পাশাপাশি প্রতিদিনের খাবারের দিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন।

কোলাজেনের জন্য ভিটামিন সি

ত্বকের দৃঢ়তা ও স্থিতিস্থাপকতা ধরে রাখতে কোলাজেন গুরুত্বপূর্ণ। বয়স বাড়ার সঙ্গে শরীরের স্বাভাবিক কোলাজেন উৎপাদন কমতে থাকে। কোলাজেন সাপ্লিমেন্ট নিয়ে কিছু গবেষণায় ত্বকের আর্দ্রতা ও স্থিতিস্থাপকতা ধরে রাখার সম্ভাব্য উপকারের কথা বলা হয়েছে। তবে সবার জন্য আলাদাভাবে কোলাজেন গ্রহণের প্রয়োজন নেই।

বরং খাদ্যতালিকায় ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার রাখা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। শরীরে কোলাজেন তৈরির প্রক্রিয়ায় ভিটামিন সি ভূমিকা রাখে। আমলকি, পেয়ারা, কমলালেবু, লেবু ও ক্যাপসিকামের মতো খাবার থেকে সহজেই এই ভিটামিন পাওয়া যায়।

প্রদাহ কমাতে ওমেগা-৩

ত্বকে প্রদাহ বা অতিরিক্ত তৈলাক্ততার প্রবণতা থাকলে খাদ্যতালিকায় ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের উৎস রাখা যেতে পারে। শরীরে প্রদাহ নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় এই ফ্যাটি অ্যাসিডের ভূমিকা রয়েছে। ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা বজায় রাখার ক্ষেত্রেও এটি সহায়ক হতে পারে।

তবে ত্বকের সমস্যা দেখা দিলেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট শুরু করার প্রয়োজন নেই। নিয়মিত খাবার থেকেই পুষ্টি পাওয়ার চেষ্টা করা ভালো।

ত্বকের জন্য প্রয়োজন জিঙ্ক

ত্বকের স্বাভাবিক গঠন এবং ক্ষত সারানোর প্রক্রিয়ায় জিঙ্ক গুরুত্বপূর্ণ একটি খনিজ। শরীরে এর ঘাটতি হলে ত্বকে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

তবে ব্রণ বা অন্য কোনো ত্বকের সমস্যা হলেই নিজে থেকে জিঙ্কের ট্যাবলেট খাওয়া ঠিক নয়। অতিরিক্ত জিঙ্ক গ্রহণেরও ক্ষতিকর প্রভাব থাকতে পারে। প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এর ঘাটতি আছে কি না, তা নিশ্চিত করা উচিত।

ভিটামিন ই পাবেন বাদাম-বীজে

অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট হিসেবে ভিটামিন ই শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে সুরক্ষায় ভূমিকা রাখে। বাদাম ও বিভিন্ন বীজজাতীয় খাবারে ভিটামিন ই পাওয়া যায়। তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় পরিমিত পরিমাণে এসব খাবার রাখা যেতে পারে।

শুধু ত্বক ভালো রাখার জন্য আলাদাভাবে ভিটামিন ই সাপ্লিমেন্ট নেওয়ার প্রয়োজন নেই। সাপ্লিমেন্ট প্রয়োজন কি না, তা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্ধারণ করা ভালো।

বায়োটিনের ঘাটতিতেও সমস্যা হতে পারে

চুল ও নখের জন্য বায়োটিনের কথা বেশি শোনা গেলেও শরীরে এই ভিটামিনের ঘাটতি থাকলে ত্বকেও এর প্রভাব পড়তে পারে। ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক বা খসখসে হওয়ার পাশাপাশি লালচে র‍্যাশ, প্রদাহ কিংবা ঠোঁটের কোণে ফাটার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

তবে বায়োটিন সাপ্লিমেন্টকে চুল, নখ বা ত্বকের সব সমস্যার সমাধান হিসেবে বিবেচনা করা ঠিক নয়। ঘাটতি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়াই নিরাপদ।

ভিটামিন ডির ঘাটতি এড়ানো জরুরি

শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে ভিটামিন ডি প্রয়োজন। এর ঘাটতির সঙ্গে ত্বকের প্রদাহ ও ক্ষত সারতে দেরি হওয়ার মতো কিছু সমস্যার সম্পর্ক থাকতে পারে। ত্বকের স্বাভাবিক স্বাস্থ্য বজায় রাখার ক্ষেত্রেও তাই পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি গুরুত্বপূর্ণ।

তবে পরীক্ষায় ঘাটতি ধরা না পড়লে নিজের ইচ্ছায় উচ্চমাত্রার ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা উচিত নয়।

অন্ত্রের স্বাস্থ্যেও নজর দিন

ত্বকের সঙ্গে অন্ত্রের স্বাস্থ্যের সম্পর্ক নিয়েও সাম্প্রতিক সময়ে গবেষণা হচ্ছে। অন্ত্রে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য নষ্ট হলে শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রমে তার প্রভাব পড়তে পারে। ব্রণ, একজিমা, সোরিয়াসিস ও রোজেশিয়ার মতো কিছু ত্বকের সমস্যার সঙ্গে অন্ত্রের স্বাস্থ্যের সম্ভাব্য সম্পর্ক নিয়েও গবেষণা চলছে।

অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য বজায় রাখতে দইসহ প্রোবায়োটিকসমৃদ্ধ খাবার খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে।

শেভের পর ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখুন

নিয়মিত শেভ করার পর অনেকের ত্বকে শুষ্কতা, টানটান ভাব বা অস্বস্তি দেখা দেয়। এ ক্ষেত্রে হায়ালুরোনিক অ্যাসিডযুক্ত ময়েশ্চারাইজার বা ত্বকের যত্নের পণ্য ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি ত্বকে আর্দ্রতা ধরে রাখতে সহায়তা করে এবং শুষ্কতার অনুভূতি কমাতে পারে।

সাপ্লিমেন্ট নয়, আগে খাবার

ত্বকের সুস্থতার জন্য একসঙ্গে অনেক ধরনের সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই। সুষম খাদ্য থেকেই শরীরের প্রয়োজনীয় অধিকাংশ পুষ্টি পাওয়ার চেষ্টা করা উচিত। ফল, সবজি, বাদাম, বীজ, মাছ, ডালসহ বৈচিত্র্যপূর্ণ খাবার খাদ্যতালিকায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

এর পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান, নিয়মিত ঘুম, পরিচ্ছন্নতা এবং ত্বকের ধরন অনুযায়ী উপযুক্ত প্রসাধনী ব্যবহার করাও জরুরি।

কোনো নির্দিষ্ট ভিটামিন বা খনিজের ঘাটতি থাকলে কিংবা চিকিৎসক প্রয়োজন মনে করলে তবেই সাপ্লিমেন্ট নেওয়া উচিত। কারণ ত্বকের সুস্থতার জন্য সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হলো বাইরে থেকে যত্ন নেওয়ার পাশাপাশি শরীরের সামগ্রিক স্বাস্থ্যও ভালো রাখা।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬


পুরুষের ত্বক ভালো রাখতে খাবারে যেসব পুষ্টি জরুরি

প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

ত্বকের যত্নের কথা উঠলেই অনেক পুরুষের রুটিন সীমাবদ্ধ থাকে ফেসওয়াশ, ময়েশ্চারাইজার কিংবা শেভের পর ব্যবহৃত কোনো ক্রিমে। কিন্তু ত্বকের সুস্থতা শুধু বাইরে থেকে পরিচর্যার ওপর নির্ভর করে না। শরীরের ভেতরের পুষ্টি, ঘুম, পানি পান ও সামগ্রিক স্বাস্থ্যও ত্বকের ওপর প্রভাব ফেলে।

পুরুষের ত্বক সাধারণত নারীদের তুলনায় কিছুটা পুরু ও বেশি তৈলাক্ত। হরমোনের প্রভাব এবং নিয়মিত শেভ করার কারণে অনেকের ত্বকে অতিরিক্ত তেল, ব্রণ, শুষ্কতা কিংবা জ্বালাপোড়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। এসব কারণে বাহ্যিক পরিচর্যার পাশাপাশি প্রতিদিনের খাবারের দিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন।

কোলাজেনের জন্য ভিটামিন সি

ত্বকের দৃঢ়তা ও স্থিতিস্থাপকতা ধরে রাখতে কোলাজেন গুরুত্বপূর্ণ। বয়স বাড়ার সঙ্গে শরীরের স্বাভাবিক কোলাজেন উৎপাদন কমতে থাকে। কোলাজেন সাপ্লিমেন্ট নিয়ে কিছু গবেষণায় ত্বকের আর্দ্রতা ও স্থিতিস্থাপকতা ধরে রাখার সম্ভাব্য উপকারের কথা বলা হয়েছে। তবে সবার জন্য আলাদাভাবে কোলাজেন গ্রহণের প্রয়োজন নেই।

বরং খাদ্যতালিকায় ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার রাখা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। শরীরে কোলাজেন তৈরির প্রক্রিয়ায় ভিটামিন সি ভূমিকা রাখে। আমলকি, পেয়ারা, কমলালেবু, লেবু ও ক্যাপসিকামের মতো খাবার থেকে সহজেই এই ভিটামিন পাওয়া যায়।

প্রদাহ কমাতে ওমেগা-৩

ত্বকে প্রদাহ বা অতিরিক্ত তৈলাক্ততার প্রবণতা থাকলে খাদ্যতালিকায় ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের উৎস রাখা যেতে পারে। শরীরে প্রদাহ নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় এই ফ্যাটি অ্যাসিডের ভূমিকা রয়েছে। ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা বজায় রাখার ক্ষেত্রেও এটি সহায়ক হতে পারে।

তবে ত্বকের সমস্যা দেখা দিলেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট শুরু করার প্রয়োজন নেই। নিয়মিত খাবার থেকেই পুষ্টি পাওয়ার চেষ্টা করা ভালো।

ত্বকের জন্য প্রয়োজন জিঙ্ক

ত্বকের স্বাভাবিক গঠন এবং ক্ষত সারানোর প্রক্রিয়ায় জিঙ্ক গুরুত্বপূর্ণ একটি খনিজ। শরীরে এর ঘাটতি হলে ত্বকে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

তবে ব্রণ বা অন্য কোনো ত্বকের সমস্যা হলেই নিজে থেকে জিঙ্কের ট্যাবলেট খাওয়া ঠিক নয়। অতিরিক্ত জিঙ্ক গ্রহণেরও ক্ষতিকর প্রভাব থাকতে পারে। প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এর ঘাটতি আছে কি না, তা নিশ্চিত করা উচিত।

ভিটামিন ই পাবেন বাদাম-বীজে

অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট হিসেবে ভিটামিন ই শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে সুরক্ষায় ভূমিকা রাখে। বাদাম ও বিভিন্ন বীজজাতীয় খাবারে ভিটামিন ই পাওয়া যায়। তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় পরিমিত পরিমাণে এসব খাবার রাখা যেতে পারে।

শুধু ত্বক ভালো রাখার জন্য আলাদাভাবে ভিটামিন ই সাপ্লিমেন্ট নেওয়ার প্রয়োজন নেই। সাপ্লিমেন্ট প্রয়োজন কি না, তা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্ধারণ করা ভালো।

বায়োটিনের ঘাটতিতেও সমস্যা হতে পারে

চুল ও নখের জন্য বায়োটিনের কথা বেশি শোনা গেলেও শরীরে এই ভিটামিনের ঘাটতি থাকলে ত্বকেও এর প্রভাব পড়তে পারে। ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক বা খসখসে হওয়ার পাশাপাশি লালচে র‍্যাশ, প্রদাহ কিংবা ঠোঁটের কোণে ফাটার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

তবে বায়োটিন সাপ্লিমেন্টকে চুল, নখ বা ত্বকের সব সমস্যার সমাধান হিসেবে বিবেচনা করা ঠিক নয়। ঘাটতি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়াই নিরাপদ।

ভিটামিন ডির ঘাটতি এড়ানো জরুরি

শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে ভিটামিন ডি প্রয়োজন। এর ঘাটতির সঙ্গে ত্বকের প্রদাহ ও ক্ষত সারতে দেরি হওয়ার মতো কিছু সমস্যার সম্পর্ক থাকতে পারে। ত্বকের স্বাভাবিক স্বাস্থ্য বজায় রাখার ক্ষেত্রেও তাই পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি গুরুত্বপূর্ণ।

তবে পরীক্ষায় ঘাটতি ধরা না পড়লে নিজের ইচ্ছায় উচ্চমাত্রার ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা উচিত নয়।

অন্ত্রের স্বাস্থ্যেও নজর দিন

ত্বকের সঙ্গে অন্ত্রের স্বাস্থ্যের সম্পর্ক নিয়েও সাম্প্রতিক সময়ে গবেষণা হচ্ছে। অন্ত্রে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য নষ্ট হলে শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রমে তার প্রভাব পড়তে পারে। ব্রণ, একজিমা, সোরিয়াসিস ও রোজেশিয়ার মতো কিছু ত্বকের সমস্যার সঙ্গে অন্ত্রের স্বাস্থ্যের সম্ভাব্য সম্পর্ক নিয়েও গবেষণা চলছে।

অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য বজায় রাখতে দইসহ প্রোবায়োটিকসমৃদ্ধ খাবার খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে।

শেভের পর ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখুন

নিয়মিত শেভ করার পর অনেকের ত্বকে শুষ্কতা, টানটান ভাব বা অস্বস্তি দেখা দেয়। এ ক্ষেত্রে হায়ালুরোনিক অ্যাসিডযুক্ত ময়েশ্চারাইজার বা ত্বকের যত্নের পণ্য ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি ত্বকে আর্দ্রতা ধরে রাখতে সহায়তা করে এবং শুষ্কতার অনুভূতি কমাতে পারে।

সাপ্লিমেন্ট নয়, আগে খাবার

ত্বকের সুস্থতার জন্য একসঙ্গে অনেক ধরনের সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই। সুষম খাদ্য থেকেই শরীরের প্রয়োজনীয় অধিকাংশ পুষ্টি পাওয়ার চেষ্টা করা উচিত। ফল, সবজি, বাদাম, বীজ, মাছ, ডালসহ বৈচিত্র্যপূর্ণ খাবার খাদ্যতালিকায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

এর পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান, নিয়মিত ঘুম, পরিচ্ছন্নতা এবং ত্বকের ধরন অনুযায়ী উপযুক্ত প্রসাধনী ব্যবহার করাও জরুরি।

কোনো নির্দিষ্ট ভিটামিন বা খনিজের ঘাটতি থাকলে কিংবা চিকিৎসক প্রয়োজন মনে করলে তবেই সাপ্লিমেন্ট নেওয়া উচিত। কারণ ত্বকের সুস্থতার জন্য সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হলো বাইরে থেকে যত্ন নেওয়ার পাশাপাশি শরীরের সামগ্রিক স্বাস্থ্যও ভালো রাখা।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত