সারাদেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করে এনেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। চলতি সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময়ে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হতে পারে। আর ভোট গ্রহণ শুরু হতে পারে আগামী নভেম্বর মাসে। ছয় থেকে সাত ধাপে এই নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা করছে সাংবিধানিক এই সংস্থাটি।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, দেশের ৪ হাজার ৫৮১টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে ৩ হাজার ৯৮১টি এ বছরই নির্বাচন উপযোগী হবে। মূলত ২০২১ ও ২০২২ সালে যেসব ইউনিয়নে ভোট হয়েছিল, সেগুলোর পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার ১৮০ দিন আগে ভোট করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বাকি ইউনিয়নগুলোতে ২০২৭ ও ২০২৮ সালে ধাপে ধাপে ভোট হবে।
নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানিয়েছেন, ইসি এখন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য সার্বিকভাবে প্রস্তুত। নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে ডিসেম্বরের প্রথমার্ধ পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বার্ষিক পরীক্ষা থাকে। পরীক্ষার সময়সূচি বিবেচনা করে এর আগে বা পরে ভোট গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হতে পারে। এ মাসের প্রথমার্ধেই কোন ধাপে কবে নির্বাচন হবে, তার সুনির্দিষ্ট রূপরেখা দেবে কমিশন।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ ইঙ্গিত দিয়েছেন, আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর তফসিল ঘোষণার প্রাথমিক লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে কমিশন। প্রথম ধাপে বরিশাল, রংপুর, খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের কয়েক শ ইউনিয়নে ভোট হতে পারে।
নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে বসার পরিকল্পনা নিয়েছে ইসি। কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে মতবিনিময় করলে ভালো ফল আসবে। এছাড়া এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নির্বাচনী কর্মকর্তা হিসেবে বড় দায়িত্ব পালন করেন, তাঁদের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করাও আমাদের অন্যতম লক্ষ্য।’
ইসি জানায়, এবারের স্থানীয় নির্বাচনেও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো পোস্টার ব্যবহারের ওপর কড়াকড়ি থাকতে পারে। ভোটার তালিকা ইতিমধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে, যেখানে মোট ভোটার ১২ কোটি ৮৭ লাখের বেশি। সারাদেশে প্রায় ৪৫ হাজার ভোটকেন্দ্রের খসড়াও প্রস্তুত। তবে এবারের স্থানীয় নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী মোতায়েনের কোনো পরিকল্পনা এখন পর্যন্ত ইসির নেই। পুলিশ, বিজিবি ও আনসার সদস্যদের মাধ্যমেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
ইতিমধ্যে নির্বাচনী মালামাল যেমন–ব্যালট বাক্স, গানি ব্যাগ, সিল ও অন্যান্য সামগ্রী সংগ্রহের কাজ শেষ করেছে ইসি সচিবালয়। আইন ও আচরণবিধিমালা সংস্কারের খসড়াও আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হয়েছে।
\

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সারাদেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করে এনেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। চলতি সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময়ে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হতে পারে। আর ভোট গ্রহণ শুরু হতে পারে আগামী নভেম্বর মাসে। ছয় থেকে সাত ধাপে এই নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা করছে সাংবিধানিক এই সংস্থাটি।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, দেশের ৪ হাজার ৫৮১টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে ৩ হাজার ৯৮১টি এ বছরই নির্বাচন উপযোগী হবে। মূলত ২০২১ ও ২০২২ সালে যেসব ইউনিয়নে ভোট হয়েছিল, সেগুলোর পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার ১৮০ দিন আগে ভোট করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বাকি ইউনিয়নগুলোতে ২০২৭ ও ২০২৮ সালে ধাপে ধাপে ভোট হবে।
নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানিয়েছেন, ইসি এখন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য সার্বিকভাবে প্রস্তুত। নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে ডিসেম্বরের প্রথমার্ধ পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বার্ষিক পরীক্ষা থাকে। পরীক্ষার সময়সূচি বিবেচনা করে এর আগে বা পরে ভোট গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হতে পারে। এ মাসের প্রথমার্ধেই কোন ধাপে কবে নির্বাচন হবে, তার সুনির্দিষ্ট রূপরেখা দেবে কমিশন।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ ইঙ্গিত দিয়েছেন, আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর তফসিল ঘোষণার প্রাথমিক লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে কমিশন। প্রথম ধাপে বরিশাল, রংপুর, খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের কয়েক শ ইউনিয়নে ভোট হতে পারে।
নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে বসার পরিকল্পনা নিয়েছে ইসি। কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে মতবিনিময় করলে ভালো ফল আসবে। এছাড়া এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নির্বাচনী কর্মকর্তা হিসেবে বড় দায়িত্ব পালন করেন, তাঁদের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করাও আমাদের অন্যতম লক্ষ্য।’
ইসি জানায়, এবারের স্থানীয় নির্বাচনেও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো পোস্টার ব্যবহারের ওপর কড়াকড়ি থাকতে পারে। ভোটার তালিকা ইতিমধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে, যেখানে মোট ভোটার ১২ কোটি ৮৭ লাখের বেশি। সারাদেশে প্রায় ৪৫ হাজার ভোটকেন্দ্রের খসড়াও প্রস্তুত। তবে এবারের স্থানীয় নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী মোতায়েনের কোনো পরিকল্পনা এখন পর্যন্ত ইসির নেই। পুলিশ, বিজিবি ও আনসার সদস্যদের মাধ্যমেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
ইতিমধ্যে নির্বাচনী মালামাল যেমন–ব্যালট বাক্স, গানি ব্যাগ, সিল ও অন্যান্য সামগ্রী সংগ্রহের কাজ শেষ করেছে ইসি সচিবালয়। আইন ও আচরণবিধিমালা সংস্কারের খসড়াও আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হয়েছে।
\

আপনার মতামত লিখুন