সংবাদ

সাতছড়িতে বন্য প্রাণীর পানির সংকট, জলাধার খননের তাগিদ


প্রতিনিধি, চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ)
প্রতিনিধি, চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ)
প্রকাশ: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৫ পিএম

সাতছড়িতে বন্য প্রাণীর পানির সংকট, জলাধার খননের তাগিদ
ছবি : সংবাদ

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের বন্য প্রাণীদের তীব্র পানির সংকট দূর করতে জরুরি ভিত্তিতে জলাধার পুনঃখননের তাগিদ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর (অ্যাটর্নি জেনারেল সমমর্যাদা) অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম। বন বিভাগ চাইলে তিনি নিজস্ব অর্থায়নে বন্য প্রাণীদের জন্য পুকুর খনন ও পানির সুব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিমকে সঙ্গে নিয়ে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সাতছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা মোবারক হোসেনসহ বন বিভাগের কর্মকর্তারা।

পরিদর্শন শেষে জানা যায়, সাম্প্রতিক ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসের কারণে উদ্যানের ভেতরের প্রধান জলাধারগুলো (বিশেষ করে ‘বড় পুকুর’) পলি ও বালু জমে ভরাট হয়ে গেছে। এর ফলে আসন্ন শুষ্ক মৌসুমে বনের জীববৈচিত্র্যের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ার পাশাপাশি বন্য প্রাণীদের সুপেয় পানির তীব্র সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বন বিভাগ ও পরিবেশবাদীদের মতে, সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের ৩টি প্রধান জলাধারের মধ্যে দুটি বালুচাপা পড়ে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বনের ভেতরে পানির উৎস বিনষ্ট হলে উল্লুক, চশমাধারী হনুমান, হরিণ ও মেছোবাঘের মতো বিরল প্রজাতির বন্য প্রাণী পানির খোঁজে লোকালয়ে চলে আসতে পারে। এতে প্রাণীদের জীবন চরম ঝুঁকিতে পড়বে।

সংকট নিরসনে চিফ প্রসিকিউটর ক্ষতিগ্রস্ত পুকুর দ্রুত পুনঃখনন, প্রয়োজনে গভীর নলকূপ স্থাপন এবং ভবিষ্যতে বালুর স্রোত ঠেকাতে গাইড ওয়াল বা প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। শুষ্ক মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই সংস্কার কাজ সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


সাতছড়িতে বন্য প্রাণীর পানির সংকট, জলাধার খননের তাগিদ

প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের বন্য প্রাণীদের তীব্র পানির সংকট দূর করতে জরুরি ভিত্তিতে জলাধার পুনঃখননের তাগিদ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর (অ্যাটর্নি জেনারেল সমমর্যাদা) অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম। বন বিভাগ চাইলে তিনি নিজস্ব অর্থায়নে বন্য প্রাণীদের জন্য পুকুর খনন ও পানির সুব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিমকে সঙ্গে নিয়ে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সাতছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা মোবারক হোসেনসহ বন বিভাগের কর্মকর্তারা।

পরিদর্শন শেষে জানা যায়, সাম্প্রতিক ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসের কারণে উদ্যানের ভেতরের প্রধান জলাধারগুলো (বিশেষ করে ‘বড় পুকুর’) পলি ও বালু জমে ভরাট হয়ে গেছে। এর ফলে আসন্ন শুষ্ক মৌসুমে বনের জীববৈচিত্র্যের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ার পাশাপাশি বন্য প্রাণীদের সুপেয় পানির তীব্র সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বন বিভাগ ও পরিবেশবাদীদের মতে, সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের ৩টি প্রধান জলাধারের মধ্যে দুটি বালুচাপা পড়ে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বনের ভেতরে পানির উৎস বিনষ্ট হলে উল্লুক, চশমাধারী হনুমান, হরিণ ও মেছোবাঘের মতো বিরল প্রজাতির বন্য প্রাণী পানির খোঁজে লোকালয়ে চলে আসতে পারে। এতে প্রাণীদের জীবন চরম ঝুঁকিতে পড়বে।

সংকট নিরসনে চিফ প্রসিকিউটর ক্ষতিগ্রস্ত পুকুর দ্রুত পুনঃখনন, প্রয়োজনে গভীর নলকূপ স্থাপন এবং ভবিষ্যতে বালুর স্রোত ঠেকাতে গাইড ওয়াল বা প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। শুষ্ক মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই সংস্কার কাজ সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত