দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) প্রথমবারের মতো নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দুই দিনের এই রাষ্ট্রীয় সফরে তিনি নাগরিক সংবর্ধনায় যোগ দেওয়া ছাড়াও প্রস্তাবিত ‘ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।
সফরসূচি অনুযায়ী, সকাল ১০টায় ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারযোগে ঠাকুরগাঁওয়ের উদ্দেশে রওনা হবেন রাষ্ট্রপতি। বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে ঠাকুরগাঁও মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়ামে তার অবতরণের কথা রয়েছে। সেখান থেকে তিনি সরাসরি জেলা সার্কিট হাউসে যাবেন এবং গার্ড অব অনার গ্রহণ করবেন।
এরপর রাষ্ট্রপতি শহরের সেনুয়াপাড়ায় পারিবারিক কবরস্থানে তার বাবা সাবেক মন্ত্রী মরহুম মির্জা রুহুল আমীন এবং মা ফাতেমা বেগমের কবর জিয়ারত করবেন। দুপুরে নিজ বাসভবনে বিশ্রামের পর বিকেলে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয় মাঠে নাগরিক কমিটি আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন তিনি। সেখানে জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তার মতবিনিময়ের কথা রয়েছে।
সফরের দ্বিতীয় দিন সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতি ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ সড়কের পাশে সদর উপজেলার জামালপুর এলাকায় ‘ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। পরে একই দিন বিকেলেই হেলিকপ্টারযোগে তাঁর ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।
রাষ্ট্রপতির এই সফরকে ঘিরে ঠাকুরগাঁও শহরজুড়ে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। শহরের প্রধান সড়কগুলোতে তোরণ নির্মাণ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ শেষ হয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে বিরাজ করছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।
ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক জানান, রাষ্ট্রপতির সফরকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন জানিয়েছেন, সফরকে ঘিরে পুরো জেলায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনসহ গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
\

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) প্রথমবারের মতো নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দুই দিনের এই রাষ্ট্রীয় সফরে তিনি নাগরিক সংবর্ধনায় যোগ দেওয়া ছাড়াও প্রস্তাবিত ‘ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।
সফরসূচি অনুযায়ী, সকাল ১০টায় ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারযোগে ঠাকুরগাঁওয়ের উদ্দেশে রওনা হবেন রাষ্ট্রপতি। বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে ঠাকুরগাঁও মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়ামে তার অবতরণের কথা রয়েছে। সেখান থেকে তিনি সরাসরি জেলা সার্কিট হাউসে যাবেন এবং গার্ড অব অনার গ্রহণ করবেন।
এরপর রাষ্ট্রপতি শহরের সেনুয়াপাড়ায় পারিবারিক কবরস্থানে তার বাবা সাবেক মন্ত্রী মরহুম মির্জা রুহুল আমীন এবং মা ফাতেমা বেগমের কবর জিয়ারত করবেন। দুপুরে নিজ বাসভবনে বিশ্রামের পর বিকেলে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয় মাঠে নাগরিক কমিটি আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন তিনি। সেখানে জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তার মতবিনিময়ের কথা রয়েছে।
সফরের দ্বিতীয় দিন সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতি ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ সড়কের পাশে সদর উপজেলার জামালপুর এলাকায় ‘ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। পরে একই দিন বিকেলেই হেলিকপ্টারযোগে তাঁর ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।
রাষ্ট্রপতির এই সফরকে ঘিরে ঠাকুরগাঁও শহরজুড়ে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। শহরের প্রধান সড়কগুলোতে তোরণ নির্মাণ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ শেষ হয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে বিরাজ করছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।
ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক জানান, রাষ্ট্রপতির সফরকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন জানিয়েছেন, সফরকে ঘিরে পুরো জেলায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনসহ গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
\

আপনার মতামত লিখুন