দেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার তৃণমূল পর্যায়ে জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের সময়সূচি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।
আগামী ১২ নভেম্বর প্রথম দফায় ৮০টি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদে ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে এই ধারাবাহিক নির্বাচন কার্যক্রম। সাত ধাপে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই বিশাল নির্বাচনের সময়সূচি ও পরিকল্পনা নিয়ে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নির্বাচন কমিশন ভবনে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
সংবাদ সম্মেলনে সার্বিক পরিকল্পনা তুলে ধরে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, "সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট হবে ১২ নভেম্বর।"
কোন নীতিমালার ভিত্তিতে অঞ্চলগুলো নির্বাচন করা হয়েছে, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি জানান, "চট্টগ্রাম ও কুমিল্লায় তিনটি করে উপজেলায় প্রথম ধাপে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কারণ এ দুই জেলায় উপজেলার সংখ্যা বেশি। এছাড়া যেসব জেলায় ১০ বা তার বেশি উপজেলা রয়েছে, সেসব জেলার দুটি করে উপজেলায় প্রথম ধাপে ভোট হবে। এসব মিলিয়ে প্রথম ধাপে ৮০টি উপজেলা হয়েছে।"
আইনি বাধ্যবাধকতা ও আঞ্চলিক ভারসাম্যের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, "আদালতের রায়ের কারণে দুটি উপজেলায় নির্বাচন করতে হবে। আর বাকি উপজেলাগুলো বেশি সংখ্যক উপজেলা থাকা জেলাগুলোতে আনুপাতিক হারে সমন্বয় করে প্রথম ধাপে রাখা হয়েছে।"
দীর্ঘমেয়াদি এই নির্বাচন প্রক্রিয়ার শেষ ধাপগুলোর সার্বিক চিত্র সম্পর্কে ধারণা দিয়ে তিনি জানান, "ষষ্ঠ ও সপ্তম ধাপকে অপেক্ষাকৃত হালকা রাখা হবে।"
ইসি ঘোষিত তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৩ ডিসেম্বর, তৃতীয় ধাপ ৩০ ডিসেম্বর, চতুর্থ ধাপ ১৭ জানুয়ারি ও পঞ্চম ধাপের ভোট নেওয়া হবে ৪ ফেব্রুয়ারি। আর নির্বাচন প্রক্রিয়ার শেষভাগে ষষ্ঠ ধাপে ২২ এপ্রিল এবং সপ্তম ও চূড়ান্ত ধাপের ভোটগ্রহণের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২৭ মে।

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার তৃণমূল পর্যায়ে জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের সময়সূচি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।
আগামী ১২ নভেম্বর প্রথম দফায় ৮০টি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদে ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে এই ধারাবাহিক নির্বাচন কার্যক্রম। সাত ধাপে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই বিশাল নির্বাচনের সময়সূচি ও পরিকল্পনা নিয়ে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নির্বাচন কমিশন ভবনে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
সংবাদ সম্মেলনে সার্বিক পরিকল্পনা তুলে ধরে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, "সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট হবে ১২ নভেম্বর।"
কোন নীতিমালার ভিত্তিতে অঞ্চলগুলো নির্বাচন করা হয়েছে, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি জানান, "চট্টগ্রাম ও কুমিল্লায় তিনটি করে উপজেলায় প্রথম ধাপে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কারণ এ দুই জেলায় উপজেলার সংখ্যা বেশি। এছাড়া যেসব জেলায় ১০ বা তার বেশি উপজেলা রয়েছে, সেসব জেলার দুটি করে উপজেলায় প্রথম ধাপে ভোট হবে। এসব মিলিয়ে প্রথম ধাপে ৮০টি উপজেলা হয়েছে।"
আইনি বাধ্যবাধকতা ও আঞ্চলিক ভারসাম্যের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, "আদালতের রায়ের কারণে দুটি উপজেলায় নির্বাচন করতে হবে। আর বাকি উপজেলাগুলো বেশি সংখ্যক উপজেলা থাকা জেলাগুলোতে আনুপাতিক হারে সমন্বয় করে প্রথম ধাপে রাখা হয়েছে।"
দীর্ঘমেয়াদি এই নির্বাচন প্রক্রিয়ার শেষ ধাপগুলোর সার্বিক চিত্র সম্পর্কে ধারণা দিয়ে তিনি জানান, "ষষ্ঠ ও সপ্তম ধাপকে অপেক্ষাকৃত হালকা রাখা হবে।"
ইসি ঘোষিত তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৩ ডিসেম্বর, তৃতীয় ধাপ ৩০ ডিসেম্বর, চতুর্থ ধাপ ১৭ জানুয়ারি ও পঞ্চম ধাপের ভোট নেওয়া হবে ৪ ফেব্রুয়ারি। আর নির্বাচন প্রক্রিয়ার শেষভাগে ষষ্ঠ ধাপে ২২ এপ্রিল এবং সপ্তম ও চূড়ান্ত ধাপের ভোটগ্রহণের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২৭ মে।

আপনার মতামত লিখুন