ভারতের সঙ্গে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক নয়, বরং সমমর্যাদা ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে সুসম্পর্ক চায় বাংলাদেশ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।
তিন দিনের সফরের শেষ দিনে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ভোলা ছাড়ার আগে সার্কিট হাউসে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
স্পিকার বলেন, অতীতের আওয়ামী লীগ সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সম্পর্কের ধরন বোঝাতে স্বামী-স্ত্রীর যে কথা বলেছিলেন, বাংলাদেশের তেমন সম্পর্কের প্রয়োজন নেই। বাংলাদেশ সমমর্যাদার সৎ প্রতিবেশী হিসেবে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চায়।
ভারতের প্রতি নানা অসন্তোষের বিষয় তুলে ধরে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রতীত সরকারের প্রধানমন্ত্রীকে ভারতে আশ্রয় দেওয়া এবং রাজনীতি করার সুযোগ করে দেওয়াকে প্রতিবেশীসুলভ আচরণ মনে করে না জনগণ। এ ছাড়া ব্রিকস সম্মেলনেও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে যথাযথ মর্যাদায় আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
জুলাই সনদ ও রাষ্ট্র সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের দুঃশাসনের ফলে প্রতিটি খাতে ধস নেমেছে, যা থেকে উত্তরণে সময় লাগবে। জুলাই সনদের সঠিক বাস্তবায়ন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কিছু মতদ্বৈধ থাকলেও জাতীয় স্বার্থে দলগুলো একমত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। প্রধান দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য হলে সংসদের আগামী অধিবেশনে প্রয়োজনীয় সংবিধান সংশোধন ও আইন প্রণয়ন সম্ভব হবে বলে জানান স্পিকার।
এ সময় ভোলা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর, জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান ও পুলিশ সুপার মো. শহিদুল ইসলাম কাওসার উপস্থিত ছিলেন।
\

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভারতের সঙ্গে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক নয়, বরং সমমর্যাদা ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে সুসম্পর্ক চায় বাংলাদেশ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।
তিন দিনের সফরের শেষ দিনে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ভোলা ছাড়ার আগে সার্কিট হাউসে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
স্পিকার বলেন, অতীতের আওয়ামী লীগ সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সম্পর্কের ধরন বোঝাতে স্বামী-স্ত্রীর যে কথা বলেছিলেন, বাংলাদেশের তেমন সম্পর্কের প্রয়োজন নেই। বাংলাদেশ সমমর্যাদার সৎ প্রতিবেশী হিসেবে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চায়।
ভারতের প্রতি নানা অসন্তোষের বিষয় তুলে ধরে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রতীত সরকারের প্রধানমন্ত্রীকে ভারতে আশ্রয় দেওয়া এবং রাজনীতি করার সুযোগ করে দেওয়াকে প্রতিবেশীসুলভ আচরণ মনে করে না জনগণ। এ ছাড়া ব্রিকস সম্মেলনেও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে যথাযথ মর্যাদায় আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
জুলাই সনদ ও রাষ্ট্র সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের দুঃশাসনের ফলে প্রতিটি খাতে ধস নেমেছে, যা থেকে উত্তরণে সময় লাগবে। জুলাই সনদের সঠিক বাস্তবায়ন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কিছু মতদ্বৈধ থাকলেও জাতীয় স্বার্থে দলগুলো একমত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। প্রধান দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য হলে সংসদের আগামী অধিবেশনে প্রয়োজনীয় সংবিধান সংশোধন ও আইন প্রণয়ন সম্ভব হবে বলে জানান স্পিকার।
এ সময় ভোলা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর, জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান ও পুলিশ সুপার মো. শহিদুল ইসলাম কাওসার উপস্থিত ছিলেন।
\

আপনার মতামত লিখুন