সংবাদ

আদানিতে স্বস্তি ফিরলেও রামপালে ধাক্কা


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৫ পিএম

আদানিতে স্বস্তি ফিরলেও রামপালে ধাক্কা

কয়লা সংকট ও কারিগরি জটের ধকল কাটিয়ে ভারত থেকে আদানির বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়লেও নতুন করে বিপত্তি ডেকে এনেছে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র। বাগেরহাটের রামপালে কারিগরি ত্রুটির কারণে একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে ফের হোঁচট লেগেছে। তবে রবিবার দুপুর থেকে আদানির উৎপাদন বাড়ায় কিছুটা স্বস্তি মিলছে জাতীয় গ্রিডে।

পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি পিএলসির তথ্য অনুযায়ী, রবিবার দুপুর ১টা থেকে আদানির বিদ্যুৎ সরবরাহ বেড়ে ৮৪৬ মেগাওয়াটে পৌঁছেছে। এর আগে গত বুধবার রাত ১২টার দিকে কারিগরি ত্রুটিতে একটি ইউনিট বন্ধ হওয়ার পর গত কয়েক দিন ধরে প্রায় ৭৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করছিল আদানি। এক মাস ধরে চলা সীমিত উৎপাদনের পর রবিবার চালুর পর দুপুর থেকে আদানির সরবরাহ বাড়লেও ঠিক একই সময়ে বড় ধাক্কা খায় রামপাল।

রবিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কারিগরি কারণে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। ভারত-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে নির্মিত কয়লাচালিত এই কেন্দ্রটিতে পর্যাপ্ত কয়লা মজুত থাকা সত্ত্বেও এবং ১ হাজার ১০০ মেগাওয়াটের বেশি উৎপাদন হওয়া সত্ত্বেও হঠাৎ ইউনিট বন্ধ হওয়ায় উৎপাদন নেমে এসেছে ৬০০ মেগাওয়াটের নিচে, যা মোট ক্ষমতার প্রায় অর্ধেক।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম জানান, “আদানি থেকে বিদ্যুৎ আসা শুরু হয়েছে। রক্ষণাবেক্ষণের জন্য রামপালের ইউনিট-২ বন্ধ করা হয়েছে।”

ইউনিটটি কবে নাগাদ চালু হতে পারে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “ইউনিট বন্ধের পর কুল ডাউন করতে হয়। এরপর সম্ভাবত ইন্ডিয়া থেকে দুজন প্রকৌশলী আসবে। আপাতত আইডিয়া করা যাচ্ছে না, দুদিন পর বলা যাবে৷ এখন প্রলিমিনারি পর্যায়ে।”

সংশ্লিষ্টদের মতে, আদানির সরবরাহ বাড়ার সুফল কিছুটা মিললেও রামপালের আকস্মিক উৎপাদন হ্রাস গ্রিড ব্যবস্থাপনায় নতুন চাপ তৈরি করেছে। প্রকৌশলীরা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কাজ করছেন বলে জানিয়েছে পিডিবি।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


আদানিতে স্বস্তি ফিরলেও রামপালে ধাক্কা

প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

কয়লা সংকট ও কারিগরি জটের ধকল কাটিয়ে ভারত থেকে আদানির বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়লেও নতুন করে বিপত্তি ডেকে এনেছে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র। বাগেরহাটের রামপালে কারিগরি ত্রুটির কারণে একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে ফের হোঁচট লেগেছে। তবে রবিবার দুপুর থেকে আদানির উৎপাদন বাড়ায় কিছুটা স্বস্তি মিলছে জাতীয় গ্রিডে।

পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি পিএলসির তথ্য অনুযায়ী, রবিবার দুপুর ১টা থেকে আদানির বিদ্যুৎ সরবরাহ বেড়ে ৮৪৬ মেগাওয়াটে পৌঁছেছে। এর আগে গত বুধবার রাত ১২টার দিকে কারিগরি ত্রুটিতে একটি ইউনিট বন্ধ হওয়ার পর গত কয়েক দিন ধরে প্রায় ৭৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করছিল আদানি। এক মাস ধরে চলা সীমিত উৎপাদনের পর রবিবার চালুর পর দুপুর থেকে আদানির সরবরাহ বাড়লেও ঠিক একই সময়ে বড় ধাক্কা খায় রামপাল।

রবিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কারিগরি কারণে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। ভারত-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে নির্মিত কয়লাচালিত এই কেন্দ্রটিতে পর্যাপ্ত কয়লা মজুত থাকা সত্ত্বেও এবং ১ হাজার ১০০ মেগাওয়াটের বেশি উৎপাদন হওয়া সত্ত্বেও হঠাৎ ইউনিট বন্ধ হওয়ায় উৎপাদন নেমে এসেছে ৬০০ মেগাওয়াটের নিচে, যা মোট ক্ষমতার প্রায় অর্ধেক।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম জানান, “আদানি থেকে বিদ্যুৎ আসা শুরু হয়েছে। রক্ষণাবেক্ষণের জন্য রামপালের ইউনিট-২ বন্ধ করা হয়েছে।”

ইউনিটটি কবে নাগাদ চালু হতে পারে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “ইউনিট বন্ধের পর কুল ডাউন করতে হয়। এরপর সম্ভাবত ইন্ডিয়া থেকে দুজন প্রকৌশলী আসবে। আপাতত আইডিয়া করা যাচ্ছে না, দুদিন পর বলা যাবে৷ এখন প্রলিমিনারি পর্যায়ে।”

সংশ্লিষ্টদের মতে, আদানির সরবরাহ বাড়ার সুফল কিছুটা মিললেও রামপালের আকস্মিক উৎপাদন হ্রাস গ্রিড ব্যবস্থাপনায় নতুন চাপ তৈরি করেছে। প্রকৌশলীরা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কাজ করছেন বলে জানিয়েছে পিডিবি।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত