গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পরিচয়ে নয়ন মিয়া (২৪) নামের এক যুবককে তুলে নিয়ে জিম্মি, মারধর ও চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ভুক্তভোগী নয়ন মিয়া বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার ময়দানহাট্টা ইউনিয়নের পোড়াদহ এলাকার দবির হোসেনের ছেলে।
অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার গুমানীগঞ্জ ইউনিয়নের গজিয়াপাড়ার মৃত রজ্জব আলীর ছেলে মাহাবুর রহমান (৫২), আলীপুরের দিলীপ চন্দ্র দাস (৪০) এবং জরিপপুরের লুটু মিয়া (৫৫)।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় নয়ন মিয়া গোবিন্দগঞ্জের জঙ্গলমারা এলাকা থেকে জরিপপুর যাচ্ছিলেন। পথে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তার পথরোধ করে মারধর শুরু করেন এবং তুলে নিয়ে ফুলপুকুরিয়া বাজারে মাহাবুরের দোকানে আটকে রাখেন। সন্ধ্যা সাতটার দিকে অভিযুক্ত লুটু মিয়া ডিবি জয়পুরহাটের কর্মকর্তা পরিচয়ে নয়নের শ্বশুর জুয়েলকে ফোন করেন। নয়নকে মাদকসহ আটক করা হয়েছে জানিয়ে তাকে ছাড়াতে ৫০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। পরে ৩০ হাজার টাকা নিয়ে স্থানীয় কয়েকজনকে সঙ্গে করে স্বজনেরা ফুলপুকুরিয়া বাজারে পৌঁছান।
সেখানে গিয়ে নয়নকে দেখতে পেয়ে স্বজনেরা মাহাবুরের হাতে ৩০ হাজার টাকা দিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানান। কিন্তু টাকা কম দেওয়ায় অভিযুক্ত মাহাবুর, দিলীপ ও লুটুসহ অজ্ঞাতপরিচয় ৮-১০ জন লাঠি ও লোহার রড দিয়ে স্বজনদের ওপর হামলা চালান। নয়নকে ছেড়ে না দিয়ে তাদের তাড়িয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে চিকিৎসাসেবা নিয়ে স্থানীয় গণমান্য ব্যক্তিদের সহায়তায় নয়নকে জিম্মিদশা থেকে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার পাওয়া নয়ন মিয়া বলেন, ‘পথ আটকে আমাকে মারধর করে বাইক ও ফোন কেড়ে নেয় ওরা। এরপর কলার খেতে নিয়ে গিয়ে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে এবং ইয়াবা পাওয়ার কথা স্বীকার করতে বাধ্য করে। আমার সামনেই তারা র্যাব ও ডিবি পুলিশ সেজে ফোনে কথা বলছিল। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।’
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক জানান, ঘটনাটির লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পরিচয়ে নয়ন মিয়া (২৪) নামের এক যুবককে তুলে নিয়ে জিম্মি, মারধর ও চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ভুক্তভোগী নয়ন মিয়া বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার ময়দানহাট্টা ইউনিয়নের পোড়াদহ এলাকার দবির হোসেনের ছেলে।
অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার গুমানীগঞ্জ ইউনিয়নের গজিয়াপাড়ার মৃত রজ্জব আলীর ছেলে মাহাবুর রহমান (৫২), আলীপুরের দিলীপ চন্দ্র দাস (৪০) এবং জরিপপুরের লুটু মিয়া (৫৫)।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় নয়ন মিয়া গোবিন্দগঞ্জের জঙ্গলমারা এলাকা থেকে জরিপপুর যাচ্ছিলেন। পথে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তার পথরোধ করে মারধর শুরু করেন এবং তুলে নিয়ে ফুলপুকুরিয়া বাজারে মাহাবুরের দোকানে আটকে রাখেন। সন্ধ্যা সাতটার দিকে অভিযুক্ত লুটু মিয়া ডিবি জয়পুরহাটের কর্মকর্তা পরিচয়ে নয়নের শ্বশুর জুয়েলকে ফোন করেন। নয়নকে মাদকসহ আটক করা হয়েছে জানিয়ে তাকে ছাড়াতে ৫০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। পরে ৩০ হাজার টাকা নিয়ে স্থানীয় কয়েকজনকে সঙ্গে করে স্বজনেরা ফুলপুকুরিয়া বাজারে পৌঁছান।
সেখানে গিয়ে নয়নকে দেখতে পেয়ে স্বজনেরা মাহাবুরের হাতে ৩০ হাজার টাকা দিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানান। কিন্তু টাকা কম দেওয়ায় অভিযুক্ত মাহাবুর, দিলীপ ও লুটুসহ অজ্ঞাতপরিচয় ৮-১০ জন লাঠি ও লোহার রড দিয়ে স্বজনদের ওপর হামলা চালান। নয়নকে ছেড়ে না দিয়ে তাদের তাড়িয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে চিকিৎসাসেবা নিয়ে স্থানীয় গণমান্য ব্যক্তিদের সহায়তায় নয়নকে জিম্মিদশা থেকে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার পাওয়া নয়ন মিয়া বলেন, ‘পথ আটকে আমাকে মারধর করে বাইক ও ফোন কেড়ে নেয় ওরা। এরপর কলার খেতে নিয়ে গিয়ে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে এবং ইয়াবা পাওয়ার কথা স্বীকার করতে বাধ্য করে। আমার সামনেই তারা র্যাব ও ডিবি পুলিশ সেজে ফোনে কথা বলছিল। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।’
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক জানান, ঘটনাটির লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন