ঘুষ গ্রহণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা খবিরুল আলমকে বদলি করা হয়েছে। তাকে ঝিনাইদহ জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সহকারী সচিব মোহাম্মদ শহীদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়।
এর আগে এক সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে টাকা নেওয়ার ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হলে সর্বত্র সমালোচনা শুরু হয়। বিষয়টিতে রাজবাড়ী জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সেক মুহাম্মদ জালাল উদ্দীন খবিরুল আলমকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেন। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) জবাব দেওয়ার পর নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে প্রতিবেদন পাঠানো হলে পরদিনই বদলির এ আদেশ আসে।
ভুক্তভোগী বাহরাইন প্রবাসী রাসেল মোল্লা জানান, নতুন জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) জন্য কার্যালয়ে গেলে তার কাছে পাঁচ হাজার টাকা ঘুষ চাওয়া হয়। অনেক অনুরোধের পর দুই হাজার টাকা দিয়ে তিনি কাজ করান এবং কৌশলে টাকা নেওয়ার দৃশ্যটি ভিডিও করে ফেসবুকে ছেড়ে দেন। প্রবাসী রাসেলের অভিযোগ, ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হওয়ার কথা জানানোর পরও তাকে একাধিক দিন ঘোরানো হয়। ঘুষ না দিলে ওই কার্যালয়ে কোনো সেবা মেলেনি বলে আরও একাধিক সেবাগ্রহীতা অভিযোগ করেন।
অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় কয়েকটি কম্পিউটারের দোকান ও দালাল চক্রের মাধ্যমেই এ কার্যালয়ে ঘুষের লেনদেন চলত। এনআইডি সংশোধন বা নতুন কার্ডের জন্য ধরন বুঝে পাঁচ হাজার থেকে শুরু করে অর্ধলক্ষ টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নেওয়া হতো।
বদলির বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে খবিরুল আলম বলেন, 'আমার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে, তাই এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করব না।'
রাজবাড়ী জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সেক মুহাম্মদ জালাল উদ্দীন বলেন, ঘুষ গ্রহণের বিষয়টি খতিয়ে দেখে কমিশনে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছিল। এর প্রেক্ষিতেই তাকে ঝিনাইদহে বদলি করা হয়েছে। তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঘুষ গ্রহণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা খবিরুল আলমকে বদলি করা হয়েছে। তাকে ঝিনাইদহ জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সহকারী সচিব মোহাম্মদ শহীদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়।
এর আগে এক সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে টাকা নেওয়ার ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হলে সর্বত্র সমালোচনা শুরু হয়। বিষয়টিতে রাজবাড়ী জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সেক মুহাম্মদ জালাল উদ্দীন খবিরুল আলমকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেন। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) জবাব দেওয়ার পর নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে প্রতিবেদন পাঠানো হলে পরদিনই বদলির এ আদেশ আসে।
ভুক্তভোগী বাহরাইন প্রবাসী রাসেল মোল্লা জানান, নতুন জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) জন্য কার্যালয়ে গেলে তার কাছে পাঁচ হাজার টাকা ঘুষ চাওয়া হয়। অনেক অনুরোধের পর দুই হাজার টাকা দিয়ে তিনি কাজ করান এবং কৌশলে টাকা নেওয়ার দৃশ্যটি ভিডিও করে ফেসবুকে ছেড়ে দেন। প্রবাসী রাসেলের অভিযোগ, ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হওয়ার কথা জানানোর পরও তাকে একাধিক দিন ঘোরানো হয়। ঘুষ না দিলে ওই কার্যালয়ে কোনো সেবা মেলেনি বলে আরও একাধিক সেবাগ্রহীতা অভিযোগ করেন।
অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় কয়েকটি কম্পিউটারের দোকান ও দালাল চক্রের মাধ্যমেই এ কার্যালয়ে ঘুষের লেনদেন চলত। এনআইডি সংশোধন বা নতুন কার্ডের জন্য ধরন বুঝে পাঁচ হাজার থেকে শুরু করে অর্ধলক্ষ টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নেওয়া হতো।
বদলির বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে খবিরুল আলম বলেন, 'আমার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে, তাই এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করব না।'
রাজবাড়ী জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সেক মুহাম্মদ জালাল উদ্দীন বলেন, ঘুষ গ্রহণের বিষয়টি খতিয়ে দেখে কমিশনে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছিল। এর প্রেক্ষিতেই তাকে ঝিনাইদহে বদলি করা হয়েছে। তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন